আজ ২০তম তারাবীঃ খতমে তারাবির নামাজে পঠিতব্য আয়াতের সারসংক্ষেপ
বিষয়বস্তু
আজ ২০
তম তারাবিতে সূরা ইয়াসিনের ২য় রুকু থেকে ৫ম রুকু (আয়াত ২২-৮৩) পর্যন্ত, সূরা সাফফাতের ১ম রুকু থেকে ৫ম রুকু (আয়াত
১-১৮২) পর্যন্ত, সূরা সোয়াদের
১ম রুকু থেকে (আয়াত ১-৮৮) ৫ম রুকু পর্যন্ত এবং সূরা জুমারের ১ম রুকু থেকে ৩য় রুকু পর্যন্ত
(১-৩১) পঠিত হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ২৩ তম পারা।
“মিম্বারের আহবান” পাঠকদের জন্য আজকের তারাবিতে পঠিত অংশের বিষয়বস্তু, আয়াত ও অর্থ তুলে ধরা হলো,
বিস্তারিত দেখুন- www.membarerdhoni.xyz
২০তম তারাবীহ
সূরা ইয়াসিন
২২ নং আয়াত হতে সূরা ইয়াসিনের ৮৩ নং আয়াত পর্যন্ত।
(পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ২৩তম পারা।)
সূরা ইয়াসিনের
২২ নং আয়াত হতে ৮৩ মোট ৬১ টি আয়াত
সূরা সাফ্ফাতের
১ নং আয়াত হতে ১৮২ মোট ১৮২ টি আয়াত
সূরা সোয়াদের
১ নং আয়াত হতে ৮৮ মোট ৮৮ টি আয়াত
সূরা ঝুমারের ১ নং আয়াত হতে ৩১ মোট ৩১ টি আয়াত
সর্বমোট
পঠিতব্য আয়াত ৬১+১৮২+৮৮+৩১ =৩৬২
করনীয়, বর্জনীয় এবং শিক্ষনীয় বিষয়সমূহ
সূরা ইয়াসিন (২২-৮৩) :
২য় রুকুতে (আয়াত ২২-৩২) হজরত ঈসা (আ.) এর পূর্ব যুগে একজন নবীর ঘটনা আলোচিত
হয়েছে। তিনি তার কওমকে আল্লাহর দিকে ডাকতেন। কেউ তার কথায় কর্ণপাত করতো না।
উপরন্তু নানা অত্যাচারে জর্জরিত করতো। শহরের প্রান্ত থেকে হাবিব নাজ্জার নামক এক
ব্যক্তি দৌড়ে এসে নবীর পক্ষ অবলম্বন করে এবং কওমকে তাকে অনুসরণ করতে বলে। ফলে তাকে
শহিদ করে দেয়া হয়।
দ্বীন প্রচারে অনুপম আত্মত্যাগ
সূরা সাফফাত (আয়াত ১-১৮২) :
সূরা সোয়াদ (আয়াত ১-৮৮) :
يَا دَاوُودُ إِنَّا جَعَلْنَاكَ خَلِيفَةً فِي
الْأَرْضِ فَاحْكُم بَيْنَ النَّاسِ بِالْحَقِّ وَلَا تَتَّبِعِ الْهَوَى
فَيُضِلَّكَ عَن سَبِيلِ اللَّهِ إِنَّ الَّذِينَ يَضِلُّونَ عَن سَبِيلِ اللَّهِ
لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ بِمَا نَسُوا يَوْمَ الْحِسَابِ
সূরা জুমার (আয়াত ১-৩১) :
x
يَا
حَسْرَةً عَلَى الْعِبَادِ مَا يَأْتِيهِم مِّن رَّسُولٍ إِلاَّ كَانُوا بِهِ
يَسْتَهْزِئُون
বান্দাদের জন্যে আক্ষেপ যে, তাদের কাছে এমন কোন রসূলই আগমন করেনি
যাদের প্রতি তারা বিদ্রুপ করে না। [ সূরা ইয়াসিন ৩৬:৩০ ]
৩য় রুকুতে (আয়াত ৩৩-৫০) বলা হয়েছে আল্লাহর সৃষ্টি প্রসঙ্গে। আল্লাহ কীভাবে
বৃষ্টি বর্ষণ করেন, ফসল উৎপন্ন করেন, রাত্র দিনের আবর্তন ঘটান এসব বলে মানুষকে তার
প্রতি বিশ্বস্ত ও অনুগত হতে বলা হচ্ছে।
চন্দ্র-সুর্,
গ্রহ-নক্ষত্র গুলোর কক্ষপথে গতিশীলতা, আবর্তন ও পরিভ্রমণ প্রসঙ্গে আলোচনা
وَالشَّمْسُ تَجْرِي
لِمُسْتَقَرٍّ لَّهَا ذَلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ
সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ, আল্লাহর
নিয়ন্ত্রণ। [ সূরা ইয়াসিন ৩৬:৩৮ ]
وَالْقَمَرَ قَدَّرْنَاهُ
مَنَازِلَ حَتَّى عَادَ كَالْعُرْجُونِ الْقَدِيمِ
চন্দ্রের জন্যে আমি বিভিন্ন মনযিল নির্ধারিত করেছি। অবশেষে সে পুরাতন খর্জুর
শাখার অনুরূপ হয়ে যায়। [ সূরা ইয়াসিন ৩৬:৩৯ ]
لَا الشَّمْسُ يَنبَغِي
لَهَا أَن تُدْرِكَ الْقَمَرَ وَلَا اللَّيْلُ سَابِقُ النَّهَارِ وَكُلٌّ فِي
فَلَكٍ يَسْبَحُونَ
সূর্য নাগাল পেতে পারে না চন্দ্রের এবং রাত্রি অগ্রে চলে না দিনের প্রত্যেকেই
আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ করে। [ সূরা ইয়াসিন ৩৬:৪০ ]
৪র্থ ও ৫ম রুকুতে (আয়াত ৫১-৮৩) নবীদের প্রতি কাফেরদেও উপহাস ও তার পরিণতি
প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তারপর পর আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্ব, একত্ববাদ ও কুদরতের
কিছু দলিল উপস্থাপন করা হয়েছে। এরপর কেয়ামতের ভয়াবহতা এবং শিঙ্গায় ফুঁক দেয়ার
আলোচনা রয়েছে। সূরা ইয়াসিনের বেশির ভাগ আলোচনা মৃত্যু পরবর্তী জীবন সম্পর্কে। এর
সমাপ্তিও হয়েছে মৃত্যু পরবর্তী জীবনের আলোচনা দিয়ে।
কিয়ামতের দিন মুমীন ও পাপীদের পৃথক করে দেয়া হবে।
وَامْتَازُوا الْيَوْمَ
أَيُّهَا الْمُجْرِمُونَ
হে অপরাধীরা! আজ তোমরা আলাদা হয়ে যাও। [ সূরা ইয়াসিন ৩৬:৫৯ ]
أَلَمْ أَعْهَدْ
إِلَيْكُمْ يَا بَنِي آدَمَ أَن لَّا تَعْبُدُوا الشَّيْطَانَ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ
مُّبِينٌ
হে বনী-আদম! আমি কি তোমাদেরকে বলে রাখিনি যে, শয়তানের এবাদত করো না, সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু? [ সূরা ইয়াসিন ৩৬:৬০ ]
وَأَنْ اعْبُدُونِي هَذَا
صِرَاطٌ مُّسْتَقِيمٌ
এবং আমার এবাদত কর। এটাই সরল পথ। [ সূরা ইয়াসিন ৩৬:৬১ ]
কিয়ামতের দিন মানুষের অঙ্গ-প্রতঙ্গগুলো কথা
বলবে ও সাক্ষ্য দিবে
الْيَوْمَ
نَخْتِمُ عَلَى أَفْوَاهِهِمْ وَتُكَلِّمُنَا أَيْدِيهِمْ وَتَشْهَدُ أَرْجُلُهُمْ
بِمَا كَانُوا يَكْسِبُونَ
আজ আমি তাদের মুখে মোহর এঁটে দেব তাদের হাত আমার সাথে কথা
বলবে এবং তাদের পা তাদের কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে। [ সূরা ইয়াসিন ৩৬:৬৫ ]
১ম রুকু ও ২য় রুকুতে (আয়াত ১-৭৪) আলোচনা করা হয়েছে সেসব ফেরেশতাদের সম্পর্কে
যারা আল্লাহর ইবাদত এবং তাঁর সপ্রশংস তাসবিতে মশগুল থাকেন। তারপর জিনদের প্রসঙ্গে
বলা হয়েছে যে, তারা যখন
লুকিয়ে লুকিয়ে আসমানের সংবাদ শোনার চেষ্টা করে, তখন জ্বলন্ত উজ্জ্বল অঙ্গার তাদের পেছনে
ধাওয়া করে এবং সবদিক থেকে তাদেও ওপর আঘাত আসে।
তারকারাজি, উল্কাপিন্ড এবং গ্রহ-নক্ষত্র সম্পর্কে আলোচনা
إِنَّا
زَيَّنَّا السَّمَاء الدُّنْيَا بِزِينَةٍ الْكَوَاكِبِ
নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির দ্বারা সুশোভিত
করেছি। [ সূরা সাফফাত ৩৭:৬ ]
৩য় রুকু থেকে ৫ম রুকু (আয়াত ৭৫-১৮২) পর্যন্ত জাহান্নামিদের একে অপরকে দোষারোপ
প্রসঙ্গে আলোচনা শেষে জান্নাতিদেও পারস্পরিক কথোপকথন বিষয়ে আলোচিত হয়েছে। তারপর
হজরত নুহ (আ.), হজরত
ইব্রাহিম (আ.), হজর তমুসা
(আ.), হজরত হারুন
(আ.), হজরত ইলিয়াস
(আ.), হজরত লুত (আ.)
এবং হজরত ইউনুস (আ.) এর বিভিন্ন ঘটনা আলোচিত হয়েছে। নবীদেও এসব ঘটনা শেষে এরশাদ
হয়েছে, ‘আমার
প্রেরিত বান্দাদেও জন্য আমার ফয়সালা নির্ধারিত যে, তারাই সাহায্য লাভ করবে এবং বিজয়ী হবে আর
আমার বাহিনীরই জয় হবে।’
ইব্রাহীম (আঃ)-এর পরীক্ষা ও ইসমাঈল (আঃ)-এর কুরবানীর ঘটনা
رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ
(100) فَبَشَّرْنَاهُ بِغُلَامٍ حَلِيمٍ (101) فَلَمَّا بَلَغَ مَعَهُ السَّعْيَ قَالَ
يَا بُنَيَّ إِنِّي أَرَى فِي الْمَنَامِ أَنِّي أَذْبَحُكَ فَانْظُرْ مَاذَا تَرَى
قَالَ يَا أَبَتِ افْعَلْ مَا تُؤْمَرُ سَتَجِدُنِي إِنْ شَاءَ اللَّهُ مِنَ الصَّابِرِينَ
(102) فَلَمَّا أَسْلَمَا وَتَلَّهُ لِلْجَبِينِ
(103) وَنَادَيْنَاهُ أَنْ يَا إِبْرَاهِيمُ (104) قَدْ صَدَّقْتَ الرُّؤْيَا إِنَّا
كَذَلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ (105) إِنَّ هَذَا لَهُوَ الْبَلَاءُ الْمُبِينُ
(106) وَفَدَيْنَاهُ بِذِبْحٍ عَظِيمٍ (107) وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِي الْآخِرِينَ
(108) سَلَامٌ عَلَى إِبْرَاهِيمَ (109) كَذَلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ (110)
যখন পিতা-পুত্র উভয়েই আনুগত্য প্রকাশ করল এবং ইব্রাহীম তাকে যবেহ করার জন্যে
শায়িত করল। [ সূরা সাফফাত ৩৭:১০৩ ] তখন আমি
তাকে ডেকে বললামঃ হে ইব্রাহীম, [ সূরা সাফফাত ৩৭:১০৪
] তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করে দেখালে!
আমি এভাবেই সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান
দিয়ে থাকি। [ সূরা সাফফাত ৩৭:১০৫ ] নিশ্চয় এটা এক সুস্পষ্ট পরীক্ষা। [ সূরা সাফফাত
৩৭:১০৬ ] আমি তার পরিবর্তে দিলাম যবেহ করার জন্যে এক মহান জন্তু। [ সূরা সাফফাত
৩৭:১০৭ ] আমি তার জন্যে এ বিষয়টি পরবর্তীদের মধ্যে রেখে দিয়েছি যে, [ সূরা সাফফাত ৩৭:১০৮ ] ইব্রাহীমের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক। [ সূরা সাফফাত ৩৭:১০৯ ]
এমনিভাবে আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান
দিয়ে থাকি। [ সূরা সাফফাত ৩৭:১১০ ]
১ম রুকুতে (আয়াত ১-১৪) বলা হচ্ছে আল্লাহ তায়ালা কোরআনের শপথ করেছেন। এই শপথের
মাধ্যমে কোরআনের অলৌকিকতা এবং রাসূল (সা.) এর সত্যতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
আল্লাহর বড়ত্ব ও একত্ববাদেও বাহ্যিক প্রমাণের আলোচনার পর মুশরিকদেও অহংকার, মূর্খতা ও
নির্বুদ্ধিতা প্রসঙ্গে আলোচিত হয়েছে।
২য় রুকু ও ৩য় রুকুতে (আয়াত ১৫-৪০) হজরত দাউদ (আ.) এর কথা আলোচিত হয়েছে। আল্লাহ
তাকে বিশেষ ক্ষমতা দান করেছিলেন। লোহা তার হাতে গলে যেত। মানুষকে সৎপথে পরিচালিত করার জন্য তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
হে দাউদ! আমি তোমাকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি করেছি,
অতএব,
তুমি মানুষের মাঝে
ন্যায়সঙ্গতভাবে রাজত্ব কর এবং খেয়াল-খুশী র অনুসরণ করো না। তা তোমাকে আল্লাহর পথ
থেকে বিচ্যুত করে দেবে। নিশ্চয় যারা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয়,
তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি,
এ কারণে যে,
তারা হিসাবদিবসকে ভূলে
যায়। [ সূরা সা’দ
৩৮:২৬ ]
৪র্থ রুকু ও ৫ম রুকুতে (আয়াত ৪১-৮৮) পূর্ববর্তী বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর অহংকারী
ও অবিশ্বাসীদেও পরিণতি বলে রাসূলে আকরাম (সা.)-কে সবরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারপর
হজরত দাউদ (আ.), তারপুত্র
সোলাইমান, আইয়ুব, ইব্রাহিম, ইসহাক, ইয়াকুব, ইসমাইল, ইয়াসা ও জুলকিফল
(আ.) এর সংক্ষিপ্ত বিবরণ এসেছে। তারা ছিলেন আল্লাহর অনুগ্রহপ্রাপ্ত এবং শুকরগুজার
বান্দা। এরপর হজরত আদম (আ.) ও অভিশপ্ত ইবলিসের কাহিনী কিছুটা বিস্তারিত আকারে
উল্লেখ করা হয়েছে।
১ম রুকুতে (আয়াত ১-৯) বলা হয়েছে প্রকৃত পক্ষে আল্লাহর একত্ববাদেও বিশ্বাসই হলো
ঈমানের বুনিয়াদ ও ভিত্তিমূল। এরপর নবী (সা.) এর মাধ্যমে সমগ্র উম্মতকে হুকুম দেয়া
হয়েছে যে, ইবাদত যেন
শুধু আল্লাহর জন্যই হয়, লোক দেখানো বা রিয়ার কোনো আভাস যেন এতে না থাকে।
২য় রুকু ও ৩য় রুকুতে (আয়াত ১০-৩১) আল্লাহ তায়ালা একত্ববাদে বিশ্বাসী এবং
শিরকের অন্ধকারে নিমজ্জিত দুই দলের দু’টি উদাহরণ
দিয়েছেন। মুশরিকের উদাহরণ হচ্ছে এমন দাসের মতো যে কয়েকজন মালিকের মালিকানাধীন।
মালিকদের মেজাজ এবং আচার-আচরণও একধরনের নয়, মিল-মহব্বত বা কোনো ধরনের ঐক্য কিংবা সমঝোতা নেই তাদেও মাঝে। এক মালিক দাসটিকে
ডানে পাঠালে অন্যজন তাকে বাঁয়ে যাওয়ার হুকুম দেয়। একজন বসার কথা বললে অপরজন
দাঁড়িয়ে থাকতে বলে। দাসটি পেরেশান যে, সে কার কথা শুনবে আর কারটা ছাড়বে। পক্ষান্তরে একত্ববাদে বিশ্বাসীর উপমা হলো
এমন দাসের মতো, যার মালিক একজন। মালিকের চরিত্রও ভালো এবং সে
নিজ অধীনস্থ দাসের প্রয়োজনও বিবেচনায় রাখে।
চলবে..........
আমি আবার বলছি
২০তম তারাবীহ
সূরা ইয়াসিন
২২ নং আয়াত হতে সূরা ইয়াসিনের ৮৩ নং আয়াত পর্যন্ত।
(পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ২৩তম পারা।)
সূরা ইয়াসিনের
২২ নং আয়াত হতে ৮৩ মোট ৬১ টি আয়াত
সূরা সাফ্ফাতের
১ নং আয়াত হতে ১৮২ মোট ১৮২ টি আয়াত
সূরা সোয়াদের
১ নং আয়াত হতে ৮৮ মোট ৮৮ টি আয়াত
সূরা ঝুমারের ১ নং আয়াত হতে ৩১ মোট ৩১ টি আয়াত
সর্বমোট
পঠিতব্য আয়াত ৬১+১৮২+৮৮+৩১ =৩৬২



No comments:
Post a Comment