আজ ১৭তম তারাবীঃ খতমে তারাবির নামাজে পঠিতব্য আয়াতের সারসংক্ষেপ
বিষয়বস্তু
আজ ১৭তম
তারাবিতে সূরা নামলের ৫ম রুকু থেকে ৬ষ্ঠ রুকু (আয়াত ৬০-৯৩) পর্যন্ত, সূরা কাসাসের ১ম রুকু থেকে ৯ম রুকু পর্যন্ত
(আয়াত ১-৮৮) এবং সূরা আনকাবুতের ১ম রুকু থেকে ৪র্থ রুকু (আয়াত ১-৪৩) পর্যন্ত তেলাওয়াত
করা হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ২০তম পারা।
“মিম্বারের আহবান” পাঠকদের জন্য আজকের তারাবিতে পঠিত অংশের বিষয়বস্তু, আয়াত ও অর্থ তুলে ধরা হলো,
বিস্তারিত দেখুন- www.membarerdhoni.xyz
১৭তম তারাবীহ
সূরা নামলের
৬০ নং আয়াত হতে সূরা আনকাবুতের ৪৩ নং আয়াত পর্যন্ত।
(পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ২০তম পারা।)
সূরা নামলের
৬০ নং আয়াত হতে ৯৩ মোট ৩৪ টি আয়াত
সূরা কাসাসে
১ নং আয়াত হতে ৮৮ মোট ৮৮ টি আয়াত
সূরা আনকাবুতের
১ নং আয়াত হতে ৪৩ মোট ৪৩ টি আয়াত
সর্বমোট
পঠিতব্য আয়াত ৩৪+৮৮+৪৩ =১৬৫
করনীয়, বর্জনীয় এবং শিক্ষনীয় বিষয়সমূহ
সূরা নামল : (আয়াত
৬০-৯৩) :
সূরা কাসাস : (আয়াত
১-৮৮) :
تِلْكَ الدَّارُ الْآخِرَةُ نَجْعَلُهَا لِلَّذِينَ
لَا يُرِيدُونَ عُلُوًّا فِي الْأَرْضِ وَلَا فَسَادًا وَالْعَاقِبَةُ
لِلْمُتَّقِينَ
مَن جَاء بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ خَيْرٌ مِّنْهَا
وَمَن جَاء بِالسَّيِّئَةِ فَلَا يُجْزَى الَّذِينَ عَمِلُوا السَّيِّئَاتِ إِلَّا
مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ
আনকাবুত : (আয়াত
১-৪৩) :
x
৫ম রুকুতে (আয়াত ৬০-৬৬) কাফের ও নাফরমানদের
প্রতি আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন প্রশ্ন করেছেন ও স্বয়ং আল্লাহ সেসবের উত্তর দিয়েছেন।
এতে করে অবিশ্বাসীদের ঘুমন্ত বিবেক জাগ্রত হতে পারে।
৬ষ্ঠ রুকুতে (আয়াত ৬৭-৮২) কাফেররা যেসব
আপত্তি তুলেছে সেসবের জবাব দেয়া হয়েছে। এরপর বলো হয়েছে, হে নবী! আপনি যাদের অন্তর মরে গেছে আপনি
তাদেরকে কোরআনের আহ্বান শুনিয়েও জাগ্রত করতে পারবেন না।
অপরাধীদের করুন পরিণতি দেখে শিক্ষা লাভের জন্যে পৃথিবীর বুকে ভ্রমণ করতে হবে।
قُلْ سِيرُوا فِي الْأَرْضِ فَانظُرُوا كَيْفَ
كَانَ عَاقِبَةُ الْمُجْرِمِينَ
বলুন,
পৃথিবী পরিভ্রমণ কর এবং দেখ
অপরাধীদের পরিণতি কি হয়েছে। [ সূরা নাম’ল ২৭:৬৯ ]
কুরআনকে মুমিনের জন্যে হিদায়াত ও রহমত মনে করতে হবে।
وَإِنَّهُ لَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ
এবং নিশ্চিতই এটা মুমিনদের
জন্যে হেদায়েত ও রহমত। [ সূরা নাম’ল ২৭:৭৭ ]
৭ম রুকুতে (আয়াত ৮৩-৯৩) যারা হেদায়েতের
আহ্বানে সাড়া দেবে না তাদের জন্য কেয়ামতের দিনে কেমন আজাব রয়েছে তা বলো হয়েছে। আর
যারা হেদায়েতের আহ্বানে সাড়া দেবে ও পরকালে কী পুরস্কার পাবে সে সম্পর্কেও বলো
হয়েছে।
সৎকর্ম করতে হবে। তবেই আখেরাতে উত্তম প্রতিফল পাওয়া যাবে ও শঙ্কামুক্ত হওয়া যাবে।
مَن جَاء بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ خَيْرٌ مِّنْهَا وَهُم مِّن فَزَعٍ
يَوْمَئِذٍ آمِنُونَ
যে কেউ সৎকর্ম নিয়ে আসবে, সে উৎকৃষ্টতর প্রতিদান পাবে এবং সেদিন তারা গুরুতর অস্থিরতা থেকে নিরাপদ থাকবে। [ সূরা
নাম’ল ২৭:৮৯ ]
وَمَن جَاء بِالسَّيِّئَةِ فَكُبَّتْ وُجُوهُهُمْ فِي النَّارِ
هَلْ تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
এবং যে মন্দ কাজ নিয়ে আসবে, তাকে অগ্নিতে অধঃমূখে নিক্ষেপ করা হবে। তোমরা যা করছিলে, তারই প্রতিফল তোমরা পাবে। [ সূরা নাম’ল ২৭:৯০ ]
১ম রুকুতে (আয়াত ১-১৩) হজরত মুসা (আ.) এর
ঘটনা বলো হয়েছে। শৈশবে কীভাবে আল্লাহ তায়ালা তাকে হেফাজত করেছেন সে সম্পর্কে
আলোকপাত করা হয়েছে।
ফিরাউনের
ন্যায় উদ্ধত হয়ে জনসাধারণের উপর নির্যাতন ও জাতিকে বিভক্ত করা যাবে না।
إِنَّ فِرْعَوْنَ عَلَا فِي الْأَرْضِ وَجَعَلَ
أَهْلَهَا شِيَعًا يَسْتَضْعِفُ طَائِفَةً مِّنْهُمْ يُذَبِّحُ أَبْنَاءهُمْ
وَيَسْتَحْيِي نِسَاءهُمْ إِنَّهُ كَانَ مِنَ الْمُفْسِدِينَ
ফেরাউন তার দেশে উদ্ধত
হয়েছিল এবং সে দেশবাসীকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে তাদের একটি দলকে দূর্বলো করে
দিয়েছিল। সে তাদের পুত্র-সন্তা নদেরকে হত্যা করত এবং নারীদেরকে জীবিত রাখত।
নিশ্চয় সে ছিল অনর্থ সৃষ্টিকারী। [ সূরা কাসাস ২৮:৪ ]
২য় রুকুতে (১৪-২২) হজরত মুসা (আ.) এর যৌবনের
প্রারম্ভের কথা বর্ণনা করা হয়েছে। এ সময় তার দ্বারা একটি গুরুতর অঘটন ঘটে যায়।
আল্লাহ তায়ালা কীভাবে তাকে রক্ষা করেছেন সে ঘটনার বর্ণনা রয়েছে।
৩য় ও ৪র্থ রুকুতে (২২-৪৩) হজরত মুসা (আ.) এর
বৈবাহিক জীবন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আল্লাহর নবী শোআইব (আ.) এর সঙ্গে সম্পর্ক
ও চুক্তির কথাও বলো হয়েছে। বলো হয়েছে মুসা (আ.) এর নবুয়ত লাভের ঐতিহাসিক ঘটনাও।
৬ষ্ঠ রুকুতে (৪৩-৫০) নবুয়ত লাভের পর মুসা
(আ.) এর দাওয়াতি কৌশল কী ছিল তা বর্ণনা করা হয়েছে।
আল্লাহর হিদায়াত এর পরিবর্তে নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ করা যাবে না
فَإِن لَّمْ يَسْتَجِيبُوا لَكَ فَاعْلَمْ
أَنَّمَا يَتَّبِعُونَ أَهْوَاءهُمْ وَمَنْ أَضَلُّ مِمَّنِ اتَّبَعَ هَوَاهُ
بِغَيْرِ هُدًى مِّنَ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ
অতঃপর তারা যদি আপনার কথায়
সাড়া না দেয়, তবে
জানবেন, তারা শুধু
নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে। আল্লাহর হেদায়েতের পরিবর্তে যে ব্যক্তি নিজ
প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, তার
চাইতে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে? নিশ্চয়
আল্লাহ জালেম সম্প্রদায়কে পথ দেখান না। [ সূরা কাসাস ২৮:৫০ ]
৭ম রুকুতে (৫১-৭৫) উম্মতে মুহাম্মাদিকে
উদ্দেশ করে বিভিন্ন
নসিহত এবং উপদেশ দেয়া হয়েছে। যারা এ উপদেশ প্রত্যাখ্যান করবে তাদের জন্য কঠোর
আজাবের হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে।
ধৈর্য ধারণ করতে হবে, ভালোর দ্বারা মন্দের মোকাবিলা করতে হবে এবং আল্লাহ প্রদত্ত রিযিক থেকে ব্যয় করতে হবে।
أُوْلَئِكَ يُؤْتَوْنَ أَجْرَهُم مَّرَّتَيْنِ
بِمَا صَبَرُوا وَيَدْرَؤُونَ بِالْحَسَنَةِ السَّيِّئَةَ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ
يُنفِقُونَ
তারা দুইবার পুরস্কৃত হবে
তাদের সবরের কারণে। তারা মন্দের জওয়াবে ভাল করে এবং আমি তাদেরকে যা দিয়েছি,
তা থেকে ব্যয় করে। [ সূরা
কাসাস ২৮:৫৪ ]
সম্পদের
অহংকার করা যাবে না
وَكَمْ أَهْلَكْنَا مِن قَرْيَةٍ بَطِرَتْ مَعِيشَتَهَا فَتِلْكَ
مَسَاكِنُهُمْ لَمْ تُسْكَن مِّن بَعْدِهِمْ إِلَّا قَلِيلًا وَكُنَّا نَحْنُ
الْوَارِثِينَ
আমি অনেক জনপদ ধবংস করেছি, যার অধিবাসীরা তাদের জীবন যাপনে মদমত্ত ছিল। এগুলোই এখন
তাদের ঘর-বাড়ী। তাদের পর এগুলোতে মানুষ সামান্যই বসবাস করেছে। অবশেষে আমিই মালিক
রয়েছি। [ সূরা কাসাস ২৮:৫৮ ]
দুনিয়ার জীবনের ভোগ-বিলাস ও সৌন্দর্যকে ক্ষণস্থায়ী এবং আখিরাতকে চিরস্থায়ী মনে করতে হবে।
وَمَا أُوتِيتُم مِّن شَيْءٍ فَمَتَاعُ
الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَزِينَتُهَا وَمَا عِندَ اللَّهِ خَيْرٌ وَأَبْقَى أَفَلَا
تَعْقِلُونَ
তোমাদেরকে যা কিছু দেয়া
হয়েছে, তা পার্থিব
জীবনের ভোগ ও শোভা বৈ নয়। আর আল্লাহর কাছে যা আছে, তা উত্তম ও স্থায়ী। তোমরা কি বোঝ না ?
[ সূরা কাসাস ২৮:৬০ ]
সফলকামদের অন্তর্ভুক্ত হতে হলে তওবা করতে হবে, ঈমান আনতে হবে এবং সৎকর্ম করতে হবে।
فَأَمَّا مَن تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا
فَعَسَى أَن يَكُونَ مِنَ الْمُفْلِحِينَ
তবে যে তওবা করে,
বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম
করে, আশা করা যায়,
সে সফলকাম হবে। [ সূরা
কাসাস ২৮:৬৭ ]
৮ম ও ৯ম রুকুতে (৭৬-৮৮) মুসা (আ.) এর প্রসঙ্গ
আলোচনা করা হয়েছে। তারপর শেষ নবীর উম্মতদের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ প্রদান করা
হয়েছে। আল্লাহকে ভয় করা, আখেরাতের প্রতি ঈমান আনা, সবার হক আদায় করা উম্মতের সবিশেষ করণীয়। এর বিনিময় আল্লাহর
সন্তুষ্টি এবং ইহকালীন ও পরকালীন জীবনে প্রশান্তি।
দুনিয়ায় নিজের প্রাপ্য ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না। মানুষের প্রতি ইহসান করতে হবে। পৃথিবীর বুকে বিপর্যয় বা সন্ত্রাস সৃষ্টি করা যাবে না।
وَابْتَغِ فِيمَا آتَاكَ اللَّهُ الدَّارَ
الْآخِرَةَ وَلَا تَنسَ نَصِيبَكَ مِنَ الدُّنْيَا وَأَحْسِن كَمَا أَحْسَنَ
اللَّهُ إِلَيْكَ وَلَا تَبْغِ الْفَسَادَ فِي الْأَرْضِ إِنَّ اللَّهَ لَا
يُحِبُّ الْمُفْسِدِينَ
আল্লাহ তোমাকে যা দান
করেছেন, তদ্বারা
পরকালের গৃহ অনুসন্ধান কর, এবং
ইহকাল থেকে তোমার অংশ ভূলে যেয়ো না। তুমি অনুগ্রহ কর,
যেমন আল্লাহ তোমার প্রতি
অনুগ্রহ করেছেন এবং পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করতে প্রয়াসী হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ
অনর্থ সৃষ্টিকারীদেরকে পছন্দ করেন না। [ সূরা কাসাস ২৮:৭৭ ]
পরকালে সফল হতে হলে পৃথিবীর
বুকে উদ্ধত হওয়া ও পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করা যাবে না
এই পরকাল আমি তাদের জন্যে
নির্ধারিত করি, যারা
দুনিয়ার বুকে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করতে ও অনর্থ সৃষ্টি করতে চায় না। খোদাভীরুদের
জন্যে শুভ পরিণাম। [ সূরা কাসাস ২৮:৮৩ ]
সৎকর্ম নিয়ে আখিরাতে উপস্থিত হতে
হবে। মন্দকর্ম নিয়ে আখিরাতে উপস্থিত হওয়া যাবে না।
যে সৎকর্ম নিয়ে আসবে,
সে তদপেক্ষা উত্তম ফল পাবে
এবং যে মন্দ কর্ম নিয়ে আসবে, এরূপ মন্দ কর্মীরা সে মন্দ কর্ম পরিমানেই প্রতিফল পাবে। [
সূরা কাসাস ২৮:৮৪ ]
আনকাবুত অর্থ মাকড়সা। এই সূরায় আল্লাহ তায়ালা
কাফেরদের চক্রান্তকে মাকড়সার জালের সঙ্গে উপমা দিয়েছেন। তাই এ সূরার নামকরণ করা
হয়েছে ‘সূরাতুল
আনকাবুত’, অর্থাৎ মাকড়সার সূরা। এটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।
১ম রুকুতে (আয়াত ১-১৩) মানুষের মনে ধর্ম এবং
আল্লাহ সম্পর্কে যেসব ভুল ধারণা রয়েছে সে সম্পর্কে জবাব দেয়া হয়েছে।
পিতা-মাতা সাথে সদ্ব্যবহার করতে হবে। তারা আল্লাহর বিধানের বিপরীত কিছু করার নির্দেশ দিলে তা মানা যাবে না।
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حُسْنًا
وَإِن جَاهَدَاكَ لِتُشْرِكَ بِي مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَا
إِلَيَّ مَرْجِعُكُمْ فَأُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
আমি মানুষকে পিতা-মাতার
সঙ্গে সদ্ব্যবহার করার জোর নির্দেশ দিয়েছি। যদি তারা তোমাকে আমার সঙ্গে এমন কিছু
শরীক করার জোর প্রচেষ্টা চালায়, যার সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞান নেই,
তবে তাদের আনুগত্য করো না।
আমারই দিকে তোমাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর আমি তোমাদেরকে বলে দেব যা কিছু তোমরা
করতে। [ সূরা আনকাবুত ২৯:৮ ]
২য় রুকু থেকে ৪র্থ রুকু পর্যন্ত (আয়াত ১৪-৪৩)
পূর্ববর্তী নবীদের নাম ধরে ধরে তাদের বিভিন্ন ঘটনা বলো হয়েছে। এটা এজন্যই বলো
হয়েছে, মানুষ যেন
বুঝতে পারে ও আল্লাহর প্রতি মনোযোগী হয়।
আল্লাহ কীভাবে সৃষ্টির সূচনা করেন তা দেখার জন্য পৃথিবীতে ভ্রমণ করতে হবে।
قُلْ سِيرُوا فِي الْأَرْضِ فَانظُرُوا كَيْفَ
بَدَأَ الْخَلْقَ ثُمَّ اللَّهُ يُنشِئُ النَّشْأَةَ الْآخِرَةَ إِنَّ اللَّهَ
عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
বলুন,
তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর
এবং দেখ, কিভাবে
তিনি সৃষ্টিকর্ম শুরু করেছেন। অতঃপর আল্লাহ পুর্নবার সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ
সবকিছু করতে সক্ষম। [ সূরা আনকাবুত ২৯:২০ ]
আল্লাহর পরিবর্তে অন্য কাউকে ওলী বা সাহায্যকারী
হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।
مَثَلُ الَّذِينَ اتَّخَذُوا مِن دُونِ اللَّهِ
أَوْلِيَاء كَمَثَلِ الْعَنكَبُوتِ اتَّخَذَتْ بَيْتًا وَإِنَّ أَوْهَنَ
الْبُيُوتِ لَبَيْتُ الْعَنكَبُوتِ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ
যারা আল্লাহর পরিবর্তে
অপরকে সাহায্যকারীরূপে গ্রহণ করে তাদের উদাহরণ মাকড়সা। সে ঘর বানায়। আর সব ঘরের
মধ্যে মাকড়সার ঘরই তো অধিক দুর্বলো, যদি তারা জানত। [ সূরা আনকাবুত ২৯:৪১ ]
চলবে..........
আমি আবার বলছি
আজ ১৭তম তারাবীহ
সূরা নামলের
৬০ নং আয়াত হতে সূরা আনকাবুতের ৪৩ নং আয়াত পর্যন্ত।
(পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ২০তম পারা।)
সূরা নামলের
৬০ নং আয়াত হতে ৯৩ মোট ৩৪ টি আয়াত
সূরা কাসাসে
১ নং আয়াত হতে ৮৮ মোট ৮৮ টি আয়াত
সূরা আনকাবুতের
১ নং আয়াত হতে ৪৩ মোট ৪৩ টি আয়াত
সর্বমোট
পঠিতব্য আয়াত ৩৪+৮৮+৪৩ =১৬৫



No comments:
Post a Comment