Thursday, April 22, 2021

আজ ১০ম তারাবীঃ খতমে তারাবির নামাজে পঠিতব্য আয়াতের সারসংক্ষেপ বিষয়বস্তু

 


আজ ১০ম তারাবীঃ খতমে তারাবির নামাজে পঠিতব্য আয়াতের সারসংক্ষেপ বিষয়বস্তু

 

আজ ১০ম তারাবিতে সূরা ইউসুফের ৭ম রুকু থেকে ১২তম রুকু পর্যন্ত (আয়াত ৫৩-১১১), সূরা রাদের ১ম রুকু থেকে ৬ষ্ঠ রুকু পর্যন্ত ও সূরা ইব্রাহিমের ১ম রুকু থেকে ৭ম রুকু পর্যন্ত (আয়াত ১-৫২) পড়া হবে। পারা হিসাবে আজ পড়া হবে ১৩তম পাড়া।

“মিম্বারের আহবান” পাঠকদের জন্য আজকের তারাবিতে পঠিত অংশের বিষয়বস্তু, আয়াত ও অর্থ  তুলে ধরা হলো,

 

বিস্তারিত দেখুন- www.membarerdhoni.xyz

 

১০ম তারাবীহ

সূরা ইউসুফের ৫৩ নং আয়াত হতে সূরা ইব্রাহিমের ৫২ নং আয়াত পর্যন্ত।

(পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ১৩তম পারা।)

সূরা ইউসুফের ৫৩ নং আয়াত হতে ১১১ মোট ৫৯ টি আয়াত

সূরা রা’দ ১ নং আয়াত হতে ৪৩ মোট ৪৩ টি আয়াত

সূরা ইব্রাহিমের ১ নং আয়াত হতে ৫২ মোট ৫২ টি আয়াত

সূরা হিজরের ১ টি আয়াত

সর্বমোট পঠিতব্য আয়াত ১১৮+৪৩+৫২+১ =১৫৫

 

করনীয়, বর্জনীয় এবং শিক্ষনীয় বিষয়সমূহ

সূরা ইউসুফ (৫৩-১১১) :

৭ম রুকু থেকে ১১তম রুকু পর্যন্ত (আয়াত ৫৩-১০৪) ইউসুফ (আ.) এর ঘটনার অবশিষ্ট অংশ বিবৃত করা হয়েছে। বর্ণিত হয়েছে, মিসরের বাদশা ইউসুফ (আ.) এর কাছে স্বপ্নের সঠিক ব্যাখ্যা শুনে তাকে জেল থেকে মুক্ত করে দিলেন। মুক্তির আগে ইউসুফ (আ.) সবার সামনে নিজে নির্দোষ হওয়ার প্রমাণ করতে চাইলেন। আজিজে মিসরের স্ত্রী নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করল। ইউসুফ (আ.) নির্দোষ এ কথাও সে অকপটে বলল। জেল থেকে বেরিয়ে ইউসুফ (আ.) মিসরের অর্থ বিভাগের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সে সময়ে মিসর ও তার আশপাশের এলাকাগুলোয় দুর্ভিক্ষের কারণে ইউসুফ (আ.) এর ভাইয়েরা বিশেষ দান সংগ্রহের জন্য মিসরে আসে। সাক্ষাতের পর ইউসুফ (আ.) ভাইদের জানিয়ে দেন, আমি তোমাদের ভাই ইউসুফ। এরপর ইউসুফ (আ.) এর বাবা-মাও মিসরে আসেন এবং এখানেই বসতি স্থাপন করেন। ইউসুফ (আ.) এর শৈশবে দেখা স্বপ্ন সত্যে পরিণত হয়।

নফস/আত্মা

وَمَا أُبَرِّئُ نَفْسِي إِنَّ النَّفْسَ لأَمَّارَةٌ بِالسُّوءِ إِلاَّ مَا رَحِمَ رَبِّيَ إِنَّ رَبِّي غَفُورٌ رَّحِيمٌ

আমি নিজেকে নির্দোষ বলি না। নিশ্চয় মানুষের মন মন্দ কর্মপ্রবণ কিন্তু সে নয়- আমার পালনকর্তা যার প্রতি অনুগ্রহ করেন। নিশ্চয় আমার পালনকর্তা ক্ষমাশীল, দয়ালু। [ সূরা ইউসুফ ১২:৫৩ ]

অন্যায়কারী/অপরাধী ভুল স্বীকার করলে ইউসুফ (আঃ) এর ন্যায় ক্ষমা করে মহানুভবতা প্রদর্শন করতে হবে।[1]

قَالَ لَا تَثْرِيبَ عَلَيْكُمُ الْيَوْمَ يَغْفِرُ اللَّهُ لَكُمْ وَهُوَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ ﴿يوسف: ٩٢﴾

প্রশাসনিক ক্ষমতা পেলে ইউসুফ (আঃ)-এর ন্যায় আল্লাহর নিকট সদা কৃতজ্ঞ থাকতে হবে।

رَبِّ قَدْ آتَيْتَنِي مِنَ الْمُلْكِ وَعَلَّمْتَنِي مِن تَأْوِيلِ الْأَحَادِيثِ فَاطِرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ أَنتَ وَلِيِّي فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ تَوَفَّنِي مُسْلِمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ ﴿يوسف: ١٠١﴾

হে পালনকর্তা আপনি আমাকে রাষ্ট্রক্ষমতাও দান করেছেন এবং আমাকে বিভিন্ন তাপর্য সহ ব্যাখ্যা করার বিদ্যা শিখিয়ে দিয়েছেনহে নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলের স্রষ্টা,আপনিই আমার কার্যনির্বাহী ইহকাল ও পরকালেআমাকে ইসলামের উপর মৃত্যুদান করুন এবং আমাকে স্বজনদের সাথে মিলিত করুন

 

১২তম রুকুতে (আয়াত ১০৫-১১১) বলা হয়েছে নবীদের আগমনের কারণ ও তাদের দায়িত্ব। তাদের জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা।

সূরা রাদ (আয়াত ৪৩) :

১ম রুকুতে (আয়াত ১-৭) আলোকপাত করা হয়েছে কোরআনের সত্যতা, আল্লাহর অস্তিত্ব ও একত্ববাদ সম্পর্কে, আসমান-জমিন, চাঁদ-সূর্য, রাত-দিন, পাহাড়-পর্বত, নদীনালা, লতাগুল্ম, বৈচিত্র্যময় স্বাদ ও রঙের বিভিন্ন ফলমূলের স্রষ্টা একমাত্র তিনিই এ সম্পর্কে।

 

 

২য় রুকুতে (আয়াত ৮-১৮) মানুষের জন্ম, জীবন, মরণ, উপকার ও ক্ষতি একমাত্র তারই হাতে। এরপর কেয়ামতের পুনরুত্থান ও প্রতিদানের আলোচনা করা হয়েছে। ফেরেশতাদের দিয়ে আল্লাহ তায়ালা মানুষকে হেফাজত করেন, আল্লাহ তায়ালা কোনো জাতির অবস্থা ততক্ষণ বদলান না, যতক্ষণ না সে জাতি নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে। মুসলিম জাতি সম্মান পেতে চাইলে, লাঞ্চনার পথ পরিহার করে মর্যাদার পথ অবলম্বন করতে হবে। বাতিলের উপমা দেওয়া হয়েছে ঢেউয়ের বুদবুদের সঙ্গে, যা বাহ্যত সব জিনিসের ওপর ছেয়ে থাকে। কিন্তু অবশেষে শুকিয়ে বিলুপ্ত হয়ে যায়। আর হক ও সত্যপন্থিদের ওই সোনা-রূপার সঙ্গে উপমা দেয়া হয়েছে, যা ঢেউয়ের সঙ্গে ভেসে যায় না, বরং জমিনেই থেকে যায়। তারপর আগুনে উত্তপ্ত করলে তা একেবারে খাঁটি সোনায় পরিণত হয় এবং খাদ ও ময়লা তা থেকে পৃথক হয়ে যায়।

fvM¨ Dbœq‡bi `vwqZ¡ wbR wbR RvwZi

إِنَّ اللَّهَ لَا يُغَيِّرُ مَا بِقَوْمٍ حَتَّىٰ يُغَيِّرُوا مَا بِأَنفُسِهِمْ وَإِذَا أَرَادَ اللَّهُ بِقَوْمٍ سُوءًا فَلَا مَرَدَّ لَهُ وَمَا لَهُم مِّن دُونِهِ مِن وَالٍ ﴿الرعد: ١١﴾

আল্লাহ কোন জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না,যে পর্যন্ত না তারা তাদের নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করেআল্লাহ যখন কোন জাতির উপর বিপদ চান, তখন তা রদ হওয়ার নয় এবং তিনি ব্যতীত তাদের কোন সাহায্যকারী নেই

 

৩য় রুকু থেকে ৬ষ্ঠ রুকু (আয়াত ১৯-৪৩) পর্যন্ত তাকওয়া অবলম্বনকারী এবং সত্যিকার বুদ্ধিমানদের আটটি গুণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলো প্রতিশ্রুতি রক্ষা, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা, আপন প্রতিপালকের ভয়, মন্দ হিসাবের ব্যাপারে শঙ্কা, ধৈর্যধারণ, নামাজ কায়েম, প্রকাশ্যে এবং গোপনে দান, মন্দের জবাবে ভালো ও উত্তম চরিত্র প্রদর্শন করা প্রভৃতি।

اللَّهُ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَن يَشَاءُ وَيَقْدِرُ وَفَرِحُوا بِالْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا فِي الْآخِرَةِ إِلَّا مَتَاعٌ ﴿الرعد: ٢٦﴾

আল্লাহ যার জন্যে ইচ্ছা রুযী প্রশস্ত করেন এবং সংকুচিত করেন। তারা পার্থিব জীবনের প্রতি মুগ্ধ। পার্থিবজীবন পরকালের সামনে অতি সামান্য সম্পদ বৈ নয়। [ সূরা রাদ ১৩:২৬ ]

 

الَّذِينَ آمَنُوا وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللَّهِ أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ ﴿الرعد: ٢٨﴾

যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর যিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখ, আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়। [ সূরা রাদ ১৩:২৮ ]

সূরা ইব্রাহিম (আয়াত ৫২) :

১ম ও ২য় রুকুতে (আয়াত ১-১২) বিভিন্ন সম্প্রদায় তাদের নবীদের সঙ্গে কেমন আচরণ করেছে এর কিছু নমুনা তুলে ধরা হয়েছে। অস্বীকারকারী গোষ্ঠী সাধারণত চার ধরনের সন্দেহের কথা বলত এবং বর্তমানেও বলে। সন্দেহগুলোর উল্লেখ করে জবাব দেয়া হয়েছে আল্লাহর অস্তিত্বের ব্যাপারে সন্দেহ’, অথচ একটু চোখ মেলে তাকালেই দেখা যায়, রাব্বুল আলামিনের অস্তিত্বের অসংখ্য প্রমাণ। রাসূল মানুষ হবেন কেন?’ মানুষের জন্য মানুষ রাসূল পাঠানোই তো বেশি যৌক্তিক। বাপ-দাদাদের ধর্ম ছেড়ে নতুন ধর্ম কেন গ্রহণ করব?’ কেউ যদি ভুলপথে থাকে তবু কী তাকে অনুসরণ করা হবে?

পথভ্রষ্ট লোক

 

الَّذِينَ يَسْتَحِبُّونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا عَلَى الْآخِرَةِ وَيَصُدُّونَ عَن سَبِيلِ اللَّهِ وَيَبْغُونَهَا عِوَجًا أُولَٰئِكَ فِي ضَلَالٍ بَعِيدٍ ﴿ابراهيم: ٣﴾

যারা পরকালের চাইতে পার্থিব জীবনকে পছন্দ করে; আল্লাহর পথে বাধা দান করে এবং তাতে বক্রতা অন্বেষণ করে, তারা পথ ভুলে দূরে পড়ে আছে। [ সূরা ইব্রাহিম ১৪:৩ ]

 

وَإِذْ تَأَذَّنَ رَبُّكُمْ لَئِن شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ وَلَئِن كَفَرْتُمْ إِنَّ عَذَابِي لَشَدِيدٌ ﴿ابراهيم: ٧﴾

৩য় থেকে ৭ম রুকু পর্যন্ত (আয়াত ১৩-৫২) কেয়ামতের দৃশ্যের অবতারণা করা হয়েছে এবং জাহান্নামের ভীষণ ভয়ংকর আজাবের আলোচনা করা হয়েছে। কেয়ামতের ময়দানে নিজ অনুসারীদের থেকে শয়তানের পলায়ন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে এবং হক-বাতিলের চমকার একটি উপমা পেশ করা হয়েছে। বিশেষভাবে ইব্রাহিম (আ.) এর ওইসব দোয়া উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলো তিনি করেছিলেন বায়তুল্লাহ বিনির্মাণের পর মক্কাবাসী, নিজের সন্তান-সন্ততি ও পরবর্তী বংশধর এবং মানবতার জন্য। দোয়ায় তিনি নিরাপত্তা, রিজিকের ব্যবস্থা, মক্কার প্রতি সবার অন্তরের টান, সালাত কায়েম করা এবং মাগফিরাতের দরখাস্ত করেছিলেন।

nvk‡ii gq`v‡b kqZv‡bi fvlb

وَقَالَ الشَّيْطَانُ لَمَّا قُضِيَ الْأَمْرُ إِنَّ اللَّهَ وَعَدَكُمْ وَعْدَ الْحَقِّ وَوَعَدتُّكُمْ فَأَخْلَفْتُكُمْ ۖ وَمَا كَانَ لِيَ عَلَيْكُم مِّن سُلْطَانٍ إِلَّا أَن دَعَوْتُكُمْ فَاسْتَجَبْتُمْ لِي ۖ فَلَا تَلُومُونِي وَلُومُوا أَنفُسَكُم ۖ مَّا أَنَا بِمُصْرِخِكُمْ وَمَا أَنتُم بِمُصْرِخِيَّ ۖ إِنِّي كَفَرْتُ بِمَا أَشْرَكْتُمُونِ مِن قَبْلُ ۗ إِنَّ الظَّالِمِينَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿ابراهيم: ٢٢﴾

যখন সব কাজের ফায়সলা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবেঃ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে সত্য ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং আমি তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছিতোমাদের উপর তো আমার কোন ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে, আমি তোমাদেরকে ডেকেছি, অতঃপর তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছঅতএব তোমরা আমাকে ভর্সনা করো না এবং নিজেদেরকেই ভর্সনা করআমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই এবং তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নওইতোপূর্বে তোমরা আমাকে যে আল্লাহর শরীক করেছিলে, আমি তা অস্বীকার করিনিশ্চয় যারা জালেম তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি

ইব্রাহীম (আঃ) এর ন্যায় নিজেকে ও সন্তানদেরকে নামাজী বানানোর জন্য ও ক্ষমার জন্য দোয়া করতে হবে।

رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِن ذُرِّيَّتِي رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ ﴿ابراهيم: ٤٠﴾

হে আমার পালনকর্তা, আমাকে নামায কায়েমকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্যে থেকেও। হে আমাদের পালনকর্তা, এবং কবুল করুন আমাদের দোয়া। [ সূরা ইব্রাহিম ১৪:৪০ ]

رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ ﴿ابراهيم: ٤١﴾

হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করুন, যেদিন হিসাব কায়েম হবে। [ সূরা ইব্রাহিম ১৪:৪১ ]

 

 

আমি আবার বলছি

আজ ১০ম তারাবীহ

সূরা ইউসুফের ৫৩ নং আয়াত হতে সূরা ইব্রাহিমের ৫২ নং আয়াত পর্যন্ত।

(পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ১৩তম পারা।)

সূরা ইউসুফের ৫৩ নং আয়াত হতে ১১১ মোট ৫৯ টি আয়াত

সূরা রা’দ ১ নং আয়াত হতে ৪৩ মোট ৪৩ টি আয়াত

সূরা ইব্রাহিমের ১ নং আয়াত হতে ৫২ মোট ৫২ টি আয়াত

সূরা হিজরের ১ টি আয়াত

সর্বমোট পঠিতব্য আয়াত ১১৮+৪৩+৫২+১ =১৫৫

 


x

[1]. gvZ…f~wg g°vi †hme †jvK Zv‡K wbcxob K‡i‡Q, wbh©vZb K‡i‡Q, †`k †_‡K DrLvZ K‡i‡Q, †mB †Nvi kΓ‡`i cÖwZ Zvi Av‡eMvyZ mngwg©Zvi †h mvaviY ¶gv †NvlYv Zv‡Z g°vevmx‡`i Rb¨ fvjevmv dz‡U D‡V| gvbeZvi G gnvb †cÖg RM‡Z Avi †K †`Lv‡Z †c‡i‡Q? ivm~jyj­vn e‡j‡Qb,

فَإِنِّيْ أَقُوْلُ لَكُمْ كَمَا قَالَ يُوْسُفُ لِإِخْوَتِهِ: لَا تَثْرِيبَ عَلَيْكُمُ الْيَوْمَ يَغْفِرُ اللَّهُ لَكُمْ وَهُوَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ، اِذْهَبُوْا فَأَنْتُمْ الطّلَقَاءُ. (شرح رياض الصالحين)

Òwbðq Avwg †Zvgv‡`i‡K †mB K_vB ejwQ hv BDmyd (Avt) wgk‡ii ivóª ¶gZvq e‡m Zuvi mKj fvB‡`i D‡Ï‡k¨ e‡jwQ‡jb AvR †Zvgv‡`i wei“‡× †Kvb Awf‡hvM †bB| Avj­vn& †Zvgv‡`i‡K ¶gv Ki“b| wZwb me †g‡nievb‡`i PvB‡Z AwaK †g‡nievb| I‡n g°vevmx! †Zvgv‡`i cÖwZ AvR Avgvi †Kvb Awf‡hvM †bB, †bB †Kvb cÖwZ‡kva fve| †Zvgiv gy³ gvbyl|Ó -kin wiqv`ym mvwjnxb, L. 2, c„. 416; Av‡iv wewfbœ Zvdmxi I kivn Gi wKZve `ªt

 

No comments:

Post a Comment