Tuesday, April 20, 2021

আজ ৮ম তারাবীঃ খতমে তারাবির নামাজে পঠিতব্য আয়াতের সারসংক্ষেপ বিষয়বস্তু

 


আজ ৮ম তারাবীঃ খতমে তারাবির নামাজে পঠিতব্য আয়াতের সারসংক্ষেপ বিষয়বস্তু

 

আজ ৮ম তারাবিতে সূরা তাওবার ১২তম রুকুর শেষাংশ থেকে ১৬তম রুকু (আয়াত ৯৪-১২৯) পর্যন্ত এবং সূরা ইউনুসের ১ম রুকু থেকে ১১তম রুকু (আয়াত ১-১০৯) পর্যন্ত পড়া হবে। পারা হিসেবে আজ তেলাওয়াত করা হবে ১১তম পারা।

“মিম্বারের আহবান” পাঠকদের জন্য আজকের তারাবিতে পঠিত অংশের বিষয়বস্তু, আয়াত ও অর্থ  তুলে ধরা হলো,

 

বিস্তারিত দেখুন- www.membarerdhoni.xyz

 

৮ম তারাবীহ

সূরা তাওবার ৯৪ নং আয়াত হতে সূরা সূরা ই্উনুষের ১০৯ নং আয়াত পর্যন্ত।

(পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ১১তম পারা।)

সূরা তাওবার ৯৪ নং আয়াত হতে ১২৯ মোট ৩৬ টি আয়াত

সূরা ইউনুসের ১ নং আয়াত হতে ১০৯ মোট ১০৯ টি আয়াত

সূরা হুদের ১ নং আয়াত হতে ০৫ মোট ০৫ টি আয়াত

সর্বমোট পঠিতব্য আয়াত ৩৬+১০৯+০৫=১৫০

 

করনীয়, বর্জনীয় এবং শিক্ষনীয় বিষয়সমূহ

সূরা তাওবা (৯৪-১৯৩) :

১২তম রুকুর শেষার্ধে (আয়াত ৯৪-৯৯) মুনাফিকদের সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা রাসূলকে (সা.) তাবুক থেকে ফেরার পথে জানিয়ে দিয়েছিলেন, মদিনায় পৌঁছার পর মুনাফিকরা বিভিন্ন অজুহাত পেশ করবে। এমনই হয়েছিল, মুনাফিকরা মিথ্যা কসম করে নিজেদের সত্যতা প্রমাণের চেষ্টা করছিল।

১৩ ও ১৪তম রুকুতে (আয়াত ১০০-১১৮) আলোকপাত করা হয়েছে তিনজন খাঁটি ঈমানদার সাহাবি সম্পর্কে। যারা অলসতার কারণে যুদ্ধে যেতে পারেননি। তারা কোনো ওজর খোঁজেননি, বরং পরিষ্কার ভাষায় স্বীকার করেছেন, যুদ্ধে না যাওয়ার তেমন কোনো ওজর ছিল না, শুধু অলসতার কারণে যুদ্ধে যায়নি। তাদের আলাদা থাকার হুকুম দেয়া হয়। এমনিক পঞ্চাশ দিন পর্যন্ত তাদের বয়কট করে রাখা হয়। কিন্তু সত্য বলার কারণে শেষে তারা বিশেষ পুরস্কার লাভ করেন। তাদের তওবা কবুল হওয়ার সুসংবাদও এই সব আয়াতের মাধ্যমে জানানো হয়।

 

মুসলমানদের ঐক্য নষ্ট করার উদ্দেশ্যে কোন মসজিদ নির্মান করা যাবে না।

وَالَّذِينَ اتَّخَذُوا مَسْجِدًا ضِرَارًا وَكُفْرًا وَتَفْرِيقًا بَيْنَ الْمُؤْمِنِينَ وَإِرْصَادًا لِّمَنْ حَارَبَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ مِن قَبْلُ وَلَيَحْلِفُنَّ إِنْ أَرَدْنَا إِلَّا الْحُسْنَىٰ وَاللَّهُ يَشْهَدُ إِنَّهُمْ لَكَاذِبُونَ ﴿التوبة: ١٠٧﴾

আর যারা নির্মাণ করেছে মসজিদ জিদের বশে এবং কুফরীর তাড়নায় মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃস্টির উদ্দেশ্যে এবং ঐ লোকের জন্য ঘাটি স্বরূপ যে পূর্ব থেকে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করে আসছে, আর তারা অবশ্যই শপথ করবে যে, আমরা কেবল কল্যাণই চেয়েছিপক্ষান্তরে আল্লাহ সাক্ষী যে, তারা সবাই মিথ্যুক

 

মমিনের জীবন ও সম্পদ জান্নাতের বিনিময় আল্লাহ্ ক্রয় করে নিয়েছেন।

إِنَّ اللَّهَ اشْتَرَىٰ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ أَنفُسَهُمْ وَأَمْوَالَهُم بِأَنَّ لَهُمُ الْجَنَّةَ يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيَقْتُلُونَ وَيُقْتَلُونَ وَعْدًا عَلَيْهِ حَقًّا فِي التَّوْرَاةِ وَالْإِنجِيلِ وَالْقُرْآنِ وَمَنْ أَوْفَىٰ بِعَهْدِهِ مِنَ اللَّهِ فَاسْتَبْشِرُوا بِبَيْعِكُمُ الَّذِي بَايَعْتُم بِهِ وَذَٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ ﴿التوبة: ١١١﴾

আল্লাহ ক্রয় করে নিয়েছেন মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাততারা যুদ্ধ করে আল্লাহর রাহেঃ অতঃপর মারে ও মরেতওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচলআর আল্লাহর চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক? সুতরাং তোমরা আনন্দিত হও সে লেন-দেনের উপর, যা তোমরা করছ তাঁর সাথেআর এ হল মহান সাফল্য

 

১৫ ও ১৬তম রুকুতে (আয়াত ১১৯-১২৯) মুমিনদের তাকওয়া অবলম্বন, মুনাফিকদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখা, সত্যাশ্রয়ীদের সংস্পর্শ গ্রহণ এবং সর্বোচ্চ বিনিময়ে হলেও নবীজিকে নিজেদের থেকে প্রাধান্য দানের জন্য জোর তাগিদ দেয়া হয়েছে। তারপর ইলম অর্জন ও প্রচারের গুরুত্ব, যুদ্ধের কিছু মূলনীতি, মুনাফিকদের নিন্দা এবং রাসূল (সা.) এর বিশেষ কিছু গুণের প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে।

প্রকৃত বন্ধু কে?

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ ﴿التوبة: ١١٩﴾[1]

সূরা ইউনুস (আয়াত ১-১১৯) :

১ম রুকুতে (আয়াত ১-১০) আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ ওহী, ঈমানের মৌলিক আকিদা-বিশ্বাস ও কোরআন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। তারপর আল্লাহর ইবাদত, কুদরতের দলিল-প্রমাণ দেখা সত্তেও মানুষ বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী দুই দলে বিভক্ত হওয়া প্রসঙ্গে আলোকপাত করা হয়েছে।

আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে তাঁর নিদর্শন সন্ধান করতে হবে

هُوَ الَّذِي جَعَلَ الشَّمْسَ ضِيَاءً وَالْقَمَرَ نُورًا وَقَدَّرَهُ مَنَازِلَ لِتَعْلَمُوا عَدَدَ السِّنِينَ وَالْحِسَابَ ۚ مَا خَلَقَ اللَّهُ ذَٰلِكَ إِلَّا بِالْحَقِّ ۚ يُفَصِّلُ الْآيَاتِ لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ [١٠:٥]

তিনিই সে মহান সত্তা, যিনি বানিয়েছেন সুর্যকে উজ্জল আলোকময়, আর চন্দ্রকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে এবং অতঃপর নির্ধারিত করেছেন এর জন্য মনযিল সমূহ, যাতে করে তোমরা চিনতে পার বছরগুলোর সংখ্যা ও হিসাবআল্লাহ এই সমস্ত কিছু এমনিতেই সৃষ্টি করেননি, কিন্তু যথার্থতার সাথেতিনি প্রকাশ করেন লক্ষণসমূহ সে সমস্ত লোকের জন্য যাদের জ্ঞান আছে

اِنَّ فِي اخْتِلَافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَمَا خَلَقَ اللَّهُ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَتَّقُونَ [١٠:٦]

নিশ্চয়ই রাত-দিনের পরিবর্তনের মাঝে এবং যা কিছু তিনি সৃষ্টি করেছেন আসমান ও যমীনে, সবই হল নিদর্শন সেসব লোকের জন্য যারা ভয় করে

 

২য় রুকুতে (আয়াত ১১-২০) বলা হয়েছে তাড়াহুড়ার প্রবণতার কারণে মানুষ যেভাবে নিজের অমঙ্গল চায় এভাবেই যদি তাদের প্রার্থনা কবুল হয়ে যেত তাহলে মুহূর্তেই সব শেষ হয়ে যেত। তারপর বলা হয়েছে কোরআন আল্লাহর কালাম, কাফেররা সে কথা মানত না। মুহাম্মাদ (সা.) তা বানিয়েছে এমন কথা বলত। উত্তরে বলা হয়েছে, চল্লিশ বছর যিনি মানুষের ব্যাপারেই কোনো মিথ্যা বলেননি, তিনি এ বয়সে এসে আল্লাহর ব্যাপারে কেন মিথ্যা বলতে যাবেন? তা ছাড়া তিনি তো দুনিয়ায় কারো শিষ্যত্ব গ্রহণ করেননি। কাব্য চর্চাও করেননি। এ সত্তেও তিনি এমন অলৌকিক ও অলংকারপূর্ণ কথা নিজ থেকে কীভাবে বলতে পারেন!

বিপদের সময় আল্লাহকে ডাকা এবং বিপদ চলে গেলে তাকে ভুলে গেলে চলবে না

وَإِذَا مَسَّ الْإِنسَانَ الضُّرُّ دَعَانَا لِجَنبِهِ أَوْ قَاعِدًا أَوْ قَائِمًا فَلَمَّا كَشَفْنَا عَنْهُ ضُرَّهُ مَرَّ كَأَن لَّمْ يَدْعُنَا إِلَىٰ ضُرٍّ مَّسَّهُ كَذَٰلِكَ زُيِّنَ لِلْمُسْرِفِينَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿يونس: ١٢﴾[2]

 

৩য় ও ৪র্থ রুকুতে (আয়াত ২১-৪০) কোরআন চিরসত্য, আল্লাহর কালাম এ কথা বলে চ্যালেঞ্জ ছোড়া হয়েছে, যদি এটা মানুষের কথা হয়ে থাকে তাহলে তোমরাও এর অনুরূপ কোনো সূরা বানিয়ে দেখাও। তারপর মুশরিকদের মূর্তিপূজা রদ এবং তাওহিদের বিভিন্ন দলিল উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, কষ্ট ও দুর্যোগের সময় বড় বড় মুশরিকও মিথ্যা উপাস্যদের ভুলে যায়। তখন সে প্রকৃত উপাস্যকে ডাকতে বাধ্য হয়।

কর্মশীলদের দ্বিগুন পুরস্কার প্রদান করা হবে।

لِّلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَىٰ وَزِيَادَةٌ ۖ وَلَا يَرْهَقُ وُجُوهَهُمْ قَتَرٌ وَلَا ذِلَّةٌ ۚ أُولَٰئِكَ أَصْحَابُ الْجَنَّةِ ۖ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ [١٠:٢٦]

যারা সকর্ম করেছে তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ এবং তারও চেয়ে বেশীআর তাদের মুখমন্ডলকে আবৃত করবে না মলিনতা কিংবা অপমানতারাই হল জান্নাতবাসী, এতেই তারা বসবাস করতে থাকবে অনন্তকাল

وَالَّذِينَ كَسَبُوا السَّيِّئَاتِ جَزَاءُ سَيِّئَةٍ بِمِثْلِهَا وَتَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ۖ مَّا لَهُم مِّنَ اللَّهِ مِنْ عَاصِمٍ ۖ كَأَنَّمَا أُغْشِيَتْ وُجُوهُهُمْ قِطَعًا مِّنَ اللَّيْلِ مُظْلِمًا ۚ أُولَٰئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ [١٠:٢٧]

আর যারা সঞ্চয় করেছে অকল্যাণ অস কর্মের বদলায় সে পরিমাণ অপমান তাদের চেহারাকে আবৃত করে ফেলবেকেউ নেই তাদেরকে বাঁচাতে পারে আল্লাহর হাত থেকেতাদের মুখমন্ডল যেন ঢেকে দেয়া হয়েছে আধাঁর রাতের টুকরো দিয়েএরা হল দোযখবাসীএরা এতেই থাকবে অনন্তকাল

 

৫ম থেকে ৯ম রুকু পর্যন্ত (আয়াত ৪১-৯২) উপদেশ লাভের জন্য তিনটি ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। ১ম ঘটনা নুহ (আ.) এর। তিনি দীর্ঘকাল জাতিকে দাওয়াত দেন। কিন্তু হতভাগা জাতি নবীর কথা না শুনে ধ্বংস হয়েছে। ২য় ঘটনাটি মুসা (আ.) ও হারুন (আ.) এর। খোদা হওয়ার দাবিদার ফেরাউনের মোকাবেলায় পাঠানো হয়েছিল তাদের। ৩য় ঘটনাটি ইউনুস (আ.)-এর। তার নামেই এই সূরার নামকরণ করা হয়েছে। নিজ কওমের ঈমান আনার বিষয়ে নিরাশ হয়ে এবং আল্লাহর আজাব আপতিত হওয়ার নিশ্চিত অবস্থা দেখে তিনি নিনাওয়ানামক স্থান ছেড়ে চলে আসেন। ইউনুস (আ.) চলে যাওয়ার পর তার কওমের লোকেরা ভুল বুঝতে পেরে তওবা, ইস্তেগফার করে। ফলে তাদের থেকে আল্লাহ তায়ালা আজাব সরিয়ে নেন।

আল্লাহ্র বন্ধু বা অলিদের কোন ভয় নাই

أَلَا إِنَّ أَوْلِيَاءَ اللَّهِ لَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ [١٠:٦٢]

মনে রেখো যারা আল্লাহর বন্ধু, তাদের না কোন ভয় ভীতি আছে, না তারা চিন্তান্বিত হবে

الَّذِينَ آمَنُوا وَكَانُوا يَتَّقُونَ [١٠:٦٣]

যারা ঈমান এনেছে এবং ভয় করতে রয়েছে

لَهُمُ الْبُشْرَىٰ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ ۚ لَا تَبْدِيلَ لِكَلِمَاتِ اللَّهِ ۚ ذَٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ [١٠:٦٤]

তাদের জন্য সুসংবাদ পার্থিব জীবনে ও পরকালীন জীবনেআল্লাহর কথার কখনো হের-ফের হয় নাএটাই হল মহা সফলতা

 

সময় থাকতেই তাওবা করতে হবে।

وَجَاوَزْنَا بِبَنِي إِسْرَائِيلَ الْبَحْرَ فَأَتْبَعَهُمْ فِرْعَوْنُ وَجُنُودُهُ بَغْيًا وَعَدْوًا ۖ حَتَّىٰ إِذَا أَدْرَكَهُ الْغَرَقُ قَالَ آمَنتُ أَنَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا الَّذِي آمَنَتْ بِهِ بَنُو إِسْرَائِيلَ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ [١٠:٩٠]

আর বনী-ইসরাঈলকে আমি পার করে দিয়েছি নদীতারপর তাদের পশ্চাদ্ধাবন করেছে ফেরাউন ও তার সেনাবাহিনী, দুরাচার ও বাড়াবাড়ির উদ্দেশে এমনকি যখন তারা ডুবতে আরম্ভ করল, তখন বলল, এবার বিশ্বাস করে নিচ্ছি যে, কোন মাবুদ নেই তাঁকে ছাড়া যাঁর উপর ঈমান এনেছে বনী-ইসরাঈলরাবস্তুতঃ আমিও তাঁরই অনুগতদের অন্তর্ভুক্ত

آلْآنَ وَقَدْ عَصَيْتَ قَبْلُ وَكُنتَ مِنَ الْمُفْسِدِينَ [١٠:٩١]

এখন একথা বলছ! অথচ তুমি ইতিপূর্বে না-ফরমানী করছিলেএবং পথভ্রষ্টদেরই অন্তর্ভুক্ত ছিলে

فَالْيَوْمَ نُنَجِّيكَ بِبَدَنِكَ لِتَكُونَ لِمَنْ خَلْفَكَ آيَةً ۚ وَإِنَّ كَثِيرًا مِّنَ النَّاسِ عَنْ آيَاتِنَا لَغَافِلُونَ [١٠:٩٢]﴿يونس: ٩٢﴾

অতএব আজকের দিনে বাঁচিয়ে দিচ্ছি আমি তোমার দেহকে যাতে তোমার পশ্চাদবর্তীদের জন্য নিদর্শন হতে পারেআর নিঃসন্দেহে বহু লোক আমার মহাশক্তির প্রতি লক্ষ্য করে না

 

১০ ও ১১তম রুকুতে (আয়াত ৯৩-১০৯) মুমিনদের সুসংবাদ দেয়া হয়েছে যে, আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে। সূরা ইউনুসের সূচনা হয়ছে কোরআনের আলোচনা দিয়ে হয়েছে, সমাপ্তিও হয়েছে এই সত্য গ্রন্থ অনুসরণের প্রতি নির্দেশনা প্রদান করে।

 

আমি আবার বলছি

আজ ৮ম তারাবীহ

সূরা তাওবার ৯৪ নং আয়াত হতে সূরা সূরা ই্উনুষের ১০৯ নং আয়াত পর্যন্ত।

(পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ১১তম পারা।)

সূরা তাওবার ৯৪ নং আয়াত হতে ১২৯ মোট ৩৬ টি আয়াত

সূরা ইউনুসের ১ নং আয়াত হতে ১০৯ মোট ১০৯ টি আয়াত

সূরা হুদের ১ নং আয়াত হতে ০৫ মোট ০৫ টি আয়াত

সর্বমোট পঠিতব্য আয়াত ৩৬+১০৯+০৫=১৫০

 



[1]

عَـنْ أَبِـي هُـرَيْـرَةَ، قَـالَ: قَـالَ رَسُـوْلُ الـلّٰـهِ صَـلَّـى الـلّٰـهُ عَـلَـيْـهِ وَسَـلَّـمَ: اَلـرَّجُـلُ عَـلٰـى دِيْـنِ خَـلِـيْـلِـهِ، فَـلْـيَـنْـظُـرْ أَحَـدُكُمْ مَـنْ يُـخَـالِـلُ (رواه الترمذي)

 

[2]

فَإِذَا مَسَّ الْإِنسَانَ ضُرٌّ دَعَانَا ثُمَّ إِذَا خَوَّلْنَاهُ نِعْمَةً مِّنَّا قَالَ إِنَّمَا أُوتِيتُهُ عَلَىٰ عِلْمٍ بَلْ هِيَ فِتْنَةٌ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ ﴿الزمر: ٤٩﴾

No comments:

Post a Comment