Sunday, April 18, 2021

আজ ৬ষ্ঠ তারাবীঃ খতমে তারাবির নামাজে পঠিতব্য আয়াতের সারসংক্ষেপ বিষয়বস্তু

 


আজ ৬ষ্ঠ তারাবীঃ খতমে তারাবির নামাজে পঠিতব্য আয়াতের সারসংক্ষেপ বিষয়বস্তু

 আজ ৬ষ্ঠ তারাবিতে সূরা আরাফের ২য় রুকু থেকে শেষ পর্যন্ত (আয়াত ১২-২০৬) এবং সূরা আনফালের ১ম রুকু থেকে ৫ম রুকু (আয়াত ১-৪০) পর্যন্ত পড়া হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে অষ্টম পারার শেষার্ধ এবং নবম পারা। মোট দেড় পাড়া।

“মিম্বারের আহবান” পাঠকদের জন্য আজকের তারাবিতে পঠিত অংশের বিষয়বস্তু, আয়াত ও অর্থ  তুলে ধরা হলো,

 

বিস্তারিত দেখুন- www.membarerdhoni.xyz

 

৬ষ্ঠ তারাবীহ

সূরা আরাফের ১২ নং আয়াত হতে সূরা আনফালের ৪০ নং আয়াত পর‌্যন্ত।

(৮ম পারার শেয়ার্ধ থেকে ৯ম পারার পুরো অংশ। মোট দেড় পারা)

সূরা আরাফের ১২ নং আয়াত হতে ২০৬ মোট ১৯৫ টি আয়াত

সূরা আনফালের ১ নং আয়াত হতে ৪০ মোট ৪০ টি আয়াত

সর্বমোট পঠিতব্য আয়াত ১৯৫+৪০=২৩৫

 

করনীয়, বর্জনীয় এবং শিক্ষনীয় বিষয়সমূহ

সূরা আরাফ : (আয়াত ১১-২০৬) :

২য় রুকুতে (আয়াত ১১-২৫) আলোচনা করা হয়েছে মানুষের সৃষ্টি কথা, হজরত আদম (আ.) জান্নাত থেকে নির্গমন ও দুনিয়াতে আগমন ইত্যাদি বিষয়ে।

৩য় রুকুতে (আয়াত ২৬-৩১) বলা হয়েছে মানুষের লজ্জা নিবারণের জন্য পোশাকের অপরিহার্যতা, অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকা, পথে চলার বিষয়ে উসাহ প্রদান প্রসঙ্গে।

يَا بَنِي آدَمَ قَدْ أَنزَلْنَا عَلَيْكُمْ لِبَاسًا يُوَارِي سَوْآتِكُمْ وَرِيشًا وَلِبَاسُ التَّقْوَىٰ ذَٰلِكَ خَيْرٌ ذَٰلِكَ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ لَعَلَّهُمْ يَذَّكَّرُونَ ﴿الأعراف: ٢٦﴾

হে বনী-আদম আমি তোমাদের জন্যে পোশাক অবর্তীণ করেছি,যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে এবং অবর্তীণ করেছি সাজ সজ্জার বস্ত্র এবং পরহেযগারীর পোশাক,এটি সর্বোত্তমএটি আল্লাহর কুদরতের অন্যতম নিদর্শন,যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে (Bu¡a ew-26)

يَا بَنِي آدَمَ خُذُوا زِينَتَكُمْ عِندَ كُلِّ مَسْجِدٍ وَكُلُوا وَاشْرَبُوا وَلَا تُسْرِفُوا إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ ﴿الأعراف: ٣١﴾

হে বনী-আদম! তোমরা প্রত্যেক নামাযের সময় সাজসজ্জা পরিধান করে নাও,খাও ও পান কর এবং অপব্যয় করো নাতিনি অপব্যয়ীদেরকে পছন্দ করেন না

 

৪র্থ রুকুতে (আয়াত ৩২-৩৯) আলোকপাত করা হয়েছে হালাল হারাম বিষয়ে, নবী রাসূলদের আগমন, মানুষের পাপ-পুণ্যের প্রতিদান ইত্যাদি বিষয়ে।

৫ম রুকুতে (আয়াত ৪০-৪৭) যারা আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে তাদের বিধান, জাহান্নাম ও জান্নাতের বিবরণ, আরাফের আলোচনা ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

إِنَّ الَّذِينَ كَذَّبُوا بِآيَاتِنَا وَاسْتَكْبَرُوا عَنْهَا لَا تُفَتَّحُ لَهُمْ أَبْوَابُ السَّمَاءِ وَلَا يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ حَتَّىٰ يَلِجَ الْجَمَلُ فِي سَمِّ الْخِيَاطِ وَكَذَٰلِكَ نَجْزِي الْمُجْرِمِينَ ﴿الأعراف: ٤٠﴾

নিশ্চয়ই যারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলেছে এবং এগুলো থেকে অহংকার করেছে, তাদের জন্যে আকাশের দ্বার উম্মুক্ত করা হবে না এবং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে নাযে পর্যন্ত না সূচের ছিদ্র দিয়ে উট প্রবেশ করেআমি এমনিভাবে পাপীদেরকে শাস্তি প্রদান করি

 

৬ষ্ঠ রুকুতে (আয়াত ৪৮-৫৩) জান্নাত-জাহান্নামিদের কথোপকথন ও তৃতীয় আরেকটি দলের বিবরণ এসেছে, তারা হলো আরাফবাসী। এরা মূলত মুমিন; কিন্তু নেক আমলে তারা অন্যান্য জান্নাতির চেয়ে পিছিয়ে ছিল। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে একটু বিলম্বে।

الَّذِينَ اتَّخَذُوا دِينَهُمْ لَهْوًا وَلَعِبًا وَغَرَّتْهُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا فَالْيَوْمَ نَنسَاهُمْ كَمَا نَسُوا لِقَاءَ يَوْمِهِمْ هَٰذَا وَمَا كَانُوا بِآيَاتِنَا يَجْحَدُونَ ﴿الأعراف: ٥١﴾

তারা স্বীয় ধর্মকে তামাশা ও খেলা বানিয়ে নিয়েছিল এবং পার্থিব জীবন তাদের কে ধোকায় ফেলে রেখেছিলঅতএব, আমি আজকে তাদেরকে ভুলে যাব; যেমন তারা এ দিনের সাক্ষাকে ভুলে গিয়েছিল এবং যেমন তারা আয়াতসমূহকে অবিশ্বাস করত

 

৭ম রুকুতে (আয়াত ৫৪-৫৮) আলোচনা করা হয়েছে বান্দার ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ সম্পর্কে। 

৮ম রুকুতে (আয়াত ৫৯-৬৪) নুহ (আ.)-কে তার সম্প্রদায়ের মাঝে প্রেরণের বিষয়ে, তিনি কীভাবে তার কওমকে আল্লাহর দিকে ডেকেছেন এসব বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

وَلَا تُفْسِدُوا فِي الْأَرْضِ بَعْدَ إِصْلَاحِهَا وَادْعُوهُ خَوْفًا وَطَمَعًا إِنَّ رَحْمَتَ اللَّهِ قَرِيبٌ مِّنَ الْمُحْسِنِينَ ﴿الأعراف: ٥٦﴾

পৃথিবীকে কুসংস্কারমুক্ত ও ঠিক করার পর তাতে অনর্থ সৃষ্টি করো নাতাঁকে আহবান কর ভয় ও আশা সহকারেনিশ্চয় আল্লাহর করুণা সকর্মশীলদের নিকটবর্তী

 

৯ম রুকুতে (আয়াত ৬৫-৭২) আলোচনা করা হয়েছে আদ জাতির নির্বুদ্ধিতা, হঠকারিতা, আল্লাহর আজাব ইত্যাদি প্রসঙ্গে।

১০ম রুকুতে (আয়াত ৭৩-৮৪) আলোচনা করা হয়েছে সামুদ জাতির মাঝে প্রেরিত নবী সালেহ (আ.) সম্পর্কে, সামুদ জাতির অবাধ্যাচার, তাদের ধ্বংস কাহিনী ইত্যাদি প্রসঙ্গে। 

১১ম রুকুতে (আয়াত ৮৫-৯৩) বলা হয়েছে মাদায়েন বাসীর নিকট প্রেরিত নবী হজরত শুয়াইব (আ.) এবং তার অনুসারী ও কটাক্ষকারীদের সম্পর্কে।

১২ম রুকুতে (আয়াত ৯৪-৯৯) বলা হয়েছে আল্লাহ যে জনপদেই কোনো নবী বা রাসূলকে পাঠিয়েছেন তাদেরকে তিনি পরীক্ষা করেছেন, পৃথিবীতে মানুষকে আল্লাহ যে নেয়ামত দান করেছেন, আল্লাহর সৃষ্টি রহস্য ইত্যাদি বিষয়ে।

وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ الْقُرَىٰ آمَنُوا وَاتَّقَوْا لَفَتَحْنَا عَلَيْهِم بَرَكَاتٍ مِّنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ وَلَٰكِن كَذَّبُوا فَأَخَذْنَاهُم بِمَا كَانُوا يَكْسِبُونَ ﴿الأعراف: ٩٦﴾

আর যদি সে জনপদের অধিবাসীরা ঈমান আনত এবং পরহেযগারী অবলম্বন করত, তবে আমি তাদের প্রতি আসমানী ও পার্থিব নেয়ামত সমূহ উম্মুক্ত করে দিতামকিন্তু তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছেসুতরাং আমি তাদেরকে পাকড়াও করেছি তাদের কৃতকর্মের বদলাতে

 

১৩তম ও ১৬তম রুকুতে (আয়াত ১০০-১৪১) মুসা (আ.) ও ফেরআউনের কাহিনী বিবৃত হয়েছে।

১৭তম রুকু ও ২০তম রুকুতে (আয়াত ১৪২-১৬২) মুসা (আ.) এর তুর পর্বতে গমন, সামেরী কর্তৃক গো-পূজার সূচনা, বনি ইসরাইলের ১২টি গোত্র সমুদ্র পথে পাড়ি জমানো ইত্যাদি প্রসঙ্গে আলোকপাত করা হয়েছে।

২১ম রুকুতে (আয়াত ১৬৩-১৭১) আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

وَالَّذِينَ يُمَسِّكُونَ بِالْكِتَابِ وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ إِنَّا لَا نُضِيعُ أَجْرَ الْمُصْلِحِينَ ﴿الأعراف: ١٧٠﴾

আর যেসব লোক সুদৃঢ়ভাবে কিতাবকে আঁকড়ে থাকে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে নিশ্চয়ই আমি বিনষ্ট করব না সকর্মীদের সওয়াব

 

২২ম রুকুতে (আয়াত ১৭২-১৮১) আল্লাহ তায়ালা মানবজাতিকে রুহের জগতে একত্র করে প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছিলেন সে প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।

وَلَقَدْ ذَرَأْنَا لِجَهَنَّمَ كَثِيرًا مِّنَ الْجِنِّ وَالْإِنسِ لَهُمْ قُلُوبٌ لَّا يَفْقَهُونَ بِهَا وَلَهُمْ أَعْيُنٌ لَّا يُبْصِرُونَ بِهَا وَلَهُمْ آذَانٌ لَّا يَسْمَعُونَ بِهَا أُولَٰئِكَ كَالْأَنْعَامِ بَلْ هُمْ أَضَلُّ أُولَٰئِكَ هُمُ الْغَافِلُونَ ﴿الأعراف: ١٧٩﴾

আর আমি সৃষ্টি করেছি দোযখের জন্য বহু জ্বিন ও মানুষতাদের অন্তর রয়েছে, তার দ্বারা বিবেচনা করে না, তাদের চোখ রয়েছে, তার দ্বারা দেখে না, আর তাদের কান রয়েছে, তার দ্বারা শোনে নাতারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তাদের চেয়েও নিকৃষ্টতরতারাই হল গাফেল, শৈথিল্যপরায়ণ

 

২৩ম রুকুতে (আয়াত ১৮২-১৮৮) যারা আল্লাহর হুকুম লঙ্ঘন করে তাদেরকে ধমকি প্রদান করা হয়েছে।

২৪ম রুকুতে (আয়াত ১৮৯-২০৪) বলা হয়েছে যে, আল্লাহ তায়ালা মানুষকে মাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, আল্লাহর শক্তি ও ক্ষমতা ইত্যাদি প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।

KziAvb kÖe‡bi Av`e t

وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنصِتُوا لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ ﴿الأعراف: ٢٠٤﴾

আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়

GB m~iv‡ZB i‡q‡Q i‡q‡Q KziAv‡bi 1g wmR`vi AvqvZ প্রথম সেজদার আয়াত  : সূরা আল- আরাফ, আয়াত - ২০৬।

সূরা আনফাল : (আয়াত ১-৪০) :

১ম রুকুতে (আয়াত ১-১০) আলোচনা করা হয়েছে যুদ্ধে অর্জিত সম্পদ, প্রকৃত মুমিনের পরিচয়, আল্লাহর অসীমক্ষমতা প্রসঙ্গে।

إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ اللَّهُ وَجِلَتْ قُلُوبُهُمْ وَإِذَا تُلِيَتْ عَلَيْهِمْ آيَاتُهُ زَادَتْهُمْ إِيمَانًا وَعَلَىٰ رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ [٨:٢]

যারা ঈমানদার, তারা এমন যে, যখন আল্লাহর নাম নেয়া হয় তখন ভীত হয়ে পড়ে তাদের অন্তরআর যখন তাদের সামনে পাঠ করা হয় কালাম, তখন তাদের ঈমান বেড়ে যায় এবং তারা স্বীয় পরওয়ার দেগারের প্রতি ভরসা পোষণ করে

الَّذِينَ يُقِيمُونَ الصَّلَاةَ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنفِقُونَ [٨:٣]

সে সমস্ত লোক যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে এবং আমি তাদেরকে যে রুযী দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে

أُولَٰئِكَ هُمُ الْمُؤْمِنُونَ حَقًّا ۚ لَّهُمْ دَرَجَاتٌ عِندَ رَبِّهِمْ وَمَغْفِرَةٌ وَرِزْقٌ كَرِيمٌ [٨:٤]

তারাই হল সত্যিকার ঈমানদার! তাদের জন্য রয়েছে স্বীয় পরওয়ারদেগারের নিকট মর্যাদা, ক্ষমা এবং সম্মানজনক রুযী

 

২য় রুকুতে (আয়াত ১১-১৯) বদর যুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য, মুমিনদের প্রতি আল্লাহর বিশেষ নির্দেশনা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ إِذَا لَقِيتُمُ الَّذِينَ كَفَرُواْ زَحْفاً فَلاَ تُوَلُّوهُمُ الأَدْبَارَ

হে ঈমানদারগণ, তোমরা যখন কাফেরদের সাথে মুখোমুখী হবে, তখন পশ্চাদপসরণ করবে না। [ সূরা আনফাল ৮:১৫ ]

৩য় রুকুতে (আয়াত ২০-২৮) রাসূল (সা.) এর বিরুদ্ধে কাফেরদের ষড়যন্ত্র ও ঈমানের পথে বাধা দানের বিষয় উল্লেখ করে বলা হয়েছে, আল্লাহই তাদের চক্রান্তের সমুচিত জবাব দেন। আর তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। মুমিনরা যেন সংখ্যা স্বল্পতায় ভয় না পায় ও নির্ভরশীল না থাকে সে বিষয়ে বলা হয়েছে।

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تَخُونُواْ اللّهَ وَالرَّسُولَ وَتَخُونُواْ أَمَانَاتِكُمْ وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ

হে ঈমানদারগণ, খেয়ানত করোনা আল্লাহর সাথে ও রসূলের সাথে এবং খেয়ানত করো না নিজেদের পারস্পরিক আমানতে জেনে-শুনে। [ সূরা আনফাল ৮:২৭ ]

وَاعْلَمُواْ أَنَّمَا أَمْوَالُكُمْ وَأَوْلاَدُكُمْ فِتْنَةٌ وَأَنَّ اللّهَ عِندَهُ أَجْرٌ عَظِيمٌ

আর জেনে রাখ, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ত তি অকল্যাণের সম্মুখীনকারী। বস্তুতঃ আল্লাহর নিকট রয়েছে মহা সওয়াব। [ সূরা আনফাল ৮:২৮ ]

৪র্থ রুকু ও ৫ম রুকুতে (আয়াত ২৯-৪০) বলা হয়েছে, হে মুমিনগণ, তোমরা একমাত্র আল্লাহকে ভয় করো। যারা আল্লাহকে মানবেনা তাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। কাফেরদের পরিণাম ও তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

يِا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ إَن تَتَّقُواْ اللّهَ يَجْعَل لَّكُمْ فُرْقَاناً وَيُكَفِّرْ عَنكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ وَاللّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ

হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় করতে থাক, তবে তোমাদের মধ্যে ফয়সালা করে দেবেন এবং তোমাদের থেকে তোমাদের পাপকে সরিয়ে দেবেন এবং তোমাদের ক্ষমা করবেন। বস্তুতঃ আল্লাহর অনুগ্রহ অত্যন্ত মহান। [ সূরা আনফাল ৮:২৯ ]

No comments:

Post a Comment