বিশেষ দিবস ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মুনাজাত
(১) নতুন বাসায় উঠার দোওয়া ঃ
(১) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
(২) শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
(৩) সশস্ত্র বাহিনী দিবস
(৪) স্বাধীনতা দিবসের মুনাজাত ঃ
(৫) বৃক্ষ রোপণ সপ্তারের দু’আ
(৬) ঈদুল ফিতরের মুনাজাত
(৭) ঈদুল-আজহার মুনাজাত
(৮) মিলাদুন্নবী দিবসের মুনাজাত ঃ
(৯) যানাযার নামাযের পরবর্তী দোওয়াঃ
(১০) এক্সারসাইজ পূর্ব মুনাজাত
(১১) নতুন বাসায় উঠার দোওয়া ঃ
(১২) জাতীয় হকি প্রতিযোগিতার দু’আ ঃ
(১৩) শবে বরাতের দু’আ
লাইলাতুল বারাআত-২০১৬ (২২.০৫.১৬)
(১৪) লাইলাতুল কদর এর রাত্রির দোওয়া ঃ
(১৫) নির্মাণ কাজ উদ্ভোদন করার দোওয়া ঃ
(১৬) সামরিক মর্যাদায় দাফনের পর দোওয়া ঃ
(১৭) রোগ মুক্তির দু’আ
(১৮) হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা দিবসের মুনাজাত
(১৯) ইফতার পাটির মুনাজাত
(২০) বিদেশ যাত্রার প্রাক্কালে দু’আ
(২১) একটি বিশেষ অপারেষণের পূর্বের মুনাজাত
(২২) ২৪ বীরের হিলের উদ্দেশ্যে গমন-পূর্ব মুনাজাত
(২৩) সেনা-পরিবার কল্যাণ সংস্থার উন্নয়ণে দু’আ
(২৪) প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর মুনাজাত ঃ
(২৫) জাতীয় শোক দিবসের মুনাজাত (১৫ আগস্ট)
(২৬) খতম-তারাবী ও লাইলাতুল-ক্বদরের মুনাজাত
(২৭) (কোন স্থাপনার উদ্বোধনী মুনাজাত)
(২৮) আস্থা অবিচল এর উদ্বোধন পূর্ব মুনাজাত
(১) প্রথম তারাবীর দু’আ
(১) দ্বিতীয় তারাবীর দু’আ
(১) তৃতীয় তারাবীর দু’আ
(১) চতুর্থ তারাবীর দু’আ
(১) ষষ্ঠ তারাবীর দু’আ
(১) সপ্তম তারাবীর দু’আ
(১) মাগফিরাতের প্রথম দিনের দু’আ
(১) দু’আ-ই- মা’ছূরাহ
জাতির জনক বঙ্গুবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯২ তম জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস ২০১৩ ইং উপলক্ষ্যে বিশেষ মোনাজাত
(১) কোর-আনিক দু’আ সমূহ
অজানা শহীদ সমাধীতে (ইবিআরসি) শ্রদ্ধারঞ্জলির সময় দু‘আ
الحمد لله رب العالمين-ٌ والعاقبة للمتقين-ٌ والصلاة والسلام علي رسوله الكريم-ٌ وعلي اله واصحابه اجمعين-ٌ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ ﴿البقرة: ٢٠١﴾ رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿البقرة: ١٢٧﴾ وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ ﴿البقرة: ١٢٨﴾
হে আলাহ্! ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অসংখ্য রিক্রুটসহ নাম না জানা অনেক সেনাসদস্য শহীদ হয়ে এই সমাধিতে চির নিদ্রায় শায়িত রয়েছেন। তাদের সবাইকে আপনি মাফ করে দিন। সেই সাথে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদাত বরণকারী সকল শহীদকে ক্ষমা করে দিন।
হে আলাহ্! মহান স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত যে সকল বীর সেনাসদস্য শাহাদত বরণ করেছেন, সকলের আত্মত্যাগ আপনি কবুল করে নিন। তাদেরকে জান্নাতবাসী করুন।
রাব্বাল আলামিন! দেশে, বিদেশে কর্মরত সশস্ত্র বাহিনীর সকল সদস্যকে আপনি হিফাজত করুন।
অজানা শহীদ সমাধীতে (ইবিআরসি) শ্রদ্ধারঞ্জলির সময় দু‘আ (মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা-২০১৪)
(৫) বৃক্ষ রোপণ সপ্তারের দু’আ
হে আলাহ আজকের এই বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীকে আপনি কবুল করে নিন এবং এর সাওয়াব আমাদের সকলের আমলনামায় নসীব করে দিন।
হে আলাহ বৃক্ষ যেমন তার ফুল, ফল, ছায়া এবং প্রয়োজনে নিজের দেহ বিপন্ন করে প্রাণীকুলের উপকার ও কল্যাণ সাধন করে থাকে, তেমনিভাবে আমাদেরকে মানবকল্যানে ব্রতি হওয়ার তাওফিক দান করুণ। মানবতার স্বেবাদানে সবাইকে যোগ্য করে তুলুন।
হে আলাহ ! যারা উক্ত বৃক্ষ রোপনের আয়োজন করেছেন এবং উদ্বোধন করেছেন সকলের শ্রমকে সাদকায়ে জারিয়া হিসেবে কবুল করে নিন। আমিন
(৩) শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ ﴿الأعراف: ٢٣﴾
স’মিল উদ্বোধন
হে আলাহ! এ স’মিল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে কবুল করুন। এ মিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চাহিদা মিটানোর তাওফিক দান করুন। উক্ত মিলের যাবতীয় সরঞ্জামাদী এবং রক্ষনা-বেক্ষনের উপকরনাদী যেন সচল থাকে সেভাবে পরিচালনার তাওফিক দান করুন। হে আলাহ যারা এ মিলের সাথে সরাসরি পরিচালন, তত্ত¡াবধান এবং দিক নির্দেশনা দানে জড়িত সবাইকে কবুল করুন।
হে আলাহ! এ স’মিলের মাধ্যমে যেন কাংখিত সফলতা অর্জন করা যায় সে তাওফিক দান করুন। মানবতার স্বেবাদানে সবাইকে যোগ্য করে তুলুন।
কম্পিউটার ল্যাব উদ্বোধন
হে আলাহ! আজকের এই কম্পিউটার ল্যাব এর শুভ উদ্বোধনকে কবুল করুন। হে আলাহ! যেভাবে আপনার পাক কালামে علم بالقلم বা কলমের সাহায্য নেওয়ার কথা বলেছেন। তদ্রুপ অত্যাধুনিক শিক্ষার মাধ্যম তথা কম্পিউটার এর সাহায্যে যেন জ্ঞান আহরণ করতে পারে সে তাওফিক দান করুন। হে আলাহ এ ল্যাব যেন একটি জ্ঞানকোষে পরিণত হয় সেভাবে পরিচালনা করার তাওফিক দান করুণ। উক্ত ল্যাবের যাবতীয় সরঞ্জামাদী এবং রক্ষনা-বেক্ষনের উপকরনাদী যেন সচল থাকে সেভাবে পরিচালনার তাওফিক দান করুন। হে আলাহ! যারা এ ল্যাবের সাথে সরাসরি পরিচালন, তত্ত¡াবধান এবং দিক নির্দেশনা দানে জড়িত সংশ্লিষ্ঠ সবাইকে কবুল করুন। হে আলাহ! এ ল্যাব প্রতিষ্ঠার জন্য যারা শ্রম দিয়েছেন, যন্ত্রপাতি জোগাড় করেছেন এবং উদ্বোধন করেছেন সকলের শ্রমকে সাদকায়ে জারিয়া হিসেবে কবুল করুণ
হে আলাহ! এ ল্যাবের মাধ্যমে যেন কাংখিত সফলতা অর্জন করা যায় সে তাওফিক দান করুন। মানবতার স্বেবাদানে সবাইকে যোগ্য করে তুলুন। আমিন!
অফিসার্স মেসের বর্ধিতাংশ উদ্ভোধন (দোয়া
হে আলাহ এই মেসটিকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও ঝঞ্জাটমুক্ত মেস হিসেবে কবুল করুন।
এই মেসে বসবাসকারীদের উপর অবারিত ধারায় বিশেষ রহমত, বরকত ও করুণা বর্ষণ করুন।
যাবতীয় কল্যাণ দিয়ে মেসটিকে ভরপুর করে দিন।
এই মেস, মেসের সম্পদ ও বসবাসকারী ব্যক্তিবর্গকে সকল প্রকার বিপদ আপদ থেকে হেফাযত করুণ।
মানুষ শয়তান, জ্বীন শয়তান, হিংস্র প্রাণী ও আবহাওয়ার ক্ষতি থেকে মুক্ত রাখুন।
সকলকে শারিরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ্য রাখুন।
আপনার ইচ্ছানুযায়ী অর্পিত দায়িত্ব সম্মানের সাথে, মর্যাদার সাথে, আমানতের সাথে, দক্ষতার সাথে, নিষ্ঠার সাথে পালনের শক্তি দান করুণ। সবাইকে সঠিক কাংখিত লক্ষ্যে পৌছার তাওফিক দান করুণ।
অর্জিত রুজি রোজগারে বরকত দান কর। (আমিন)
নতুন বাসায় উঠার দোওয়া ঃ
হে আলাহ এই বাসাটিকে তুমি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও ঝঞ্জাটমুক্ত বাসা হিসেবে কবুল কর।
এই বাসায় এবং এই বাসায় বসবাসকারীদের উপর অবারিত ধারায় রহমত বর্ষণ কর।
যাবতীয় কল্যাণ দিয়ে বাসাটিকে ভারপুর করে দাও।
এই বাসা, বাসার সম্পদ ও বাসায় বসবাসকারী ব্যক্তিবর্গকে তুমি হেফাযত কর।
সকল প্রকার বিপদ আপদ থেকে রক্ষা কর।
মানুষ শয়তান, জ্বীন শয়তান, হিংস্র প্রাণী ও আবহাওয়ার ক্ষতি থেকে মুক্ত রাখ।
সকলকে দ্বীনদার, ঈমানদার, মুত্তাকী, পরহেযগার হিসেবে কবুল কর।
কামাই রুজি রোজগারে বরকত দান কর।
সন্তান সন্ততিদের শিক্ষাদীক্ষা আদব কায়দা উন্নতি করার তৌফিক দান কর।
সকলকে শারিরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ্য রাখ।
নতুন বাসায় তাদেরকে সৎপ্রতিবেশি দান কর।
বাসায় উঠার সময় তোমার বান্দা যেমন তোমাকে স্মরণ করেছে যতদিন বেচে থাকবে ততদিন তুমিও তাকে স্মরণে রেখ।
তার পিতা-মাতা আত্মীয় স্বজনদের মধ্যথেকে যারা ইন্তেকাল করেছেন তাদেরকে মাফ করে দাও। কবর আযাব মাফ করে দাও। জান্নাত বাসী করে দাও।
আজকের দোওয়া, দরূদ, এস্তেগফার এর সওয়াব তাদের কবরে পৌছিয়ে দাও।
জাতীয় হকি প্রতিযোগিতার দু’আ ঃ
আলাহ গত .....................ইং তারিখ থেকে জাতীয় হকী প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন দলের সাথে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিত্বকারী একটি দলও অংশগ্রহণ করেছে।
এই টিমটিকে তুমি কবুল করে নাও।
প্রতিটি খেলা-ই সুষ্ঠু সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করার তৌফিক দাও।
দলটিকে মনযিলে মাকসুদে পৌছিয়ে দাও।
তাদের বিজয়ের মধ্য দিয়ে খেলাধুলা সাইডে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যে সুনাম তা আগামীতে উত্তোরোত্তর বৃদ্ধি করে দাও।
এই টিমের হয়ে যারা খেলবে তাদেরকে তুমি রহমত কর।
শেষ পর্যন্ত তাদেরকে শারিরীক ও মানষিক ভাবে সুস্থ্য রাখ।
সবাইকে সাহস ও মনোবল দান কর।
দূর্বলতা, ভীরুতা দূর করে দাও।
উপস্থিত বুদ্ধিমত্তা দান কর।
কোচদেরকে সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহন ও বাস্তবায়ন করার তৌফিক দাও।
খেলাধুলা সহায়ক দ্রব্য সামগ্রীকে তুমি প্রয়োজন মুহূর্তে সচল ও কর্মক্ষম রাখ।
শবে বরাতের দু’আ
হে আলাহ আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর। সারা বিশ্বের সকল মুসলমানদেরকে লাইলাতুল কদর এর ফজিলত ও গুরুত্ব এবং তাৎপর্য উপলিব্ধি করার তৌফিক দান কর।
এ রাতে তোমার বান্দারা যেযতটুকু ইবাদত বন্দেগী করবে সেগুলো তুমি কবুল করে নাও।
কদরের রাত্রি ভাল মন্দ ফয়সালার রাত্রি। আলাহ আমাদের ব্যক্তি, পরিবার, ও সমাজ জীবনে এবং ধর্ম ও কর্মজীবনে, দেশ, জাতী এবং সেনাবাহিনীর জন্য যা ভাল, উত্তম, কল্যাণকর, মঙ্গলজনক তাই আমাদেরকে দান কর।
আর যা মন্দ, খারাপ, অকল্যাণকর তা থেকে আমাদেরকে নিস্কৃতি দান কর।
এই রজনী ক্ষমার রজনী, হযরত আদম (আ:) থেকে আজ পর্যন্ত যত আম্বিয়া আওলিয়া, শুহাদা, উলামা, ফুকাহা, মুহাদ্দিসীন, মুফাস্সিরীন, মুজাহিদীন যারা এন্তেকাল করেছেন তাদেরকে ক্ষমা করে দাও। বিশেষ করে পরম শ্রদ্ধেয় আমাদের বাবা-মা যারা আজ এতিম হয়ে শুয়ে আছে তাদেরকে ক্ষমা করে দাও। رب ارحمهما كما ربيانى صغير
ভাষার জন্য, দেশের জন্য, সেনাবহিনীর জন্য বিভিন্ন সময় যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদেরকে ক্ষমা করে দাও।
আজ সব ধরণের দরখাস্ত মঞ্জুর করার রাত। হে আলাহ তোমার বান্দারা আজ রাত্রে তোমার কাছে যা কিছু দরখাস্ত পেশ করবে তুমি মঞ্জুর করে নিও। অভাবীর অভাব মুছন করে দিও। বিপদগ্রস্থকে বিপদমুক্ত কর, রোগাগ্রস্থকে আরোগ্য দান কর। সন্তান হারাকে সন্তান দাও।
যারা সন্ত্রাস ও দূর্নীতির মাধ্যমে দেশের শান্তি বিনষ্ট করে তুমি তাদেরকে বুঝ দাও ও হেদায়েত দাও।
দেশের সকল নাগরিককে অব্যাহত সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি, উন্নতি, অগ্রগতি দান কর।
লাইলাতুল বারাআত-২০১৬ (২২.০৫.১৬)
প্রত্যেকেই মনে মনে পাঠ করবোঃ
ক। সূরা ফাতিহা ০১ বার
খ। সূরা ইখলাস ০৩ বার
গ। দরুদ শরীফ ০১ বার
মোনাজাত
১।
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ ﴿البقرة: ٢٠١﴾
২। হে আলাহ্, লাইলাতুল বারাআত উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার অনুষ্ঠানকে কবুল ও মুনজুর করে নিন। এ উপলক্ষ্যে ইসতিগফার, তিলাওয়াত, দরুদ ও সালাম, দোয়া-মোনাজাত এবং নেক আমল সমূহ কবুল করুন। এর অসিলায় আমাদের সকলের জীবনের তামাম গুনাহ গুলো মাফ করে দিন। এর যা সাওয়াব হয় তা অসংখ্য গুণ বৃদ্ধি করে দিয়ে আমাদের প্রিয় নবী (সাঃ)-এর আরওয়াহ মোবারকে পৌছিয়ে দিন। তামাম বিশ্বের যত মুমিন-মুমিনাত ইন্তেকাল করেছেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যত সদস্য শাহাদত বরণ করেছেন সকলের আরওয়াহ মোবারকে এর সাওয়াব পৌছিয়ে দিন।
৩। আমাদের মধ্য থেকে যাদের পিতা-মাতা, শশুর-শাশুরী, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী, ভাই-ব্রাদার, সঙ্গী-সাথী, সহপাঠি, সহকর্মী ইন্তেকাল করেছেন সকলের আরওয়াহ মোবারকে এর সাওয়াব পৌছিয়ে দিন। সকলকে জান্নাতুল ফিরদাউসের মেহমান হিসেবে কবুল করে নিন।
৪। আমাদের মধ্যে যারা অসুস্থ্য রয়েছেন, বিভিন্ন সিএমএইচে, হাসপাতালে যারা অসুস্থ্য রয়েছেন। সবাইকে শিফায়ে কুলি−য়া দান করুন।
৫। আমাদের প্রিয় জন্মভ‚মি বাংলাদেশকে এবং দেশবাসীকে কবুল করে নিন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত অক্ষুন্ন রাখুন। আমাদের দেশে পরিপূর্ণ শান্তি, শৃংখলা, উন্নতি, অগ্রগতি, সম্মৃদ্ধি, সংহতি ও সার্বিক নিরাপত্তা দান করুন।
৬। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে কবুল আর মনজুর করে নিন। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর যত সদস্য দেশে বিদেশে, পার্বত্য অঞ্চলে যে যেখানে কর্মরত নিয়োজিত রয়েছেন সকলের জান-মাল, পরিবার-পরিজনের হিফাজত দান করুন।
৭। ভাষার জন্য, দেশের জন্য, সেনাবহিনীর জন্য বিভিন্ন সময় যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদেরকে ক্ষমা করে দাও।
৮। সেনাবাহিনীকে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলানোর মত দক্ষ, শক্তিশালী ও চৌকশ বাহিনী হিসেবে কবুল করে নিন। আমাদের অকুতোভয় বীর সেনানীরা যেন সম্মান, মর্যাদা, দক্ষতা, আমানত ও সাফল্যের সাথে জাতি গঠনমূলক কাজে সর্বোপরি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুনাম ও যুগ্যোতার সাথে নিজেদের ঐতিহ্যকে স্বমুন্নত রাখতে পারে সেই তাওফিক দান করুণ।
৯। আলাহ আমাদের ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, ধর্ম-কর্ম, দেশ এবং জাতীয় জীবনে যা ভাল, উত্তম, কল্যাণকর, মঙ্গলজনক তাই আমাদেরকে দান করুন। আর যা মন্দ, খারাপ, অকল্যাণকর তা থেকে আমাদেরকে নিস্কৃতি দান করুন।
১১। অভাবীর অভাব দূর করে দিন। বিপদগ্রস্থকে বিপদমুক্ত করুন, রোগাগ্রস্থকে আরোগ্য দান করুন। সন্তান হারাকে সন্তান দান করুন।
১২। জীবনে অনেক পাপ করেছি, (দিনের আলোতে, রাতের অন্ধকারে, জেনে, না জেনে, শিরক, বিদআত) সকল প্রকার পাপ গুলিকে ক্ষমা করে দিন।
১৩। আজ সব ধরণের দরখাস্ত মঞ্জুর করার রাত। হে আলাহ আপনার বান্দারা আজ রাত্রে আপনার কাছে যা কিছু দরখাস্ত পেশ করবে আপনি তা মঞ্জুর করে নিন।
১৪। ইয়া আল−াহ্! যাদের পরম শ্রদ্ধেয় আব্বা-আম্মা আজ এতিম হয়ে অন্ধকার কবরে শুয়ে আছেন তাদেরকে ক্ষমা করে দিন। যাদের আব্বা-আম্মা এখনো বেঁচে আছেন তাদেরকে সু-সাস্থ্যসহ দীর্ঘ হায়াত দান করুন।
رب ارحمهما كما ربيانى صغير
১৫। আমাদের সন্তান-সন্তুতিদেরকে বাবা-মার চক্ষু শীতল কারী সন্তান হিসেবে কবুল করে নিন। তাদের মেধা শক্তি বৃদ্ধি করে দিন। সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতীর খেদমত করার তৌফিক দান করে দিন।
১৬। অত্র ডিভ ও এরিয়াকে, ২১ পদাঃ বিঃ, ২৩ ইবি, ৩২ ইবি
১৬। আমাদের সবাইকে যাবতীয় ক্লান্তি, অবসাদ, দুর্বলতা, ভীরুতা, অকল্যাণ, অমঙ্গল, বালা-মসিবত প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে হিফাযত করুণ।
১৭। আমাদের উপর আপনার খাছ রহমত, বরকত ও করুণা নাযিল করুণ। আমাদের দু‘আ-মোনাজাত কবুল করে নিন।
ঈদে মিলাদুন্নবী-২০১৫
প্রত্যেকেই মনে মনে পাঠ করবোঃ
ক। সূরা ফাতিহা ০১ বার
খ। সূরা ইখলাস ০৩ বার
গ। দরুদ শরীফ ০১ বার
মোনাজাত
১।
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ ﴿البقرة: ٢٠١﴾
২। হে আলাহ্, ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার অনুষ্ঠানকে কবুল ও মুনজুর করে নিন। এ উপলক্ষ্যে ইসতিগফার, তিলাওয়াত, দরুদ ও সালাম, দোয়া-মোনাজাত এবং নেক আমল সমূহ কবুল করুন। এর অসিলায় আমাদের সকলের জীবনের তামাম গুনাহ গুলো মাফ করে দিন। এর যা সাওয়াব হয় তা অসংখ্য গুণ বৃদ্ধি করে দিয়ে আমাদের প্রিয় নবী (সাঃ)-এর আরওয়াহ মোবারকে পৌছিয়ে দিন। তামাম বিশ্বের যত মুমিন-মুমিনাত ইন্তেকাল করেছেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যত সদস্য শাহাদত বরণ করেছেন সকলের আরওয়াহ মোবারকে এর সাওয়াব পৌছিয়ে দিন।
৩। আমাদের মধ্য থেকে যাদের পিতা-মাতা, শশুর-শাশুরী, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী, ভাই-ব্রাদার, সঙ্গী-সাথী, সহপাঠি, সহকর্মী ইন্তেকাল করেছেন সকলের আরওয়াহ মোবারকে এর সাওয়াব পৌছিয়ে দিন। সকলকে জান্নাতুল ফিরদাউসের মেহমান হিসেবে কবুল করে নিন।
৪। আমাদের মধ্যে যারা অসুস্থ্য রয়েছেন, বিভিন্ন সিএমএইচে, হাসপাতালে যারা অসুস্থ্য রয়েছেন। সবাইকে শিফায়ে কুলি−য়া দান করুন।
৫। আমাদের প্রিয় জন্মভ‚মি বাংলাদেশকে এবং দেশবাসীকে কবুল করে নিন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত অক্ষুন্ন রাখুন। আমাদের দেশে পরিপূর্ণ শান্তি, শৃংখলা, উন্নতি, অগ্রগতি, সম্মৃদ্ধি, সংহতি ও সার্বিক নিরাপত্তা বিধান করুন।
৬। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে কবুল আর মনজুর করে নিন। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর যত সদস্য দেশে বিদেশে, পার্বত্য অঞ্চলে যে যেখানে কর্মরত নিয়োজিত রয়েছেন সকলের জান-মাল, পরিবার-পরিজনের হিফাজত দান করুন।
৭। ভাষার জন্য, দেশের জন্য, সেনাবহিনীর জন্য বিভিন্ন সময় যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদেরকে ক্ষমা করে দাও।
৮। সেনাবাহিনীকে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলানোর মত দক্ষ, শক্তিশালী ও চৌকশ বাহিনী হিসেবে কবুল করে নিন। আমাদের অকুতোভয় বীর সেনানীরা যেন সম্মান, মর্যাদা, দক্ষতা, আমানত ও সাফল্যের সাথে জাতি গঠনমূলক কাজে সর্বোপরি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুনাম ও যুগ্যোতার সাথে নিজেদের ঐতিহ্যকে স্বমুন্নত রাখতে পারে সেই তাওফিক দান করুণ।
৯। আলাহ আমাদের ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, ধর্ম-কর্ম, দেশ, জাতীয় জীবনে যেন রাসূলুল−াহ্ (সাঃ)-এর আদর্শ অনুসরণ করতে পারি সেই তৌফিক দান করুন।
১০। আমাদের জন্য যা ভাল, উত্তম, কল্যাণকর, মঙ্গলজনক তাই আমাদেরকে দান কর। আর যা মন্দ, খারাপ, অকল্যাণকর তা থেকে আমাদেরকে নিস্কৃতি দান করুন।
১১। অভাবীর অভাব দূর করে দিন। বিপদগ্রস্থকে বিপদমুক্ত করুন, রোগাগ্রস্থকে আরোগ্য দান করুন। সন্তান হারাকে সন্তান দান করুন।
১২। আমাদের সবাইকে যাবতীয় ক্লান্তি, অবসাদ, দুর্বলতা, ভীরুতা, অকল্যাণ, অমঙ্গল, বালা-মসিবত প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে হিফাযত করুণ।
১৩। আমাদের উপর আপনার খাছ রহমত, বরকত ও করুণা নাযিল করুণ। আমাদের দু‘আ-মোনাজাত কবুল করে নিন।
লাইলাতুল কদর এর রাত্রির দোওয়া ঃ
হে আলাহ আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর। সারা বিশ্বের সকল মুসলমানদেরকে লাইলাতুল কদর এর ফজিলত ও গুরুত্ব এবং তাৎপর্য উপলিব্ধি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলানোর মত দক্ষ, শক্তিশালী ও চৌকশ বাহিনী হিসেবে বকুল করে নাও। দেশে-বিদেশে কর্মরত সকল সেনাসদস্যকে তুমি জানে মালে হেফাযত কর।
আমাদের এই বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভরতা অর্জনের তৌফিক দাও। দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দান কর।করার তৌফিক দান কর।
এ রাতে তোমার বান্দারা যেযতটুকু ইবাদত বন্দেগী করবে সেগুলো তুমি কবুল করে নাও।
কদরের রাত্রি ভাল মন্দ ফয়সালার রাত্রি। আলাহ আমাদের ব্যক্তি, পরিবার, ও সমাজ জীবনে এবং ধর্ম ও কর্মজীবনে, দেশ, জাতী এবং সেনাবাহিনীর জন্য যা ভাল, উত্তম, কল্যাণকর, মঙ্গলজনক তাই আমাদেরকে দান কর।
আর যা মন্দ, খারাপ, অকল্যাণকর তা থেকে আমাদেরকে নিস্কৃতি দান কর।
এই রজনী ক্ষমার রজনী, হযরত আদম (আ:) থেকে আজ পর্যন্ত যত আম্বিয়া আওলিয়া, শুহাদা, উলামা, ফুকাহা, মুহাদ্দিসীন, মুফাস্সিরীন, মুজাহিদীন যারা এন্তেকাল করেছেন তাদেরকে ক্ষমা করে দাও।
বিশেষ করে পরম শ্রদ্ধেয় আমাদের বাবা-মা যারা আজ এতিম হয়ে শুয়ে আছে তাদেরকে ক্ষমা করে দাও। رب ارحمهما كما ربيانى صغير
ভাষার জন্য, দেশের জন্য, সেনাবহিনীর জন্য বিভিন্ন সময় যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদেরকে ক্ষমা করে দাও।
আজ সব ধরণের দরখাস্ত মঞ্জুর করার রাত। হে আলাহ তোমার বান্দারা আজ রাত্রে তোমার কাছে যা কিছু দরখাস্ত পেশ করবে তুমি মঞ্জুর করে নিও।
অভাবীর অভাব মুছন করে দিও। বিপদগ্রস্থকে বিপদমুক্ত কর, রোগাগ্রস্থকে আরোগ্য দান কর। সন্তান হারাকে সন্তান দাও।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলানোর মত দক্ষ, শক্তিশালী ও চৌকশ বাহিনী হিসেবে বকুল করে নাও। দেশে-বিদেশে কর্মরত সকল সেনাসদস্যকে তুমি জানে মালে হেফাযত কর।
আমাদের এই বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভরতা অর্জনের তৌফিক দাও। দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দান কর। যারা সন্ত্রাস ও দূর্ণিতীর মাধ্যমে দেশের শান্তি বিনষ্ট করে তুমি তাদেরকে বুঝ দাও ও হেদায়েত দাও।
দেশের সকল নাগরিককে অব্যাহত সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি, উন্নতি, অগ্রগতি দান কর।
নির্মাণ কাজ উদ্ভোদন করার দোওয়া ঃ
হে আলাহ আজ থেকে তোমার এক বান্দা তার বাসার নির্মাণ কাজ শুরু করবেন। তার নির্মাণাধীন বাসাটিকে তুমি টেকসই, মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী বাসা হিসেবে কবুল করে নাও।
আলাহ সুষ্ঠু সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে এই নির্মাণ কাজ শেষ করার তৌফিক দান কর।
নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত সাজ সরঞ্জাম দ্রব্য সামগ্রী ও অর্থ সম্পদের প্রতি তুমি বরকত নাযিল কর। প্রয়োজন মুহূর্তে এগুলোকে তুমি সচল ও কর্মক্ষম রাখ।
নির্মাণ কাজের সাথে সংযুক্ত কারিকর, ব্যাবস্থাপক ও প্রকৌশলীদের প্রতি রহমত কর।
নির্মাণ কাজ সুন্দরভাবে করার জন্য প্রয়োজনীয় বুদ্ধিমত্তা ও নির্মাণ কৌশল দান কর।
তাদেরকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ রাখ। যাবতীয় বিপদ-আপদ থেকে তাদেরকে হেফাযত কর।
এ কাজের জন্য নির্মাতাকে তুমি আর্থিক যোগান এবং সাহস ও মনোবল দান কর।
নির্মাণাধীন বাসাটিকে তুমি কল্যাণ ও মঙ্গল দিয়ে ভরপুর করে দাও। যাবতীয় অকল্যাণ ও অমঙ্গল থেকে হেফাযত কর।
নতুন যায়গায় নির্মাতাকে সৎ, সহমর্মী ও সহযোগী, কল্যাণকামী প্রতিবেশী দান কর।
এই বাসায় যারা বসবাস করবেন তাদের তুমি দ্বীনদার, ঈমানদার, পরহেযগার, মুত্তাক্বী হিসাবে কবুল কর।
নির্মাণ কাজের সামনে মানুষ শয়তান, জ্বীন শয়তান ও হিংস্র প্রাণীর কোন বাধা বিপত্তি থাকলে তা দূর করে দাও।
সামরিক মর্যাদায় দাফনের পর দোওয়া ঃ
হে আলাহ মরহুম......................................... এর দাফন কার্য শেষ তার রূহের মাগফিরাতের জন্য আমরা যে দোওয়া, দরূদ, ইস্তেগফার পাঠ করেছি সেগুলো তুমি কবুল করে নাও।
এর সাওয়াব সহস্র গুণে বৃদ্ধি করে মরহুম ............................... এর কবরে পৌছিয়ে দাও।
এর অছিলায় তার জিন্দেগীর সগীরা, কবীরা, জাহেরী, বাতেনী, শিরক, বিদআত, ইত্যাদি যাবতীয় গুনাহ খাতাহ মাফ করে দাও।
কবরের সওয়াল জাওয়াব তার জন্য সহজ করে দাও।
কিয়ামত পর্যন্ত কবর আযাব মাফ করে দাও।
অন্ধকার কবরকে দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত প্রশস্ত করে দাও।
অন্ধকার কবরকে ঈমানী নূরে আলোকিত করে দাও।
বিনা হিসাবে জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব কর।
শোক সন্তপ্ত তার পরিবারের সদস্যদেরকে ধৈর্য্য ধারণ করার তৌফিক দাও।
তাদেরকে সম্মানজনক জীবন-জীবিকা দান কর।
তাদের প্রতিপালনের দায়িত্ব তুমি নিজ হেফাযতে নিয়ে নাও।
তার এহেন আত্ম ত্যাগের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে আমাদেরকে কাজ করার তৌফিক দান কর।
এই কবরস্থানে এ পর্যন্ত আরো যাদেরকে দাফন করা হয়েছে তাদেরকে তুমি মাফ করে দাও।
রোগ মুক্তির দু’আ
হে আলাহ ! তোমার এক বান্দা গুরুতর অসুস্থ। তুমি তোমার এই বান্দার প্রতি রহমত বর্ষণ কর। তাকে আরোগ্য দান কর। তার রোগ যন্ত্রতা দুর করে দাও। তাকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান কর। এই রোগটি যাতে অন্য কোন জটিল রোগে সংক্রমিত না হয় তার সুব্যবস্থা কর। এই রোগকে রোগীর অতীত জীবনের জন্য প্রায়শ্চিত্য ও ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শিক্ষার অসিলা বানিয়ে দাও। রোগীর জন্য এমুহুর্তে সে ফয়সালাটি কল্যাণকর হয় তুমি তার জন্য সেই ফয়সালায় কর।
যে সব ডাক্তার তার চিকিৎসার কাজে নিয়োজিত আছেন, আলাহ তুমি তাদেরকে সঠিক রোগ নির্নয়ের তৌফিক দান কর। রোগ অনুযায়ী ঔষধ প্রয়োগের তৌফিক দান কর। ঔষধে কার্যকরী ক্ষমতা বৃদ্ধি করে দাও।
রোগীর সেবা-যতœ খেদমতের দায়িত্বে যারা নিয়োজিত আছে তাদেরকে রোগীর প্রতি অধিকহারে সহানুভূতি সৃষ্টি করে দাও। তাদের মাঝ থেকে বিরক্তি ভাব দূর করে দাও।
রোগীর অবিভাবকদেরকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান কর। মনের স্থীরতা দান কর।
চিকিৎসা সহায়ক যন্ত্র-পাতি ও অন্যন্য সামগ্রীতে তুমি বরকত নাযির কর। সেগুলোকে প্রয়োজন মুহুর্তে সচল ও কর্মক্ষম রাখ।
হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা দিবসের মুনাজাত
হে আলাহ ! আজ থেকে প্রায় ১১ বৎসর পূর্বে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় অকালে যে জোওয়ানরা প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন তাদেরকে তুমি তোমার রহমতের কোলে তুলে নাও। পূর্ববর্তী জীবনে আমল-আখলাকের ক্ষেত্রে তাদের যে ভুল ত্র“টি, অপরাধ ও পাপকর্ম সংঘঠিত হয়েছিল সেগুলি তুমি ক্ষমা করে দাও।
তাদেরকে কিয়ামত পর্যন্ত করব আযাব থেকে মুক্তি দান কর। অন্ধকার কবরকে ঈমানী নূরে আলোকিত করে দাও। সংকীর্ণ কবরকে দৃষ্টি সীমা পর্যন্ত প্রশস্ত করে দাও।
হাশরের ময়দানে প্রখর রৌদ্রের মধ্যে তাদেরকে তোমার আরশের ছায়ায় স্থান দান কর। তাদেরকে হাউজে কাউসারের পানি পানে তৃপ্ত কর। পুল-সিরাত পারাপার তাদের জন্য সহজ করে দাও। সহজ ভাবে হিসাব-নিকাশ গ্রহণ কর। আমলনামা তাদের ডান হাতে প্রদান কর। রাসূলুলাহ দুর্ঘটনায় মৃত ব্যক্তিদেরকে শহীদ আখ্যা দিয়েছেন। আলাহ! তুমি তাদেরকে শহীদ হিসেবে কবুল করে নাও। চুড়ান্ত ফয়সালার পর তুমি তাদের সবাইকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব কর।
তাদের পিতা-মাতা, স্ত্রী-পুত্র-কন্যা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরকে তুমি হেফাযত কর। তাদেরকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান কর। তাদেরকে সম্মানজনক জীবন-জীবিকা দান কর। তাদের যাবতীয় অভাব দূর করে দাও। তাদের ছেলে-মেয়েদেরকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার তৌফিক দান কর।
তাদের রেখে যাওয়া এহেন ত্যাগী চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বাঁকী জওয়ানদেরকে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করার তৌফিক দাও।
আগামীতে এই জাতীয় যে কোন প্রকার দুর্ঘটনার কবলে পড়ে যাতে আর কাউকে অকালে প্রাণ দিতে না হয় সে ব্যাপারে তুমি আমাদেরকে সাহায্য কর।
ইফতার পাটির মুনাজাত
হে আলাহ! আমাদের মাহে রমজানের সিয়াম সাধনা, ইফতার, সেহরী, তারাবীহ সহ যাবতীয় এবাদত বন্দেগী, সর্বোপরি আজকের ইফতার পাটি ও আমাদের সামনে পরিবেশিত ইফতারীকে তুমি কবুল করে নাও।
এই সৎকর্মগুলির অসিলায় গোটা ব্রিগেড থেকে আগত উপস্থিত রোজাদার মেহমান বর্গকে তুমি মাফ করে দাও। তাদের মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজনকে মাফ করে দাও। আমাদের দেশ ও গোটা মুসলিম বিশ্বের সকল মুসলমান নর-নারীকে মাফ করে দাও।
আমাদেরকে রোজার পবিত্রতা রক্ষার তৌফিক দান কর। বিগত প্রায় একটি মাস রোজা রাখার মধ্য দিয়ে আমাদের মাঝে যে আত্মসংযম ও সততা, সত্যনিষ্ঠা, ত্যাগ ও সহমমীঁতার সৃষ্টি হয়েছে তা বাঁকী এগারটি মাস লালন করার তৌফিক দান কর।
দেশে বিদেশে কর্মরত স্বশস্ত্র বাহিনীর সকল সদস্যকে তুমি জানে-মালে হেফাযত কর।
আমাদের দেশ ও দেশের সকল নাগরিককে অব্যাহত সুখ-শাস্তি, সমৃদ্ধি, উন্নতি, অগ্রগতি ও সফলতা দান কর।
আলাহ ! আমাদের ৪৬ ব্রিগেডকে রহমত কর। ১৭ ই বেংগল সহ এই ব্রিগেডের অধিনস্ত সকল ইউনিটকে কবূল করে নাও। ব্রিগেডের পক্ষ থেকে যে ইউনিটকে যখন যে কাজের দায়িত্ব অর্পন করা হবে, তা সুষ্ঠ ও সুন্দর ভাবে সমাধা করার তৌফিক দান কর।
বিশেষ করে, ভোটার আইডি কার্ড ও জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরীর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে তা ত্র“টিমুক্ত ও নির্ভুল ভাবে সমাধা করার তৌফিক দান কর। আমাদের কাজের মাধ্যমে ৪৬ ব্রিগেডের সুনাম ও গ্রহন যোগ্যতা গোটা সেনা বাহিনীতে ছড়িয়ে দাও।
অদ্যকার ইফতার পাটির আয়োজক ইউনিট ১৭ ই বেংগলকে কবুল করে নাও। ইউনিটের সকলকে নিজ নিজ কাজের প্রতি, পেশার প্রতি, বাহিনীর প্রতি ও দেশের প্রতি আরো আন্তরিক ও মনোয়োগী হওয়ার তৌফিক দান কর। সকলের মাঝে সততা-স্বচ্ছতা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে দাও।
বিদেশ যাত্রার প্রাক্কালে দু’আ
প্রথম ফ্লাইটের মধ্য দিয়ে ------------ইউনিটের বিদেশ গমন যে আরম্ভ হল, এই যাত্রাকে তুমি কবুল করে নাও। নিরাপদে নির্বিঘেœ আমাদেরকে আমাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছার তৌফিক দান কর।
যাওয়ার পথে, আসার পথে ও দীর্ঘ একটি বছর সেখানে অবস্থানকালে আমাদেরকে যাবতীয় বিপদ-আপদ ও মসীবত থেকে হেফযত কর।
সেখানে গিয়ে আমাদের উপর যখন যে কাজের দায়িত্ব অর্পিত হবে, সে কাজগুলো আমাদেরকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সমাধা করার তৌফিক দান কর। বিদেশে বাংলাদেশ সেনাবহিনীর যে সুনাম অর্জিত হয়েছে, আমাদের কাজ কর্মের মাধ্যমে আগামীতে সে সুনামকে আরো বৃদ্ধি করে দাও।
সে লক্ষ্য পূরুনের জন্য যার যতটুকু যোগ্যতা ও দক্ষতা দরকার তা তুমি আমাদেরকে দান কর। যে স্থলে যারা কমান্ড করবেন তুমি তাদের প্রত্যেকের উপর রহমত বর্ষণ কর। সবার ভীতর থেকে যাবতীয় ভীরুতা, অলসতা দূর করে দাও। সবাইকে সাহস ও শক্তি দান কর। ধর্মীয় অনুশাসন মোতাবেক গোটাটা বছর সবাইকে সৎ ও পবিত্র জীবন-যাপনের তৌফির দান কর।
সবাইকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ রাখ। আমাদেরকে মানুষ শয়তান, জ্বীন শয়তান, হিংস্র প্রাণী ও আবহাওয়ার ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা কর।
বিভিন্ন স্টোরের অধিনে আমরা দেশ থেকে যে সমস্ত দ্রব্য-সামগ্রী, মাল-সামানা ও রেশন এবং অস্ত্র-শস্ত্র, গোলা-বারুদ ও যানবাহন নিয়ে যাচ্ছি সেগুলো তুমি হেফাযত কর। সেগুলোতে বরকত নাযিল কর। প্রয়োজন মূহুর্তে সেগুলোকে সচল ও কর্মক্ষম রাখ। টিকসই ও মজবুতি দান কর।
দেশে আমাদের রেখে যাওয়া পরিবারবর্গকে তুমি হেফাযত কর। তাদের যাবতীয় প্রয়োজন ও চাহিদাকে তুমি পূরন করে দাও।
و صلى الله تعالى على خير خلقه و على اله و اصحابه ---------
একটি বিশেষ অপারেষণের পূর্বের মুনাজাত
হে আলাহ! বিশেষ অপারেষণে গমনকারী এই পেট্রোল দলকে তুমি কবুল করে নাও। সুষ্ঠ সুন্দর ও সুশৃঙ্খল ভাবে আমাদেরকে এই অপারেষণ শেষ করার তৌফিক দান কর। অপারেষণ স্পটে যাওয়া আবার ফিরে আসা এবং অপারেষণ চলা অবস্থায় আমাদেরকে এমটি ঘটিত দুর্ঘটনা সহ যাবতীয় বিপদ-আপদ মসীবত ও অন্যান্য দুর্ঘটনার হাত থেকে আমাদেরকে তুমি রক্ষা কর।
অপারেষণ সহায়ক দ্রব্যাদী যেমন অস্ত্র-শস্ত্র গোলাবারুদ ও যানবাহনের প্রতি তুমি রবকত নাযিল কর। যেগুলিকে তুমি প্রয়োজন মুহুর্তে সচল ও কর্মক্ষম রাখ।
যারা এই অপারেষণের নেতৃত্ব দিবেন, তাদেরকে তুমি সঠিক পরিকল্পনা ও দূরদর্শী কলাকৌশল গ্রহণের তৌফিক দান কর। আর প্রত্যক্ষ ভাবে যারা এই অপারেষণে অংশ গ্রহণ করবে তাদেরকে তুমি শারিরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ রাখ। তাদেরকে সাহস ও মনোবল দান কর, যাবতীয় ভীরুতা ও অলসতা থেকে বিরত রাখ।
এই অভিযানে তুমি কল্যাণ মঙ্গল ও সফলতা দান কর এবং অকল্যাণ অমঙ্গল ও ব্যর্থতা থেকে রক্ষা কর। এই অভিযানের সফলতার মধ্য দিয়ে আমাদের ১৭ বেংগলের সুনাম চারিদিকে বৃদ্ধি করে দাও।
সবাইকে দু®কৃতি কারীর অনিষ্টতা থেকে রক্ষা কর।
ফিল্ড ফায়ারের উদ্দেশ্যে গমন পূর্ব মুনাজাত (২০১৫ নির্ভিক বত্রিশ)
হে আলাহ্ নির্ভিক বত্রিশের এই অভিযানটি চট্টগ্রামে ফিল্ড ফায়ারের উদ্দেশ্যে গমন করছে, অভিযানটিকে আপনি কবুল করে নিন। সুষ্ঠ সুন্দর, সুশৃঙ্খল নিরাপদ ও নির্বিঘেœ আমাদেরকে গন্তব্যস্থলে পৌঁছার তৌফিক দান করুন।
এই দীর্ঘ পথের যাত্রাকালে স্পটে যাওয়া-আসা এবং ফায়ার চলা অবস্থায় যাবতীয় বিপদ-আপদ, বালা-মসীবত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ-দুর্ঘটনা ও আবহাওয়ার ক্ষয়ক্ষতি থেকে আমাদের সবাইকে রক্ষা করুন।
এমটির ভাইদের প্রতি খাস করে রহমত করুন, তাদেরকে ধীর-স্থীর ভাবে, ঠান্ডা মাথায়, কনভয়ের নিরাপত্তা বজায় রেখে গাড়ি পরিচালনা করার তৌফিক দান করুন।
দ্বিতীয় আসনধারীদেরকে তাদের দায়িত্বের ব্যপারে সজাগ থাকার তৌফিক দান করুন।
এই কনভয়ের ছোট-বড় সকল প্রকারের সহায়ক দ্রব্যাদী এবং অস্ত্র-শস্ত্র গোলাবারুদ ও যানবাহনের প্রতি বরকত নাযিল করুন। প্রয়োজন মুহুর্তে এগুলোকে সচল ও কর্মক্ষম রাখুন। সকল প্রকারের যান্ত্রিক ত্র“টি-বিচ্চুতি থেকে হেফাযত দান করুন।
সাথে নেয়া প্রাইভেট স্টোরসমুহের যাবতীয় মাল-সামানা এবং সৈনিক ভাইয়েদের ব্যক্তিভাবে নেয়া সামানাপত্র গুলোকে যে কোন ধরনের লছ বা ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই অক্ষত অবস্থায় গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর তৌফিক দান করুন।
নতুন জায়গায় পৌঁছার পর আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করার তৌফিক দান করুন।
এই অভিযানের সফলতার মধ্য দিয়ে আমাদের নির্ভিক বত্রিশসহ সংশ্লিষ্ট সকল ইউনিটের সুনাম বৃদ্ধি করে দিন।
যারা এই অভিযানের নেতৃত্ব দিয়ে পৃষ্টপোষকতা করছেন, তাদেরকে সঠিক পরিকল্পনা ও দূরদর্শী কলাকৌশল গ্রহণের তৌফিক দান করুন।
আমাদের সবাইকে শারিরিক-মানসিক সুস্থ্য/ক্লান্তি, অবসাদ দূর/ সাহস, মনোবল বৃদ্ধি/ দুর্বলতা, ভিরুতা, অকল্যাণ, অমঙ্গল দূর/ পারদর্শিতা, উৎকর্ষতা, গতিশীলতা/ যাবতীয় বিপদাপদ, বালা-মসিবত, বাধা-বিপত্তি, সুর্ঘটনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ হেফযত।
.........(ইউনিটের নাম) হিলের উদ্দেশ্যে গমন-পূর্ব মুনাজাত
.........(ইউনিটের নাম) যে কনভয়টি একটু পরেই চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে গমন করবে সেই কনভয়টিকে তুমি কবুল করে নাও। নিরাপদে নির্বিঘেœ তাদেরকে তাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছার তৌফিক দান কর।
এই দীর্ঘ পথের যাত্রাকালে তাদের সবাইকে মানুষ শয়তান, জ্বীন শয়তান, হিংস্র প্রাণী ও আবহাওয়ার ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা কর।
বিশেষ করে রোড এক্সিডেন্ট বা সড়ক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা কর।
ড্রাইভারদের জন্য দু’আ
এমটির ভাইদের প্রতি খাস করে রহমত কর,
তাদেরকে ধীর-স্থীর ভাবে, ঠান্ডা মাথায়, কনভয়ের নিরাপত্তা বজায় রেখে গাড়ি পরিচালনা করার তৌফিক দান কর।
তাদেরকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ রাখ। সকল প্রকার ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করে দাও।
দ্বিতীয় আসনধারীদেরকে তাদের দায়িত্বের ব্যপারে সজাগ থাকার তৌফিক দান কর।
কনভয় কমান্ডার ও প্যাকেজ কমান্ডারদেরকে দূরদর্শিতার সাথে নির্ভুল ও সময়োচিত সিন্ধান্ত নেয়ার তৌফিক দান কর।
এই কনভয়ের ছোট-বড় সকল প্রকারের যানবাহনকে প্রয়োজন মুহুর্তে সচল ও কর্মক্ষম রাখ।
যে কোন প্রকারের যান্ত্রিক ত্র“টি-বিচ্ছুতি থেকে হেফাযত কর।
সাথে নেয়া তাদের প্রাইভেট স্টোর সমুহের যাবতীয় মাল-সামান, অস্ত্র-শস্ত্র, গোলা-বাগুদ এবং সৈনিক ভাইয়েরা ব্যক্তিভাবে যেসব সামানাপত্র নিয়েছে সেগুলোকে কোন ধরনের লছ বা ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই অক্ষত অবস্থায় গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর তৌফিক দান কর।
নতুন ফরমেশনে পৌঁছার পর তাদের উপর যে সমস্ত দায়-দায়িত্ব অর্পিত হবে যেগুলো যথাযথ ভাবে সমাধা করার তৌফিক দাও। তাদের কাজকর্ম দ্বারা ২৪ ডিভিশনের পাশাপাশি এলেভেন ডিভেরও সম্মান বৃদ্ধি করে দাও।
সেনা-পরিবার কল্যাণ সংস্থার উন্নয়ণে দু’আ
সংস্থার জন্য দু’আ
১। হে আমাদের প্রতিপালক! সেনাসদস্যদের পরিবারের কল্যাণে নিয়োজিত এই সেনা পরিবার কল্যাণ সংস্থাটিকে তুমি কবুল করে নাও।
২। আগামীতে আরও বি¯তৃত পরিসরে গোটা দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার তৌফিক দাও।
৩। সেই লক্ষ্যে অধিক পরিমানে আধুনিক প্রযুক্তি, অর্থ-বল ও লোক-বলের সু-ব্যাবস্থা করে দাও।
৪। সংস্থাটির যাত্রা পথের সকল বাধা-বিপত্তি ও সংস্থাটির খারাপী তুমি দূর করে দাও।
কর্মী বাহিনীর জন্য দু’আ
১। যারা এই সংস্থার সাথে জড়িত বিশেষ করে মাননীয় সেনাপ্রধানের ম্যাডাম তাদেরকে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, দক্ষতা ও সুস্বাস্থ্য দান কর।
২। সবাইকে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের তৌফিক দান কর।
৩। সকলের অন্তরে সেবামূলক মনোভাব নিয়ে কাজ করার তৌফিক দাও।
প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য দু’আ
ইতিপূর্বে যারা এই সংস্থা থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানে যারা প্রশিক্ষণে নিয়োজিত রয়েছেন তাদেরকে এই প্রশিক্ষণ নিজ নিজ পরিবার ও দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর তৌফিক দান কর।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর মুনাজাত ঃ
শহীদদের প্রতি সওয়াব রেছানী ও ক্ষমা প্রার্থনা করা
(১) আজকে আমাদের ২৮ই বেঙ্গল এর ৩৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।
(২) প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এতক্ষণ পর্যন্ত যতটুকু তেলাওয়াতে কোরান, ও অন্যান্য দোওয়া, দরূদ, এস্তেগফার পাঠ করা হয়েছে তা তুমি কবুল করে নাও।
(৩) যাদের শ্রমে ইউনিট এই পর্যন্ত পৌছেছে তাদের মধ্যে যারা এন্তেকাল করেছেন তাদেরকে মাফ করে দাও।
(৪) আজকের দোওয়া দরূদ এস্তেগফারের সওয়াব তাদের কবরে পৌছে দাও।
অবসর প্রাপ্তদের জন্য (১) অবসর প্রাপ্ত যারা বেঁচে আছেন তাদেরকে সম্মান জনক জীবন-জীবিকা দান কর (২) এবং নেক দীর্ঘ হায়াত দান কর।
বর্তমানে কর্মরতদের জন্য:
(১) বর্তমানে যারা ইউনিটে কর্মরত রয়েছেন তাদেরকে এবং তাদের পরিবার বর্গকে হেফাযত কর।
(২) শারীরিক ও মানষিক ভাবে সুস্থ রাখ।
(৩) সবাইকে সৎ ও পবিত্র জীবন যাপনের তৌফিক দান কর।
(৪) নিজ নিজ পেশার প্রতি ও দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সবাইকে আরো আন্তরিক ও দায়িত্বসচেতন হওয়ার তৌফিক দাও।
ইউনিটের জন্য (১) যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে ইউনিটের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ইউনিটকে সেই লক্ষ্য পূরনের তৌফিক দাও।
(২) চলার পথের সকল বাধা বিপত্তি দুর করে দাও।
(৩) যাবতীয় বিপদ-আপদ মসীবত ও যান্ত্রিক দুর্ঘটনা থেকে হেফাযত কর।
(৪) আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠু, সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সমাধা করার তৌফিক দাও।
(৫) একাজে তুমি গায়েবী মদদ দ্বারা সাহায্য কর।
(৬) বিগত দিনগুলোতে আমরা যা ভাল কাজ করেছি, তা অব্যাহত রাখার তৌফিক দান কর
(৭) এবং যে ভুল ক্রটিগুলো আমাদের দ্বারা হয়ে গিয়েছে, তা সুধরিয়ে নেওয়ার তৌফিক দান কর।
(৮) দেশে বিদেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যে সুনাম ২৮ ই বেঙ্গল এর কাজ কর্ম দ্বারা সে সুনামকে আরো বৃদ্ধি করে দাও।
ব্যাটালিয়ন ষ্টোরসমূহের জন্য (১) ব্যাটালিয়নের মালিকানাধিন বিভিন্ন ষ্টোরের যাবতীয় সম্পদ এবং অস্ত্র, শস্ত্র, গোলাবারুদ হেফাযত কর।
(২) প্রয়োজন মূহুর্তে সচল ও কর্মক্ষম রাখ।
(৩) টিকসই, মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ীত্ব দান কর।
কম্পিটিশন
বিভিন্ন কম্পিটিশনে এই ইউনিটকে সম্মানজনক ফলাফল অর্জন করার তৌফিক দাও।
প্রশিক্ষণ
প্রশিক্ষণ সাইডে আমাদেরকে আরো অধিক পরিমানে সফলতার স্বাক্ষর রাখার তৌফিক দাও।
নির্ভীক বত্রিশ এর ৩৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ২০১৫ এর মুনাজাত
শহীদদের প্রতি সওয়াব ও ক্ষমা প্রার্থনা
(১) আজকে আমাদের ৩২ ই বেঙ্গল এর ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।
(২) প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এতক্ষণ পর্যন্ত যতটুকু তেলাওয়াতে কোরান, ও অন্যান্য দোওয়া, দরূদ, এস্তেগফার পাঠ করা হয়েছে তা কবুল করে নিন।
(৩) যাদের শ্রমে ইউনিট এই পর্যন্ত পৌছেছে তাদের মধ্যে যারা ইন্তেকাল করেছেন তাদেরকে মাফ করে দিন।
(৪) আজকের দোওয়া দরূদ এস্তেগফারের সওয়াব তাদের কবরে পৌছে দিন।
অবসর প্রাপ্তদের জন্য
(১) অবসর প্রাপ্তদের মধ্যে যারা বেঁচে আছেন তাদেরকে সম্মান জনক জীবন-জীবিকা দান করুন
(২) এবং তাদেরকে নেক ও দীর্ঘ হায়াত দান করুন।
বর্তমানে কর্মরতদের জন্য:
(১) বর্তমানে যারা ইউনিটে কর্মরত রয়েছেন তাদেরকে এবং তাদের পরিবার বর্গকে হিফাযত করুন।
(২) সবাইকে শারীরিক ও মানষিক ভাবে সুস্থ রাখুন।
(৩) সবাইকে সৎ ও পবিত্র জীবন যাপনের তৌফিক দান করুন।
(৪) নিজ নিজ পেশার প্রতি ও দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সবাইকে আরো আন্তরিক ও দায়িত্বসচেতন হওয়ার তৌফিক দান করুন।
ইউনিটের জন্য
(১) যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে ইউনিটের প্রতিষ্ঠা হয়েছে ইউনিটকে সেই লক্ষ্য পূরনের তৌফিক দান করুন।
(২) চলার পথের সকল বাধা বিপত্তি দুর করে দিন।
(৩) যাবতীয় বিপদ-আপদ, বালা-মসীবত ও যান্ত্রিক দুর্ঘটনা থেকে হিফাযত করুন।
(৪) আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠু, সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সমাধা করার তৌফিক দান করুন।
(৫) একাজে আপনি গায়েবী মদদ দ্বারা সাহায্য করুন।
(৬) বিগত দিনগুলোতে আমরা যা ভাল কাজ করেছি, তা অব্যাহত রাখার তৌফিক দান করুন
(৭) এবং যে ভুল ক্রটিগুলো আমাদের দ্বারা হয়ে গিয়েছে, তা সুধরিয়ে নেওয়ার তৌফিক দান করুন।
(৮) দেশে-বিদেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যে সুনাম ৩২ ই বেঙ্গল এর কাজ কর্ম দ্বারা সে সুনামকে আরো বৃদ্ধি করে দিন।
ব্যাটালিয়ন ষ্টোরসমূহের জন্য
(১) ব্যাটালিয়নের মালিকানাধিন বিভিন্ন ষ্টোরের যাবতীয় সম্পদ এবং অস্ত্র, গোলাবারুদ হেফাযত করুন।
(২) প্রয়োজন মূহুর্তে সচল ও কর্মক্ষম রাখুন।
(৩) টিকসই, মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ীত্ব দান করুন।
কম্পিটিশন
বিভিন্ন কম্পিটিশনে এই ইউনিটকে সম্মানজনক ফলাফল অর্জন করার তৌফিক দান করুন।
প্রশিক্ষণ
প্রশিক্ষণ সাইডে আমাদেরকে আরো অধিক পরিমানে সফলতার স্বাক্ষর রাখার তৌফিক দান করুন।
জাতীয় শোক দিবসের মুনাজাত (১৫ আগস্ট)
প্রারম্ভিকা
হে আমাদের পরওয়ারদিগার ! আজ জাতীয় শোক দিবস।
বাংলাদেশের স্থপতি, আধুনিক বাংলার রূপকার, জাতীর জনক, বঙ্গবন্ধু, শেখ মুজিবর রহমানের ৩৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী।
সওয়াব রেছানী
দিবসটি উপলক্ষ্যে এতক্ষণ পর্যন্ত যতটুকু তেলাওয়াতে কোরআন ও অন্যান্য দু’আ-দরূদ-এস্তেগফার পাঠ করা হয়েছে, তা তুমি কবূল করে নাও। এই সৎকর্মগুলির অসিলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও তার সাথে সে দিন আরও যারা শাহাদাত বরণ করেছিলেন তাদের জীবনের যাবতীয় অপরাধ ও ভুল-ভ্রান্তি, গুনাহ-খাতা তুমি মাফ করে দাও।
আজকের দু’আ-দরূদ-এস্তেগফারের সওয়াব তাদের প্রত্যেকের আমলনামায় পৌঁছিয়ে দাও।
মুক্তি কামনা
(১) তাদেরকে কিয়ামত পর্যন্ত কবরের যাবতীয় আযাব থেকে নি®কৃতি দান কর।
(২) অন্ধকার কবরকে ঈমানী নূরে আলোকিত করে দাও।
(৩) সংকীর্ণ কবরকে প্রশস্ত করে দাও।
(৪) যখন নেকি-বদী ওজন হবে তখন তাদের নেকীর পালা তুমি ভারী করে দাও।
(৫) আর যখন আমলনামা বিতরণ হবে তখন তাদের আমলনামাটা তুমি তাদের ডান হাতে প্রদান করা।
(৬) চুড়ান্ত বিচার-ফায়সালার পর নবীজির সুপারিশে তাদের সকলের জন্য জান্নাতুল ফিরদাওস নসীব কর।
শোকাহত পরিবারের জন্য দু’আ
এই পাহাড়সম শোক কাঁধে নিয়ে তার পরিবারের আজও যারা জীবীত আছেন তাদেরকে এই শোক বহণ মত প্রয়োজনীয় শক্তি ও ধৈর্য্য দান করা।
অনাগত শোক দূর করা দু’আ
আমাদের দেশের আর কোন পরিবারের উপর যেন এরূপ শোকের ছায়া নেমে না আসে সে তৌফিক দান কর।
দেশের জন্য দ্’ুআ
বঙ্গ বন্ধুর স্বপ্নের গড়া বাংলাদের অখন্ডতাকে তুমি কিয়ামত পর্যন্ত কবূল করে নাও।
নাগরিকদের জন্য দ্’ুআ
দেশের সকল নাগরিকের অন্তরে স্বদেশ-প্রীতি ও স্বজাতী প্রীতি জাগ্রত করে দাও।
সবাইকে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও জাতীর খেদমতে আত্ম-নিয়োগ করা তৌফিক দাও।
শসস্ত্র বাহিনীর জন্য দু’আ
আমাদের দেশের স্বাধীনতার অতন্দ্র প্রহড়ী বাংলাদেশ শসস্ত্র বাহিনীকে তুমি কবূল করে নাও।
দেশে-বিদেশে কর্মরত এই বাহিনীর সকল সদস্যদেরকে তুমি জানে-মালে হেফাযত কর।
প্রথম তারাবীর দু’আ
হে আলাহ ! আমাদের আজকের তারাবীহ তুমি কবূল করে নাও।
রমজানের শেষ দিন পর্যন্ত তারাবীর নামাজে আমাদেরকে হাজির থাকার তৌফিক দান কর।
আজকের ২০ রাকাত তারাবীর মাধ্যমে পবিত্র কোরআনের যে অংশটুকুর আমরা তেলাওয়াত শুনেছি তার প্রতিটি অক্ষরের সওয়াব দশ থেকে সত্তর গুণ বৃদ্ধি করে আমাদের প্রত্যেকের আমলনামায় তুমি লিখে দাও।
এর অসিলায় আমাদের জিন্দেগীর যাবতীয় গুনাহ-খাতা তুমি মাফ করে দাও।
যে সমস্ত হাফেজ সাহেবগণ কষ্ট করে আমাদেরকে তেলাওয়াত শুনাচ্ছেন তাদেরকে কবূল করে নাও।
তাদেরকে সুস্থ রাখ।
তাদের স্মরণ শক্তি, যেহেন শক্তি ও ইয়াদ তুমি বৃদ্ধি করে দাও।
তাদের কন্ঠস্বর তুমি পরিষ্কার করে দাও।
আমাদের দেশের সকল নাগরিককে পুরাটা মাস রোজা রাখার তৌফিক দান কর।
রোজার পবিত্রতা রক্ষা করার তৌফিক দান কর। ওয়া সালাহু-------
দ্বিতীয় তারাবীর দু’আ
হে আলাহ ! আমাদের সালাতুত্তারাবী, আমাদের রোজা ও আমাদের খতমে কোরআন তুমি কবূল করে নাও।
এর অসিলায় বিভিন্ন ইউনিট থেকে আগত গ্যারিসন মসজিদের সকল মুসলিদেরকে তুমি মাফ করে নাও।
আমাদের বাবা-মা, দাদা-দাদি, নানা-নানি, শ্বশুর-শ্বাশুড়ীসহ অন্যান্য নিকটাত্মীয় যারা কবরে চলে গেছেন তাদেরকে মাফ করে দাও।
আমাদের যে সব সহপাটি-সহকর্মী দেশে, বিদেশে ও পার্বত্য অঞ্চলে এন্তেকাল করেছেন তাদেরকে ক্ষমা করে দাও।
সকলকে বিনা হিসাবে জান্নাতুল ফিরদাওস নসীব কর।
অবশিষ্ট দিনগুলির রোজা ও তারাবী আমাদেরকে সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে সম্পাদন করার তৌফিক দান কর।
তৃতীয় তারাবীর দু’আ
اللهم اغفر لحينا و ميتنا وشاهدنا و غائبنا و صغيرنا و كبيرنا و ذكرنا و انثانا- اللهم من احييته منا فاحييه على الاسلام و من توفيته منا فتوفه على الايمان
رَبَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ- رَبَّنَا إِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوْمٍ لاَّ رَيْبَ فِيهِ إِنَّ اللّهَ لاَ يُخْلِفُ الْمِيعَادَ-(سورة ال عمران- ৮/৯)
استغفر الله ربى من كل ذنب و اتوب اليه و لا حول و لا قوة الا بالله العلي العظيم
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا ا-(سورة بنى اسرائيل-২৪)
চতুর্থ তারাবীর দু’আ
হে আলাহ! আজকে রমজানের রহমত অংশের শেষ দিন। আমরা কতটুকু তোমার রহমত পেয়েছি জানিনা। আলাহ রমাজনের এই রহমত অংশের অসিলায়, তোমার রহীম-রহমান নামের অসিলায় আমাদের প্রতি তুমি খাস করে রহমত নাযিল কর।
সকল রোজাদারের প্রতি তুমি রহমত কর।
যারা শরীয়ত সম্মত ওজর সাপেক্ষে রোজা রাখতে পারে নাই তাদের প্রতিও তুমি রহমত কর।
এই মসজিদে যারা হাজির আছে তাদের প্রতি রহমত কর।
আর যারা বিভিন্ন ডিউটির কারণে মসজিদে হাজির হতে পারে নাই তাদের প্রতি রহমত কর।
যারা জীবিত আছে তাদেরকে রহমত কর।
আর যারা ইতিমধ্যে এন্তেকাল করেছেন তাদেরকে রহমত কর।
আমাদের পিতামাতার প্রতি রহমত কর।
আমাদের সন্তান-সন্ততীর প্রতি তুমি রহমত কর।
আমাদের পরিবারে তুমি রহমত কর।
আমাদের সমাজে রহমত কর।
আমাদের দেশের প্রতি রহমত কর।
আমাদের এই ডিভিশনের প্রতি তুমি রহমত কর।
আমাদের সেনাবাহিনীর প্রতি তুমি রহমত কর।
তোমার সকল বান্দাদেরকে তুমি তোমার রহমতের চাদরে আচ্ছন্ন করে নাও।
ষষ্ঠ তারাবীর দু’আ
হে আমাদের পরওয়ারদিগার! ইতিমধ্যে আমরা যে কয়টি রোজা পালক করে এসেছি সেকয়টি রোজা তুমি কবূল করে নাও।
আর যে কয়টি রোজা আমাদের সামনে আছে সেগুলি সুষ্ঠু সুন্দর ভাবে পালন করার তৌফিক দাও।
আলাহ! এই বড় দিনের রোজা তোমার রোজাদার বান্দাদের জন্য সহজ করে দাও।
সবাইকে ধৈর্য্য ও সহিঞ্চুতা দান কর।
তাদেরকে রোজা পবিত্রতা রক্ষা করার তৌফিক দাও।
ক্ষুধা পেটে থাকলে যারা বিভিন্ন প্রকারের উপসর্গের সম্মুখিন হন তাদেরকে রহমত কর।
তাদের উপসর্গগুলি দূর করে দাও।
তাদেরকে সুস্থ্য করে দাও।
যারা এখনও পর্যন্ত রোজা রাখে নাই তাদেরকে রোজার ফরযিয়াতের গুরুত্ব উপলব্ধি করার তৌফিক দান।
আলাহ আমাদের সকলকে খাস করে রহমত কর।
সপ্তম তারাবীর দু’আ
যাদের ভাল কাজে আগ্রহ আছে তাদেরকে রমজান মাসে তোমার পক্ষ থেকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়। আর যারা খারাপ কাজে আসক্ত তাদেরকে সংযত হতে আহবান জানানো হয়।
হে আলাহ! আমরা সকলেই ভাল কাজের প্রতি আগ্রহী, আমাদেরকে রমজান মাসে এগিয়ে আসার তৌফিক দান কর।
আমাদেরকে বেশি বেশি করে ভাল কাজ করার তৌফিক দান কর।
ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে আমাদেরকে কল্যাণকর, মঙ্গলজনক ও গঠনমূলক কাজ করার তৌফিক দান কর।
ইতিমধ্যে তোমার যে সব বান্দারা রমজানকে ঘিরে ভাল ভাল কাজ, সওয়াবের কাজ ও অন্যান্য বারতি এবাদত বন্দেগী করেছে সেগুলি তুমি কবূল করে নাও।
এখন পর্যন্ত যাদের অন্তরে ভাল কাজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয় নাই তাদেরকে ভাল কাজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করে দাও।
হে আলাহ! যারা খারাপ কাজের প্রতি আসক্ত তাদেরকে এই রমজান মাসে সংযত হওয়ার তৌফিক দান কর।
সব ধরনের খারাপ কাজ, পাপ ও অপরাধমূলক কাজ থেকে বিরত থাকার তৌফিক দান কর।
ইতিমধ্যে নফছের তারণায় যারা খারাপ কাজ করে ফেলেছেন তাদেরকে তুমি ক্ষমা করে দাও।
মাগফিরাতের প্রথম দিনের দু’আ
হে আলাহ ! আজকে মাগফিরাতের প্রথম দিন। আমাদের সকলের গুনাহ-খাতা মাফ করে দাও।
আলাহ ! আমরা শয়তানের প্ররোচনায়, নফসের কু-মন্ত্রণায় জীবনে বহু গুনাহ-খাতা করেছি, গুনাহর সাগরে হাবু-ডুবু খাচ্ছি। মাহে রমজানের মাগফিরাত অংশের অসিলায়, তোমার গাফুর-গাফ্ফার নামের অসিলায় এই মসজিদে উপস্থিত সকল মুসলিদেরকে তুমি মাফ করে দাও।
যারা বিভিন্ন কর্তব্যে নিয়োজিত থাকার কারণে মসজিদে হাজির হতে পারে নাই তাদেরকেও তুমি মাফ করে দাও।
আমরা যারা রোজা রয়েছি তাদেরকে মাফ করে দাও।
আর যারা শরীয়ত সম্মত ওজর সাপেক্ষে রোজ রাখতে পারে নাই তাদেরকেও তুমি মাফ করে দাও।
যারা এই দুনিয়াতে বেঁচে আছে তাদেরকে মাফ করে দাও।
যারা ইতিমধ্যেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন তাদেরকে মাফ করে দাও।
১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা দেশের জন্য যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদেরকে মাফ করে দাও।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে যারা মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছেন তাদেরকে মাফ করে দাও।
আমাদের পিতা-মাতা, দাদা-দাদি, নানা-নানি, শ্বশুর-শ্বাশুরী ও অন্যান্য নিকটাত্মীয়-স্বজনকে তুমি মাফ করে দাও।
আমাদের বেশ কিছু সহকর্মী ইতিমধ্যে কবরের বাসিন্দা হয়েছেন কেউ পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছেন, কেউ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে এন্তেকাল করেছেন, কেউবা দুর্ঘটনার কবলে পরে এন্তেকাল করেছেন, আমাদের কিছু সহকর্মী পিলখানা ট্রাজেডীতে এন্তেকাল করেছেন। আলাহ ! যে যেখানেই এন্তেকাল করুকনা কেন তুমি সকলকেই মাফ করে দাও। সকলের জন্য জান্নাতের ফয়সালা করে দাও।
২১শে নভে: সশস্ত্রবাহিনী দিবস
মোনাজাত
মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনী এবং সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধা ও জনগনের শ্রমকে কবুল করুণ।
স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা ইন্তেকাল করেছেন তাদেরকে শহীদের মর্যাদা দান করুণ।
যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবার যেন সাফল্যের সাথে দিনাতিপাত করতে পারে সেই তাওফিক দান করুণ।
দক্ষতা ও সাফল্যের সাথে জাতি গঠণ মূলক কাজে সর্বোপরি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সশস্ত্র বাহিনী যেন সুনাম ও যুগ্যোতার সাথে কাজ করতে পারে সেই তাওফিক দান করুণ।
মাতৃভূমির অখন্ডতা রক্ষায় আমাদের বাহু আরো শক্তিশালী করুণ।
আমাদের অকুতোভয় সেনানীরা যেন নিজেদের ঐতিহ্যকে আরো স্বমুন্নত রাখতে পারে সেই তাওফিক দান করুণ।
১৬ ডিসেম্বর: মহান বিজয় দিবস
যাদের আতœত্যাগের অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা সেই সব বীর শহীদদের সাহাদাত হিসেবে কবুল করুণ।
যারা স্বাধীনতা পরবর্তীতে মাতৃভূমির অখন্ডতা রক্ষা এবং জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে শহীদ হয়েছেন তাদেরকে শহীদের মর্যাদা দান করুণ।
যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবার যেন সাফল্যের সাথে দিনাতিপাত করতে পারে সেই তাওফিক দান করুণ।
দক্ষতা ও সাফল্যের সাথে জাতি গঠণ মূলক কাজে সর্বোপরি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সশস্ত্র বাহিনী যেন সুনাম ও যুগ্যোতার সাথে কাজ করতে পারে সেই তাওফিক দান করুণ।
মাতৃভূমির অখন্ডতা রক্ষায় আমাদের বাহু আরো শক্তিশালী করুণ।
আমাদের অকুতোভয় সেনানীরা যেন নিজেদের ঐতিহ্যকে আরো স্বমুন্নত রাখতে পারে সেই তাওফিক দান করুণ।
২১ শে ফেব্র“য়ারী “ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক ভাতৃভাষা দিবস”
আজ ২১ ফেব্র“য়ারী ......সাল, আজ “ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক ভাতৃভাষা দিবস”। বাঙ্গালী জাতীর ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্বরণীয় দিন ২১ শে ফেব্র“য়ারী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের রক্তে রাঙ্গা এদিন। এ দিনে আমারা স্মরণ করি জাতির সেই বীর সন্তানদের যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন। সালাম রফিক জব্বার শফিউর ও বরকত সহ নাম না জানা আরো অনেককে।
ঐতিহাসিক পটভ‚মিঃ
১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট ভারত বিভক্তির মাধ্যমে পূর্ব (বর্তমান বাংলাদেশ) ও পশ্চিম পাকিস্তান নিয়ে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পাকিস্তানি শাসকরা আমাদের উপর উর্দু ভাষা চাপিয়ে দিতে চেষ্টা করে। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারের মিঃ জিন্নাহ ঢাকায় আসেন। তিনি রমনা রেসকোর্স মাঠে এক জনসভায় ঘোষনা করেন পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা হবে একমাত্র উর্দু। তিনি ঘোষনা করেন, "টৎফঁ ধহফ টৎফঁ ংযধষষ নব ঃযব ড়হষু ংঃধঃব ষধহমঁধমব ড়ভ চধশরংঃধহ" এ ঘোাষনায় বাংলার মানুষ সে দিন তীব্র প্রতিবাদ জানায়। তারা উচ্চ কণ্ঠে বলে এটা কেউ মেনে নিবোনা, কারণ তৎকালীন পাকিস্তানের দুই-তৃতীয়াংশ অধিবাসী পূর্ববাংলার। তাদের মাতৃভাষা বাংলা।
১৯৫২ সালে চুড়ান্ত রূপ প্রকাশিত হয়। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর খাজা নাজিম উদ্দিন পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এসে ঘোষণা করেন, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এখবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে ছাত্র সমাজ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। সরকার আন্দোলন দমন করার জন্য রাস্তায় সৈণ্য মোতায়েন করে ও ১৪৪ ধারা জারি করে। ফলে ছাত্ররা আরো বিক্ষুব্ধ হয়ে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে। নিরস্ত্র ছাত্রদের উপর পুলিশ গুলি চালায়। এতে শহীদ হয় সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার সহ নাম না জানা আরো অনেকে। পরবর্তীতে আন্দোলনের চাপে ১৯৫৬ সালে বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়। ২১ শে ফেব্র“য়ারী এখন শুধু বাংলাদেশের ভাষা দিবস নয় বরং সারা বিশ্বের ১৯৩ টি দেশের জন্য আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃত। ১৯৯৯ সালের ১৭ ই নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০ তম সাধারণ সম্মেলনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। তখন থেকে ইউনেস্কোর সদস্য ভ‚ক্ত পৃথিবীর সব ভাষাভাষী মানুষ এ দিবসটি পালন করছে। এটা আমাদের জন্য বড় অর্জন এবং বিশাল সম্মান বয়ে এনেছে। আমরা আজ ভাষা শহীদদের মাগফিরাত কামনা করে মহান প্রভুর দরবাবে প্রার্থনাত করব।
২১ শে ফেব্রুয়ারী ঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৪
যাদের আতœত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের মাতৃভাষা ও স্বাধীনতা সেই সব বীর শহীদদের, শহীদ হিসেবে কবুল করুণ।
যারা ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে পরবর্তীতে মাতৃভূমির অখন্ডতা রক্ষায় শহীদ হয়েছেন তাদেরকে শহীদের মর্যাদা দান করুণ।
শান্তি ও সহমর্মিতার জন্য যারা লড়াই করে বেচে আছেন তাদেরকে সুন্দর জীবন ও সু-সাস্থ্য দান করুণ।
শহীদ পরিবার এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা যেন সাফল্যের সাথে দিনাতিপাত করতে পারে সেই তাওফিক দান করুণ।
দক্ষতা ও সাফল্যের সাথে জাতি গঠণ মূলক কাজে সর্বোপরি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সশস্ত্র বাহিনীকে আরোও সুদক্ষ, সুশৃংখল সু-প্রশিক্ষিত শক্তি সাহস ও দৃঢ়মনোবল দান করে উত্তরোত্তর সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জনের তাওফিক দান করুণ।
মাতৃভূমির অখন্ডতা রক্ষায় আমাদের সবাইকে শান্তির পরশে থেকে দেশ ও মাতৃকার সেবা করার তাওফীক দান করুণ।
জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলায় এবং আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা মিশনের কার্যক্রমে নিজেদের আন্তরিকতা কর্তব্যনিষ্টা ও দক্ষতার মান বৃদ্ধি করার তাওফিক দান করুণ।
গুণগত প্রশিক্ষণ এবং দৃঢ়মনোবল দ্বারা স্বাধীনতার সুনাম অক্ষুন্ন রাখার তাওফিক দান করুণ।
মাতৃভূমির অখন্ডতা রক্ষায় যে কোন ধরণের হুমকির মোকাবিলায় দৃঢ়পেেদ অগ্রসর হওয়ার তাওফিক দান করুণ।
আমাদের অকুতোভয় সেনানীরা যেন সম্মান মর্যাদা দক্ষতা আমানত ও সাফল্যের সাথে জাতি গঠনমূলক কাজে সর্বোপরি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুনাম ও যুগ্যোতার সাথে নিজেদের ঐতিহ্যকে স্বমুন্নত রাখতে পারে সেই তাওফিক দান করুণ।
আমাদের সবাইকে যাবতীয় ক্লান্তি অবসাদ দুর্বলতা, ভীরুতা অকল্যাণ অমঙ্গল বালা মসিবত প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে হিফাযত করুণ।
আমাদের উপর আপনার খাছ রহমত, বরকত ও করুণা নাযিল করুণ।
সীমিত
সেনাসদর
এজি শাখা
পিএস পরিদপ্তর
ঢাকা সেনানিবাস
তারালাপনীঃ সামরিক-২৫১২
২১ মাঘ ১৪২০
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪
৩০১৫/৭/এ/পিএস-২
২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তর, পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকান্ডে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শহীদ সেনাসদস্যদের শাহাদতবার্ষিকী পালন প্রসঙ্গে
বরাতঃ
ক। সেনাসদর, এজি শাখা, পিএস পরিদপ্তর পত্র নং ৩০১৫/৭/এ/পিএস-২ তারিখ ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
১। সাধারণঃ গত ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে ঢকায় পিলখানাস্থ বিজিবি (পূর্বতন বিডিআর) সদর দপ্তরে কতিপয় উশৃঙ্খল বিপথগামী বিডিআর সদস্য দ্বারা সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকান্ডে বাংলাদেশ সেনাবহিনীর উলেখযোগ্য সংখ্যক দক্ষ, সুযোগ্য, অভিজ্ঞ, মেধাবী ও চৌকস অফিসার, তাদের পরিবারের কয়েকজন সদস্য এবং একজন সৈনিক শাহাদতবরণ করেন। উক্ত শহীদদের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ (মঙ্গল বার) তারিখে যথাযোগ্য মর্যাদায় সেনাবাহিনীতে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হবে।
৫। দোয়া ও মোনাজাত। নীরবতা পালন শেষে শহীদদের আতœার মাগফিরাত কামন করে দোয়া ও মোনাজাত করা হবে। ষ্টেশন সদর দপ্তর ঢাকা কর্তৃক ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ পূর্বক দোয়া পরিচালনার ব্যবস্থা করা হবে। দোয়া ও মোনাজাতের কপি ক্রোড়পত্র ক হিসেব সংযুক্ত করা হলো।
ক্রোড়পত্র ক
সেনাসদর, এজি শাখা, পিএস পরিদপ্তর
পত্র নং ৩০১৫/৭/এ/পিএস-২
তারিখ ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪
সহীদ সেনাসদস্যদের শাহাদত বার্ষিকীতে পু¯পস্তবক অর্পণের সময় ধর্মীয় শিক্ষক কর্তৃক পরিচালিত পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত, তরজমা, দোয়া পাঠ এবং মোনাজাত
(নিš§লিখিত পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, তরজমা ও হাদিস পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হবে)
অর্থসহ কুরআন তিলাওয়াত
“হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা সর্বদা ধৈর্যধারণ ও সালাত কায়েমের মাধ্যমে মহান আলাহ্র নিকট সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চিয় মহান আলাহ্ ধৈর্য্যশীলদের সাথে রয়েছেন। আর যারা মহান আলাহ্র পথে নিহত হন, তোমরা তাঁদের মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত, কিন্তূ তোমরা বুঝতে পারো না।” (সূরা বাকারা ঃ ১৫৩-১৫৪)
হাদীস পাঠ
“তোমরা কবর জিয়ারত কর, এতে তোমাদের মৃত্যু ও পরকালের কথা মনে হবে” (মেশকাত শরিফ)
দোয়া
প্রত্যেকেই মনে মনে পাঠ করবোঃ
ক। সূরা ফাতিহা ০১ বার
খ। সূরা ইখলাস ০৩ বার
গ। দরুদ শরীফ ০১ বার
মোনাজাত
১।
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ ﴿البقرة: ٢٠١﴾
২। হে আলাহ্, আমাদের তিলাওয়াত, দোয়া-মোনাজাত এবং নেক আমল সমূহ কবুল করুন। আমাদের কৃত নেক আমল সমূহের ছওয়াব বহুগুন বৃদ্ধি করে মহানবী (সাঃ) এর রওজা পাকে পৌছে দিন। পিলখানায় শাহাদত বরণকারী শহীদগণ এবং হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় শাহাদৎ বরণকারী শদীগণের আমলনামায় সওয়াব সমূহ পৌছে দিন।
৩। ইয়া রববাল আলামীন, এই কবরস্থানে শায়ীত কবরবাসীগনের আমল নাময় আমাদের কৃত নেক আমল সমূহের সওয়াব পৌছে দিন। তাদের কবরগুলোকে জান্নাতের নূর দ্বারা আলোকিত করে দিন।
৪। শহীদগণের পরকালীন জীবনকে শান্তিময় করে দিন। তাঁদের ভুল ত্র“টি মাফ করে সকলকে চির শান্তির জান্নতুল ফিরদাউস দান করুন।
৫। হে দয়াময় আলাহ্, শহীদগণের ˉ¿ী, ছেলে-মেয়ে, মা-বাবা, ভাই-বোন, আতœীয়-স্বজন, সহকর্মী-গুনগ্রাহী সকলকে হেফাজত করুন। সকলকে সর্বদা সবর করার তওফিক দান করুন। আমাদের সকলের প্রতি রহমতের ছায়া বিস্তার করে দিন।
৬। ইয়া রহমানুর রহীম, দেশে-বিদেশে কর্মরত ও নিয়োজিত বাংলাদেশ সশˉ¿ বাহিনীর সকল সদস্যগণের প্রতি রহমত দান করে তাদের জান-মালের হিফাজত করুন।
৭। আমাদের দেশে সার্বিক শান্তি ও সমৃদ্ধি দান করুন এবং আমাদের দেশকে ও দেশবাসীকে হিফাজত করুন।
৮। হে আলাহ্ আমাদের ভুল ত্র“টি মাফ করুন। আমাদের দোয়া কবুল করুন।
رب ارحما
وسلام علي مرسلين عالمين
খতম-তারাবী ও লাইলাতুল-ক্বদরের মুনাজাত
সওয়াব রেসানীঃ
হে আলাহ ! তারাবীর নামাজের মধ্য দিয়ে আজকে আমাদের কালামুলাহ শরীফ খতম হল। অনিচ্ছা জনিত ভুল-ত্র“টি মাফ করে এই খতমটি তুমি কবূল করে নাও।
এর সওয়াব আমাদের নবী পাকের রওজা মোবারকে পৌঁছে দাও।
পূর্ববর্তী সকল আম্বিয়া (আ :) ও তাদের আসহাবগণের কবরে পৌঁছে দাও।
অতীতে তোমার পছন্দনীয় যে সমস্ত বান্দাগণ গুজরে গেছেন তাদের কবরে পৌঁছে দাও।
বিশেষ করে আমরা কষ্ট করে যারা খতমে কোরআন শুনেছি, আমাদের আমলনামায় ও আমাদের পিতা-মাতা, দাদা-দাদি, নানা-নানি ও অন্যান্য নিকটজনদের আমলনামায় এর সওয়াব পৌঁছে দাও।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যে সব সদস্য বিভিন্ন সময় এন্তেকাল করেছেন তাদের কবরে পৌছে দাও।
স্বাধীনতা যুদ্ধে ও ভাষা আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের কবরে পৌঁছে দাও।
ক্ষমা প্রার্থনা
এই খতমে কোরআনের অসিলায় উলিখিত সকলের গুনা-খাতা মাফ করে দাও।
হেদায়েতের দু’আ
এই কোরআনে তুমি যা আদেশ করেছ আমাদের তা মেনে চলার তৌফিক দান কর,
আর যা নিষেধ করেছ তা পরিহার করার তৌফিক দাও।
কোরআনের অলৌকিক ফয়েজ, বরকত ও আকর্ষণ আমাদের নসীব কর।
প্রতিটি মুসলামানের ঘরে ঘরে কোরআনের আলো জ্বালিয়ে দাও।
আমরা যে কোরআনের ভক্ত ও অনুসারী কিয়ামতের দিনে কোরআনকেই তার সাক্ষী ও দলীল বানিয়ে দিও।
আমাদের কোরআন ভিত্তিক জীবন গড়ার তৌফিক দাও।
হাফেজদের জন্য দু’আ
আমাদের হাফেজ সাহেবগণকে তুমি কবূল করে নাও।
তাদেরকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ রাখ।
স্মরণ শক্তি, মেধা শক্তি, ইয়াদ শক্তি বৃদ্ধি করে দাও।
তাদেরকে সম্মানজনক জীবন ও সম্মান জীবিকা দান কর।
সবাইকে হক্কানী আলেম হিসেবে কবূল করে নাও।
ক্বদরের দু’আ
হে আলাহ ! আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর।
সারা বিশ্বের সকল মুসলমানকে লাইলাতুল কদরের ফজিলত, গুরুত্ব ও তাৎপর্য উপলিব্ধি করার তৌফিক দান কর।
এ রাতে তোমার বান্দারা যে যতটুকু ইবাদত-বন্দেগী করবে সেগুলো তুমি কবুল করে নাও।
কদরের রাত্রি ভাল মন্দ ফয়সালার রাত্রি। আলাহ আমাদের ব্যক্তি, পরিবার, ও সমাজ জীবনে এবং ধর্ম ও কর্ম জীবনে, দেশ, জাতী এবং সেনাবাহিনীর জন্য যা ভাল, উত্তম, কল্যাণকর, মঙ্গলজনক তাই আমাদেরকে দান কর।
আর যা মন্দ, খারাপ, অকল্যাণকর তা থেকে আমাদেরকে নিস্কৃতি দান কর।
আজ সব ধরণের দরখাস্ত মঞ্জুর করার রাত। হে আলাহ তোমার বান্দারা আজ রাত্রে তোমার কাছে যা কিছু দরখাস্ত পেশ করবে তুমি মঞ্জুর করে নিও।
অভাবীর অভাব দূর করে দিও, বিপদগ্রস্থকে বিপদমুক্ত কর, রোগগ্রস্থকে আরোগ্য দান কর, নিঃসন্তানকে সন্তান দাও।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দক্ষ ও শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে বকুল করে নাও। দেশে-বিদেশে কর্মরত এ বাহিনীর সকল সদস্যকে তুমি জানে মালে হেফাযত কর।
আমাদের এই বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভরতা অর্জনের তৌফিক দাও। দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দান কর। যারা সন্ত্রাস ও দূর্নীতির মাধ্যমে দেশের শান্তি বিনষ্ট করে তুমি তাদেরকে বুঝ দাও ও হেদায়েত দাও।
দেশের সকল নাগরিককে অব্যাহত সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি, উন্নতি, অগ্রগতি দান কর।
(কোন স্থাপনার উদ্বোধনী মুনাজাত)
উপস্থাপনা
ইয়া আলাহ! মাননীয় ------- মহোদয় এই মুহুর্তে ------- নামক যে স্থাপনাটির উদ্বোধন করলেন তা তুমি কবূল করে নাও।
মঙ্গল ও দীর্ঘস্থায়ীত্ব কামনা
১। এর প্রতি অবারিত ধারায় রহমত ও বরকত নাযিল কর।
২। এই স্থাপনাকে যাবতীয় বালা-মসীবত থেকে হেফাযত কর।
৩। সকল প্রকারের অকল্যাণ ও অমঙ্গল এ থেকে দূর করে দাও।
৪। দীর্ঘদিন পর্যন্ত এর টিকসই, মজবুতী ও দীর্ঘস্থায়ীত্ব দান কর।
৫। আমাদেরকে এর সঠিক ব্যবহার ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করার তৌফিক দান কর।
আস্থা অবিচলের প্রতি প্রত্যাশা
১। যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, ---------ইউনিটের সে মহতী উদ্দোগকে সফল ও সার্থক করার তৌফিক দান কর।
২। ১১ পদাতিক ডিভিশন ও বগুড়া এরিয়ার সকল প্রশিক্ষণার্থীগণ যেন (আস্থা অবিচলের সহায়তায়) প্রশিক্ষণে পারদর্শিতা ও উৎকর্ষতা অর্জন করে, তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে সমাধা করতে পারে সেই তৌফিক দান কর।
৩। ভবিষ্যতে এই ধরণের কল্যাণকর মহতী উদ্দোগকে তুমি আরও গতিশীলতা দান কর।
উদ্দেক্তাদের জন্য দু’আ
এরূপ মহতী কাজের উদ্দোগ যারা গ্রহণ করেছেন, পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন, আর্ধিক যোগান দিয়েছেন এবং এটি সমাধা করতে ওয়ার্কিং করেছেন তাদেরকে উত্তম জাযা দান কর। তাদের প্রতি তোমার রহমত নাযিল কর।
সেনাবাহিনীর জন্য
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি খাস রহমত ও বরকত নাযিল কর।
(দেশে-বিদেশে) আমাদের যে সম্মান ও অর্জিত মর্যাদা রয়েছে, এ স্থাপনায় সুষ্ঠু ও সুপরিকল্পনার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতিটি সেনাসদস্য যাতে সেনাবাহিনীর সেই সম্মান ও গৌরব অক্ষুণœ রাখতে,
এবং আগামীতে তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে সেই তৌফিক দান কর।
আস্থা অবিচল এর উদ্বোধন পূর্ব মুনাজাত
১। ইয়া আলাহ! মাননীয় সেনা প্রধান মহোদয় এই মুহুর্তে আস্থা অবিচল নামক যে ট্রেনিং গ্রাইন্ডটি উদ্বোধন করলেন তা তুমি কবূল করে নাও।
২। যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে আস্থা অবিচল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ১১ পদাতিক ডিভিশনের সে মহতী উদ্দোগকে তুমি সফল ও সার্থক করার তৌফিক দান কর।
৩। ১১ পদাতিক ডিভিশন ও বগুড়া এরিয়ার সকল প্রশিক্ষণার্থীগণ যেন প্রশিক্ষণে পারদর্শিতা ও উৎকর্ষতা অর্জন করে, তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে সমাধা করতে পারে সেই তৌফিক দান কর।
৪। ভবিষ্যতে এই ধরণের কল্যাণকর মহতী উদ্দোগকে তুমি আরও গতিশীলতা দান কর।
৫। এই স্থাপনাকে যাবতীয় বালা-মসীবত থেকে হেফাযত কর।
৬। সকল প্রকারের অকল্যাণ ও অমঙ্গল এ থেকে দূর করে দাও।
৭। দীর্ঘকাল পর্যন্ত একে টিকসই, মজবুতী ও স্থায়ীত্ব দান কর।
৮। আমাদেরকে এর সঠিক ব্যবহার ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করার তৌফিক দান কর।
৯। এরূপ মহতী কাজের উদ্দোগ যারা গ্রহণ করেছেন, পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন, সর্বোপরি আজ থেকে এখানে যারা প্রশিক্ষণ গ্রহন করবেন তাদের প্রতি তোমার রহমত নাযিল কর।
১১। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি খাস রহমত ও বরকত নাযিল কর।
১২। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যে সুনাম ও মর্যাদা রয়েছে, এই ট্রেনিং গ্রাইন্ডের সুষ্ঠু ও সুপরিকল্পনার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতিটি সেনাসদস্য যাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেই সুনাম ও মর্যাদা অক্ষুণœ রাখতে,
১৩। এবং আগামীতে তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে সেই তৌফিক দান কর।
জাতির জনক বঙ্গুবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯২ তম জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস ২০১৩ ইং উপলক্ষ্যে বিশেষ মোনাজাত
(ফজরের নামাজের পর)
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ ﴿الأعراف: ٢٣﴾
২। ইয়া ইলাহাল আলামীন ! আজ ১৭ ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গুবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯২ তম জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস ২০১৩ ইং উপলক্ষ্যে আয়োজিত মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার অনুষ্ঠানকে কবুল ও মুনজুর করে নিন। এ উপলক্ষ্যে ইসতিগফার, তেলাওয়াত, দরুদ ও সালাম যা কিছু পাঠ করা হয়েছে, তা কবুল করে নিয়ে আমাদের সকলের জীবনের তামাম গুনাহ গুলো মাফ করে দিন। এর যা সাওয়াব হয় তা অসংখ্য গুণ বৃদ্ধি করে দিয়ে আমাদের প্রিয় নবী (সাঃ)-এর আরওয়াহ মোবারকে পৌছিয়ে দিন। তামাম বিশ্বের যত মুমিন-মুমিনাত ইন্তেকাল করেছেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যত সদস্য শাহাদত বরণ করেছেন সকলের আরওয়াহ মোবারকে এর সাওয়াব পৌছিয়ে দিন। বিশেষ করে আমাদের স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের উপর এর সওয়াব পৌছিয়ে দিন।
৩। ইয়া রাব্বাল আলামীন ! আজকের এ দিবসে আমরা পরম শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করছি আমাদের স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। কিছু বিপদগামী ব্যক্তির হাতে শাহাদাৎ বরণ করেছেন। আমরা আপনার নিকট তার আতœার মাগফেরাত ও সর্বোচ্চ মর্যাদা কামনা করছি। মেহেরবাণী করে তার জীবনের যাবতীয় ভূল-ত্রæটি গুলো ক্ষমা করে শাহাদাতের পরিপূর্ণ মর্যাদা দান করুণ। তার জীবনের সকল গুনাহ গুলো মাফ করে দিন। তার কবরকে জান্নাতের টুকরায় পরিণত করে দিন। তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করে দিন।
৪। ইয়া আল্লাহ্ ! এ ছাড়াও জাতির জনকের পরিবারের সদস্য এবং সহকর্মী যারা তিনার সাথে শাহাদৎ বরণ করেছেন। তাদের প্রত্যেকের জীবনের যাবতীয় ত্রæটি-বিচ্যুতিগুলো ক্ষমা করে শাহাদাতের পরিপূর্ণ মর্যাদা দান করুণ।
৫। হে আল্লাহ ! তার ত্যাগ ও প্রচেষ্টায় আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি তা কিয়ামত পর্যন্ত সুরক্ষিত রাখুন। এ প্রিয় জন্মভূমির ভালবাসায় এবং স্বাধীনতা ও সার্বোভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখার জন্য সবাইকে শান্তির পরশে থেকে দেশের কল্যাণার্থে এক যোগে কাজ করার তৌফিক দান করুণ।
৬। ইয়া পরওয়ারদিগারে আলম ! তিনার পরিবারের সদস্য যারা জীবিত আছেন তাদেরকে حياة طيبة ও সু-সাস্থ্য দান করুণ। এই শোক সন্তপ্ত পরিবারের উপর আপনার খাছ রহমত, বরকত ও করুণা নাযিল করুণ। তাদেরকে যাবতীয় বিপদ, আপদ ও মসিবত থেকে হিফাযত করুণ।
৭। ইয়া মাবুদ-মাওলা ! আজকের এই শিশু দিবসকে কবুল করুণ। আমাদের দেশের সকল শিশুর উপর আপনার খাছ রহমত, বরকত ও করুণা নাযিল করুণ। যাবতীয় রোগ-ব্যাধি, দুর্ঘটনা, অপমৃত্যু ও অকাল মৃত্যু থেকে তাদেরকে হিফাযত করুণ। প্রতিটি শিশুর জন্যে শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ যাবতীয় সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করার তাওফিক দান করুণ। আজকের শিশুরা জাতির আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, তাই প্রতিটি শিশুকে দেশ ও মানুষের ভবিষ্যৎ আদর্শ কর্ণধার হিসেবে গড়ে উঠার তাওফিক দান করুণ। আপনার সুন্দর সুন্দর নামের অসিলায় আমাদের আজকের এই দোয়া ও মোনাজাতকে কবুল করুণ।
رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿البقرة: ١٢٧﴾ وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ ﴿البقرة: ١٢٨﴾
জাতির জনক বঙ্গুবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৩ তম জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস ২০১৩ ইং উপলক্ষ্যে বিশেষ মোনাজাত
(ফজরের নামাজের পর)
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ ﴿الأعراف: ٢٣﴾
২। ইয়া ইলাহাল আলামীন ! আজ ১৭ ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গুবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৩ তম জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস ২০১৩ ইং উপলক্ষ্যে আয়োজিত মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার অনুষ্ঠানকে কবুল ও মুনজুর করে নিন। এ উপলক্ষ্যে ইসতিগফার, তেলাওয়াত, দরুদ ও সালাম যা কিছু পাঠ করা হয়েছে, তা কবুল করে নিয়ে আমাদের সকলের জীবনের তামাম গুনাহ গুলো মাফ করে দিন। এর যা সাওয়াব হয় তা অসংখ্য গুণ বৃদ্ধি করে দিয়ে আমাদের প্রিয় নবী (সাঃ)-এর আরওয়াহ মোবারকে পৌছিয়ে দিন। তামাম বিশ্বের যত মুমিন-মুমিনাত ইন্তেকাল করেছেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যত সদস্য শাহাদত বরণ করেছেন সকলের আরওয়াহ মোবারকে এর সাওয়াব পৌছিয়ে দিন। বিশেষ করে আমাদের স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের উপর এর সওয়াব পৌছিয়ে দিন।
৩। ইয়া রাব্বাল আলামীন ! আজকের এ দিবসে আমরা পরম শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করছি আমাদের স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। কিছু বিপদগামী ব্যক্তির হাতে শাহাদাৎ বরণ করেছেন। আমরা আপনার নিকট তার আতœার মাগফেরাত ও সর্বোচ্চ মর্যাদা কামনা করছি। মেহেরবাণী করে তার জীবনের যাবতীয় ভূল-ত্রæটি গুলো ক্ষমা করে শাহাদাতের পরিপূর্ণ মর্যাদা দান করুণ। তার জীবনের সকল গুনাহ গুলো মাফ করে দিন। তার কবরকে জান্নাতের টুকরায় পরিণত করে দিন। তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করে দিন।
৪। ইয়া আল্লাহ্ ! এ ছাড়াও জাতির জনকের পরিবারের সদস্য যারা তিনার সাথে শাহাদৎ বরণ করেছেন। তাদের প্রত্যেকের জীবনের যাবতীয় ত্রæটি-বিচ্যুতিগুলো ক্ষমা করে শাহাদাতের পরিপূর্ণ মর্যাদা দান করুণ।
৫। হে আল্লাহ ! তার ত্যাগ ও প্রচেষ্টায় আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি তা কিয়ামত পর্যন্ত অক্ষুন্ন রাখুন। এ প্রিয় জন্মভূমির ভালবাসায় এবং স্বাধীনতা ও সার্বোভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখার জন্য সবাইকে শান্তির পরশে থেকে দেশের কল্যাণার্থে এক যোগে কাজ করার তৌফিক দান করুণ।
৬। ইয়া পরওয়ারদিগারে আলম ! তিনার পরিবারের সদস্য যারা জীবিত আছেন তাদেরকে حياة طيبة ও সু-সাস্থ্য দান করুণ। এই শোক সন্তপ্ত পরিবারের উপর আপনার খাছ রহমত, বরকত ও করুণা নাযিল করুণ। তাদেরকে যাবতীয় বিপদ, আপদ ও মসিবত থেকে হিফাযত করুণ।
৭। ইয়া মাবুদ-মাওলা ! আজকের এই শিশু দিবসকে কবুল করুণ। আমাদের দেশের সকল শিশুর উপর আপনার খাছ রহমত, বরকত ও করুণা নাযিল করুণ। যাবতীয় রোগ-ব্যাধি ও দুর্ঘটনা থেকে তাদেরকে হিফাযত করুণ। প্রতিটি শিশুর জন্যে শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ যাবতীয় সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করার তাওফিক দান করুণ। আজকের শিশুরা জাতির আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, তাই প্রতিটি শিশুকে দেশ ও মানুষের ভবিষ্যৎ আদর্শ কর্ণধার হিসেবে গড়ে উঠার তাওফিক দান করুণ। আপনার সুন্দর সুন্দর নামের অসিলায় আমাদের আজকের দোয়া ও মোনাজাতকে কবুল করুণ।
رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿البقرة: ١٢٧﴾ وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ ﴿البقرة: ١٢٨﴾
মূত্যু থেকে কিছু কথা লেখা যেতে পারে কপি করুণ দ্রঃ
জাতির জনক বঙ্গুবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৪ তম জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস ২০১৪ ইং উপলক্ষ্যে বিশেষ মোনাজাত
(ফজরের নামাজের পর)
সম্মানিত উপস্থিতি! আমরা জানি আজ ১৭ ই মার্চ ২০১৪ ইং। জাতির জনক বঙ্গুবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৪ তম জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস ২০১৪ ইং । এ উপলক্ষ্যে আজকের এই আয়োজিত বিশেষ দোয়ার অনুষ্ঠান। তাই আমরা এখন প্রত্যেকেই মনে মনে পাঠ করবোঃ
ক। সূরা ফাতিহা ০১ বার
খ। সূরা ইখলাস ০৩ বার
গ। দরুদ শরীফ ০১ বার
মোনাজাত ঃ
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ ﴿الأعراف: ٢٣﴾
২। হে আলাহ্, আমাদের তিলাওয়াত, দোয়া-মোনাজাত এবং নেক আমল সমূহ কবুল করুন। আমাদের কৃত নেক আমল সমূহের ছওয়াব বহুগুন বৃদ্ধি করে মহানবী (সাঃ) এর রওজা পাকে পৌছে দিন। বিশেষ করে আমাদের স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের উপর এর সওয়াব পৌছিয়ে দিন।
৩। ইয়া রাব্বাল আলামীন ! আজকের এ দিবসে আমরা পরম শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করছি আমাদের স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। কিছু বিপদগামী ব্যক্তির হাতে শাহাদাৎ বরণ করেছেন। আমরা আপনার নিকট তার আতœার মাগফেরাত ও সর্বোচ্চ মর্যাদা কামনা করছি। মেহেরবাণী করে তার জীবনের যাবতীয় ভূল- ত্র“টি মাফ করে শাহাদাতের পরিপূর্ণ মর্যাদা দান করুণ। তার জীবনের সকল গুনাহ গুলো মাফ করে দিন। তার কবরকে জান্নাতের টুকরায় পরিণত করে দিন। তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করে দিন। তার পরকালীন জীবনকে শান্তিময় করে দিন।
৪। ইয়া আলাহ্ ! এ ছাড়াও জাতির জনকের পরিবারের সদস্য যারা তিনার সাথে শাহাদৎ বরণ করেছেন। তাদের প্রত্যেকের জীবনের যাবতীয় ত্র“টি-বিচ্যুতিগুলো ক্ষমা করে শাহাদাতের পরিপূর্ণ মর্যাদা দান করুণ।
৫। হে আলাহ ! তাদের ত্যাগ ও প্রচেষ্টায় আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি তা কিয়ামত পর্যন্ত অক্ষুন্ন রাখুন। এ প্রিয় জন্মভূমির ভালবাসায় এবং স্বাধীনতা ও সার্বোভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখার জন্য সবাইকে শান্তির পরশে থেকে দেশের কল্যাণার্থে এক যোগে কাজ করার তৌফিক দান করুণ।
৬। ইয়া পরওয়ারদিগারে আলম ! তিনার পরিবারের সদস্য যারা জীবিত আছেন তাদেরকে সু-সাস্থ্য দান করুণ। এই শোক সন্তপ্ত পরিবারের উপর আপনার খাছ রহমত, বরকত ও করুণা নাযিল করুণ। তাদেরকে যাবতীয় বিপদ, আপদ ও মসিবত থেকে হিফাযত করুণ।
৭। ইয়া মাবুদ-মাওলা ! আজকের এই শিশু দিবসকে কবুল করুণ। আমাদের দেশের সকল শিশুর উপর আপনার খাছ রহমত, বরকত ও করুণা নাযিল করুণ। যাবতীয় রোগ-ব্যাধি ও দুর্ঘটনা থেকে তাদেরকে হিফাযত করুণ। প্রতিটি শিশুর জন্যে শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ যাবতীয় সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করার তাওফিক দান করুণ। আজকের শিশুরা জাতির আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, তাই প্রতিটি শিশুকে দেশ ও মানুষের ভবিষ্যৎ আদর্শ কর্ণধার হিসেবে গড়ে উঠার তাওফিক দান করুণ।
হে আলাহ্ আমাদের ভুল ত্র“টি মাফ করুন। আমাদের দোয়া কবুল করুন।
رب ارحما
وسلام علي مرسلين عالمين
জাতীয় শোক দিবসের মুনাজাত (১৫ আগস্ট)
স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪০ তম শাহাদাত বার্ষিকী ২০১৫ ইং উপলক্ষ্যে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত
(ফজরের নামাজের পর)
সম্মানিত উপস্থিতি! আমরা জানি আজ ১৫ আগষ্ট ২০১৫ ইং। স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪০ তম শাহাদাত বার্ষিকী ২০১৫ ইং। এ উপলক্ষ্যে আজকের এই মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়ার অনুষ্ঠান। তাই আমরা এখন প্রত্যেকেই মনে মনে পাঠ করবোঃ
ক। সূরা ফাতিহা ০১ বার
খ। সূরা ইখলাস ০৩ বার
গ। দরুদ শরীফ ০১ বার
মোনাজাত ঃ
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ ﴿الأعراف: ٢٣﴾
২। ইয়া ইলাহাল আলামীন ! আজ ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস ২০১৫ ইং উপলক্ষ্যে আয়োজিত মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার অনুষ্ঠানকে কবুল ও মুনজুর করে নিন। এ উপলক্ষ্যে ইসতিগফার, তেলাওয়াত, দরুদ ও সালাম যা কিছু পাঠ করা হয়েছে, তা কবুল করে নিয়ে আমাদের সকলের জীবনের তামাম গুনাহ গুলো মাফ করে দিন। আমাদের কৃত নেক আমল সমূহের ছওয়াব বহুগুন বৃদ্ধি করে মহানবী (সাঃ) এর রওজা পাকে পৌছে দিন। তামাম বিশ্বের যত মুমিন-মুমিনাত ইন্তেকাল করেছেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যত সদস্য শাহাদত বরণ করেছেন সকলের আরওয়াহ মোবারকে এর সাওয়াব পৌছিয়ে দিন। বিশেষ করে আমাদের স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের উপর এর সওয়াব পৌছিয়ে দিন।
৩। ইয়া রাব্বাল আলামীন ! মেহেরবাণী করে তার জীবনের যাবতীয় ভূল-ত্র“টি গুলো ক্ষমা করে শাহাদাতের পরিপূর্ণ মর্যাদা দান করুণ। তার জীবনের সকল গুনাহ গুলো মাফ করে দিন। তার কবরকে জান্নাতের টুকরায় পরিণত করে দিন। তাকে জান্নাতুল ফিরদাউসের মেহমান হিসেবে কবুল করে নিন।
৪। ইয়া আলাহ্ ! এ ছাড়াও জাতির পিতার পরিবারের সদস্য এবং সহকর্মী যারা তাঁর সাথে শাহাদৎ বরণ করেছেন। তাদের প্রত্যেকের জীবনের যাবতীয় ভূল-ত্র“টি গুলো ক্ষমা করে সকলকে শাহাদাতের পরিপূর্ণ মর্যাদা দান করুণ।
৫। হে আলাহ্ ! তাঁর ত্যাগ ও প্রচেষ্টায় আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি তা কিয়ামত পর্যন্ত সুরক্ষিত রাখুন। এ প্রিয় জন্মভূমির ভালবাসায় এবং স্বাধীনতা ও সার্বোভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখার জন্য সবাইকে শান্তির পরশে থেকে দেশের কল্যাণার্থে এক যোগে কাজ করার তৌফিক দান করুণ। দেশের সকল নাগরিকের অন্তরে স্বদেশ-প্রীতি জাগ্রত করে দিন।
৬। ইয়া পরওয়ারদিগারে আলম ! তিনার পরিবারের সদস্য যারা জীবিত আছেন তাদেরকে উত্তম ধৈর্য্য ধারণ করার তৌফিক দান করুণ। তাদেরকে সু-সাস্থ্য দান করুণ। এই শোক সন্তপ্ত পরিবারের উপর আপনার খাছ রহমত, বরকত ও করুণা নাযিল করুণ। তাদেরকে যাবতীয় বিপদ, আপদ ও মসিবত থেকে হিফাযত করুণ।
৭। ইয়া আলাহ্! বাংলাদেশ শসস্ত্র বাহিনীকে কবূল করে নিন। দেশে-বিদেশে কর্মরত এই বাহিনীর সকল সদস্যদের জান-মাল, পরিবার-পরিজনকে হেফাযত দান করুণ।
رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿البقرة: ١٢٧﴾ وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ ﴿البقرة: ١٢٨﴾
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মোঃ জিল্লুর রহমান এর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ ﴿الأعراف: ٢٣﴾
২। ইয়া ইলাহাল আলামীন ! গত ২০ ই মার্চ ২০১৩ ইং রোজ বুধবার ৪.১৯মিঃ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মোঃ জিল্লুর রহমান ইন্তিকাল করেছেন আমরা তার রূহের মাগফিরাতের জন্য যে দোওয়া, দরূদ, ইস্তেগফার পাঠ করেছি সেগুলো কবুল ও মুনজুর করে নিন।
৩। এ অসিলায় আমাদের সকলের জীবনের তামাম গুনাহ গুলো মাফ করে দিন। এর যা সাওয়াব হয় তা অসংখ্য গুণ বৃদ্ধি করে দিয়ে আমাদের প্রিয় নবী (সাঃ)-এর আরওয়াহ মোবারকে পৌছিয়ে দিন। তামাম বিশ্বের যত মুমিন-মুমিনাত ইন্তেকাল করেছেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যত সদস্য শাহাদত বরণ করেছেন সকলের আরওয়াহ মোবারকে এর সাওয়াব পৌছিয়ে দিন। বিশেষ করে আমাদের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মোঃ জিল্লুর রহমানের রুহের উপর এর সওয়াব পৌছিয়ে দিন।
৪। এর অছিলায় তিনার জিন্দেগীর সগীরা, কবীরা, জাহেরী, বাতেনী, শিরক, বিদআতসহ যাবতীয় গুনাহগুলো মাফ করে দিন। কবরের সওয়াল জাওয়াব তিনার জন্য সহজ করে দিন। কিয়ামত পর্যন্ত কবর আযাব মাফ করে দিন। অন্ধকার কবরকে দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত প্রশস্ত করে দিন। অন্ধকার কবরকে ঈমানী নূরে আলোকিত করে দিন। তার কবরকে জান্নাতের টুকরায় পরিণত করে দিন। বিনা হিসাবে জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করে দিন।
৫। তিনার শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদেরকে ধৈর্য্য ধারণ করার তৌফিক দান করে দিন। তিনার পরিবারের সকল সদস্যদেরকে حياة طيبة ও সু-সাস্থ্য নসিব করুণ। এই শোকাহত পরিবারের উপর আপনার খাছ রহমত, বরকত ও করুণা নাযিল করুণ। তাদেরকে যাবতীয় বিপদ, আপদ ও মসিবত থেকে হিফাযত করুণ। তাদেরকে সম্মানজনক জীবন-জীবিকা দান করুণ। তাদের প্রতিপালনের দায়িত্ব আপনি নিজ হেফাযতে নিয়ে নিন। আপনার সুন্দর সুন্দর নামের অসিলায় আমাদের আজকের দোয়া ও মোনাজাতকে কবুল করুণ।
رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿البقرة: ١٢٧﴾ وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ ﴿البقرة: ١٢٨﴾
বিভিন্ন স্থানে পাঠ করার সুবিধার্থে নিæে কতিপয় দুআ সংযোজন করা হল।
(১) اللَّهُمَّ آتنا في الدُّنْيا حَسَنَةً وفي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
(২) اللَّهُمَّ إني أسألُكَ الهُدَى والتُّقَى وَالعَفَافَ وَالغِنَى-(مسلم)
(৩) اللَّهُمَّ اغْفِرْ لي وَارْحَمْنِي وَاهْدِني وَعافِني وَارْزُقْني
(৪) اللَّهُمَّ يا مُصَرِّفَ القُلُوبِ صَرِّفْ قُلُوبَنا على طاعَتِك-(مسلم)
(৬) اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِك مِنَ العَجْزِ وَالكَسَلِ وَالجُبْنِ وَالهَرَمِ وَالبُخْلِ، وأعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ، وأعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ المَحيَا وَالمَماتِ" وفي رواية "وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرّجالِ".
(৭) اللَّهُمَّ إنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْماً كَثِيراً وَلا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أنْتَ فاغْفِرْ لي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ، وَارْحَمْني إنَّكَ أنْتَ الغَفُورُ الرَّحِيمُ-(بخارى)
(৮) اللَّهُمَّ اغْفِرْ لي خَطِيئَتي وَجَهْلي وَإسْرَافِي في أمْرِي، ومَا أنْتَ أعْلَمُ بِهِ مِنِّي؛ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لي جَدّي وَهَزْلي وَخَطَئي وَعَمْدي وَكُلُّ ذلكَ عِنْدِي؛ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لي ما قَدَّمْتُ ومَا أخَّرْتُ وَمَا أسْرَرْتُ وَما أعْلَنْتُ وَما أنْتَ أعْلَمُ بِهِ مِنّي، أنْتَ المُقَدِّمُ وأنْتَ المُؤَخِّرُ وأنْتَ على كلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ-(مسلم)
(৯) اللَّهُمَّ إنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرّ ما عَمِلْتُ وَمِنْ شَرّ مَا لَمْ أعْمَلْ-(بخارى)
(১০) اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ وَتَحَوُّلِ عافيتك وَفَجْأةِ نِقْمَتِكَ وَجَمِيعِ سُخْطِكَ-(مسلم)
(১১) اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنَ العَجْزِ وَالكَسَلِ وَالجُبْنِ وَالبُخْلِ وَالهَمِّ وَعَذَابِ القَبْرِ، اللَّهُمَّ آتِ نَفْسِي تَقْوَاها، وَزَكِّها أنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاها، أنْتَ وَلِيُّها وَمَوْلاها، اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لا يَنْفَعُ، وَمِنْ قَلْبٍ لا يَخْشَعُ، وَمنْ نَفْسٍ لا تَشْبَعُ، وَمِنْ دَعْوَةٍ لا يُسْتَجَابُ لَهَا-(مسلم)
(১২) اللَّهُمَّ إني أسألُكَ الهُدَى وَالسَّدادَ-(مسلم)
(১৩) اللَّهُمَّ اغْفِرْ لي وَارْحَمْني وَاهْدني وَارْزُقْنِي وَعافني" شكَّ الراوي في "وعافني-(مسلم)
(১৪) اللَّهُمَّ أصْلِحْ لي دِيني الَّذي هُوَ عِصْمَةُ أمْرِي، وَأصْلِحْ لي دُنْيايَ الَّتِي فيها مَعاشِي، وأصْلِحْ لي آخِرَتِي الَّتي فيها مَعادي، وَاجْعَلِ الحَياةَ زيادَةً لي في كُلّ خَيْرٍ، وَاجْعَلِ المَوْتَ راحَةً لي مِنْ كُلّ شَرٍّ-(مسلم)
(১৫) اللَّهُمَّ لَكَ أسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَإِلَيْكَ أنَبْتُ، وَبِكَ خاصَمْتُ؛ اللَّهُمَّ إنِّي أَعُوْذُ بِعِزَّتِكَ لا إِلهَ إِلاَّ أنْتَ أنْ تُضِلَّني، أنْتَ الحَيُّ الَّذي لاَ يَموتُ وَالجِنُّ والإِنْسُ يَمُوتُونَ-(بخارى)
(১৬) اللَّهمّ إني أسألك بأني أشهدُ أنك أنتَ اللّه لا إِلهَ إِلاّ أنتَ الأحدُ الصمدُ الذي لم يلد ولم يولد ولم يكن له كفواً أحد. فقال: "لَقَدْ سألْتَ اللَّهَ تَعالى بالاسْمِ الَّذي إذَا سُئِلَ بِهِ أعْطَى، وَإِذَا دُعِيَ أجابَ" وفي رواية "لَقَدْ سألْتَ اللَّهَ باسْمهِ الأعْظَمِ-(ابو داؤد)
(১৭) اللَّهمّ إني أسألك بأنَّ لكَ الحمدُ لا إِله إِلاَّ أنتَ المنّانُ بديعُ السَّماواتِ والأرض، يا ذا الجلال والإِكرام يا حيُّ يا قيّوم. فقال النبيّ صلى اللّه عليه وسلم: "لَقَدْ دَعا اللَّهَ تَعالى باسْمهِ العَظيمِ الَّذي إذَا دُعيَ بهِ أجابَ، وَإِذَا سُئِلَ بِهِ أعْطَى-(ابو داؤد)
(১৮) اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ النَّارِ وَعَذَابِ النَّارِ، وَمنْ شَرّ الغِنَى وَالفَقْرِ-(ابو داؤد)
(১৯) اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الأخْلاقِ وَالأعْمالِ، وَالأهْوَاءِ-(ترمذى)
(২০) قُلِ اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنْ شَرّ سَمْعِي وَمنْ شَرّ بَصَرِي، وَمِنْ شَرّ لِساني، وَمِنْ شَرّ قَلْبي وَمنْ شَرّ مَنِيِّي
(২১) اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنَ البَرَصِ وَالجُنُونِ وَالجُذَامِ، وَسَيِّءِ الأسْقام -(ابو داؤد)
(২২) اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنَ الهَدْمِ، وأعُوذُ بِكَ مِنَ التَّرَدِّي، وأعُوذُ بِكَ مِنَ الغَرَقِ وَالحَرَقِ وَالهَرَمِ، وَأعُوذُ بِكَ أن يَتَخَبَّطَنِي الشَّيْطانُ عِنْدَ المَوْتِ؛ وأعُوذُ بِكَ أنْ أمُوتَ فِي سَبِيلِكَ مُدْبِراً، وأعُوذُ بِكَ أن أمُوتَ لَديغاً-(ابو داؤد)
(২৩) اللَّهُمَّ إني أعوذُ بِكَ منَ الجوع فَإنَّهُ بئْسَ الضَّجِيعُ، وَأعُوذُ بِكَ مِنَ الخِيانَةِ فإنَّها بِئْسَتِ البطانَةُ-(ابو داؤد)
(২৪) اللَّهُمَّ اكْفني بِحَلالِكَ عَنْ حَرامِكَ، وَأغْنِني بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ-(ترمذى)
(২৫) "اللَّهُمَّ ألْهِمْنِي رُشْدِي، وَأعِذْنِي مِنْ شَرّ نَفْسِي-(ترمذى)
(২৬) "اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بكَ منَ الشِّقاقِ وَالنِّفاقِ وَسُوءِ الأخْلاق-(ابو داؤد)
(২৭) يا مُقَلِّبَ القُلُوبِ ثَبِّت قَلْبي على دِينكَ-(ترمذى)
(২৮) اللَّهُمَّ عافني في جَسَدِي، وَعافني في بَصَرِي، وَاجْعَلْهُ الوَارِثَ مِنِّي، لا إِلهَ إِلاَّ أنْتَ الحَلِيمُ الكَرِيمُ، سُبْحانَ اللَّه رَبّ العَرْشِ العَظِيمِ، وَالحَمْدُ لِلَّهِ رَبّ العالَمِينَ-(ترمذى)
(২৯) اللَّهُمَّ إني أسألُكَ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يُحِبُّكَ، وَالعَمَلَ الَّذي يُبَلِّغُنِي حُبَّكَ؛ اللَّهُمَّ اجْعَلْ حُبَّكَ أحَبَّ إِليَّ مِنْ نَفْسِي وَأهْلِي وَمنَ المَاءِ البارِدِ-(ترمذى)
(৩০) دَعْوَةُ ذِي النُّونِ إذْ دَعا رَبَّهُ وَهُوَ في بَطْنِ الحُوتِ: لا إِلهَ إِلاَّ أنْتَ سُبْحانَكَ إنِّي كُنْتُ مِنَ الظالِمِينَ، فإنَّهُ لَمْ يَدْعُ بِها رَجُلٌ مُسْلِمٌ في شَيْءٍ قَطُّ إِلاَّ اسْتَجابَ لَه-(ترمذى)
(৩১) اللَّهُمَّ إني أسألُكَ مِنْ خَيْرٍ ما سألَكَ منْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صلى اللّه عليه وسلم، وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ ما اسْتَعاذَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صلى اللّه عليه وسلم، وأنْتَ المُسْتَعانُ وَعَلَيْكَ البَلاغُ، وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلاَّ باللَّهِ-(ترمذى)
(৩২) رَبّ أعِنِّي وَلا تُعِنْ عَليَّ، وَانْصُرْنِي وَلا تَنْصُرْ عَلَيَّ، وَامْكُرْ لي وَلا تَمْكُرْ عَليَّ، وَيَسِّرْ هُدَايَ وَانْصُرْنِي على مَنْ بَغَى عَليَّ. رَبّ اجْعَلْنِي لَكَ شاكِراً، لَكَ ذَاكِراً، لَكَ رَاهِباً، لَكَ مِطْوَاعاً، إِلَيْكَ مُجِيباً أوْ مُنيباً، تَقَبَّلْ تَوْبَتِي، وَاغْسِلْ حَوْبَتي، وَأجِبْ دَعْوَتي، وَثَبِّتْ حُجَّتِي، وَاهْدِ قَلْبِي، وَسَدّدْ لِساني، وَاسْلُلْ سَخِيمَةَ قَلْبِي" وفي رواية الترمذي "أوَّاهاً مُنِيباً"
(৩৩) اللَّهُمَّ إني أسألُكَ مِنَ الخَيْرِ كُلِّهِ عاجِلِهِ وآجِلِهِ، ما عَلِمْتُ مِنْهُ وَما لَمْ أعْلَمُ، وأعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّرّ كُلِّهِ عاجله وآجِلهِ، ما عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أعْلَمْ، وأسألُكَ الجَنَّةَ وَمَا قَرّبَ إِلَيْها مِنْ قَوْلٍ أوْ عَمَلٍ، وأعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْها مِنْ قَوْلٍ أوْ عَمَلٍ، وأسألُكَ خَيْرَ ما سألَكَ بِهِ عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ مُحَمَّدٌ صلى اللّه عليه وسلم، وَ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرّ ما اسْتَعاذَكَ مِنْهُ عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ مُحَمَّدٌ صلى اللّه عليه وسلم، وأسألُكَ ما قَضَيْتَ لي مِنْ أمْرٍ أنْ تَجْعَلَ عاقِبَتَهُ رَشَد-(ابن حبان)
(৩৪) اللَّهُمَّ مَغْفِرَتُكَ أوْسَعُ مِنْ ذُنُوبي، وَرَحْمَتُكَ أرْجَى عِنْدِي مِنْ عَمَلي، فقالها، ثم قال: عُدْ، فعاد، ثم قال: عُدْ، فعاد، فقال: قُمْ فَقَدْ غُفِرَ لَكَ-(مستدرك)
(৩৫) اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَفِتْنَةِ الْمَمَاتِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ
(৩৬) اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ النَّارِ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ
কোর-আনিক দু’আ সমূহ
(১) اهدِنَا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ-صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ-(سورة فاتحة)
(২) رَبِّ اجْعَلْ هَـَذَا بَلَدًاآمِنًا وَارْزُقْ أَهْلَهُ مِنَ الثَّمَرَاتِ مَنْ آمَنَ مِنْهُم بِاللّهِوَالْيَوْمِ الآخِرِ-(سورة بقرة-১২৬)
(৩) رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُالْعَلِيمُ-رَبَّنَا وَاجْعَلْنَا مُسْلِمَيْنِ لَكَ وَمِن ذُرِّيَّتِنَاأُمَّةً مُّسْلِمَةً لَّكَ وَأَرِنَا مَنَاسِكَنَا وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنت التَّوَّابُ الرَّحِيمُ-رَبَّنَا وَابْعَثْ فِيهِمْ رَسُولاً مِّنْهُمْ يَتْلُوعَلَيْهِمْ آيَاتِكَ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَيُزَكِّيهِمْإِنَّكَ أَنتَ العَزِيزُ الحَكِيمُوَإِسْمَاعِيلُ رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُالْعَلِيمُ--(سورة بقرة-১২৮)
(৪) رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَاحَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ -(سورة بقرة-২০১)
(৫) رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ-(سورة بقرة-২৫০)
(৬) رَبَّنَا لاَ تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا رَبَّنَا وَلاَ تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا رَبَّنَا وَلاَ تُحَمِّلْنَا مَا لاَ طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا أَنتَ مَوْلاَنَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ-(سورة بقرة-২৮৬)
(৭) رَبَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ
(৮) رَبَّنَا إِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوْمٍ لاَّ رَيْبَ فِيهِ إِنَّ اللّهَ لاَ يُخْلِفُ الْمِيعَادَ-(سورة ال عمران- ৮/৯)
(৯) رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ -(سورة ال عمران-১৬)
(১০) رَبَّنَا آمَنَّا بِمَا أَنزَلَتْ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُولَ فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ--(سورة ال عمران-৫৩)
(১১) ربَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِي أَمْرِنَا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ-(سورة ال عمران-১৪৭)
(১২) رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هَذا بَاطِلاً سُبْحَانَكَ فَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
(১৩) رَبَّنَا إِنَّكَ مَن تُدْخِلِ النَّارَ فَقَدْ أَخْزَيْتَهُ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنصَارٍ
(১৪) رَّبَّنَا إِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يُنَادِي لِلإِيمَانِ أَنْ آمِنُواْ بِرَبِّكُمْ فَآمَنَّا رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ الأبْرَارِ
(১৫) رَبَّنَا وَآتِنَا مَا وَعَدتَّنَا عَلَى رُسُلِكَ وَلاَ تُخْزِنَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّكَ لاَ تُخْلِفُ الْمِيعَادَ--(سورة ال عمران-১৯১-১৯৪)
(১৬) رَبَّنَا أَخْرِجْنَا مِنْ هَـذِهِ الْقَرْيَةِ الظَّالِمِ أَهْلُهَا وَاجْعَل لَّنَا مِن لَّدُنكَ وَلِيًّا وَاجْعَل لَّنَا مِن لَّدُنكَ نَصِيرًا-(سورة نساء-৭৫)
(১৭) قَالاَ رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ-(سورة اعراف ২৩)
(১৮) رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَتَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ -(سورة اعراف-১২৬)
(১৯) قَالَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَلأَخِي وَأَدْخِلْنَا فِي رَحْمَتِكَ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ-(سورة اعراف-১৫১)
(২০) أَنتَ وَلِيُّنَا فَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الْغَافِرِينَ--(سورة اعراف ১৫৫)
(২১) عَلَى اللّهِ تَوَكَّلْنَا رَبَّنَا لاَ تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلْقَوْمِ الظَّالِمِينَ
(২২) وَنَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ--(سورة يونس-৮৫-৮৬)
(২৩) رَبَّنَا إِنَّكَ تَعْلَمُ مَا نُخْفِي وَمَا نُعْلِنُ وَمَا يَخْفَى عَلَى اللّهِ مِن شَيْءٍ فَي الأَرْضِ وَلاَ فِي السَّمَاء
(২৪) رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلاَةِ وَمِن ذُرِّيَّتِي رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاء
(২৫) رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ--(سورة ابراهيم-৩৮‘৪০‘৪১)
(২৬) رَبِّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أَسْأَلَكَ مَا لَيْسَ لِي بِهِ عِلْمٌ وَإِلاَّ تَغْفِرْ لِي وَتَرْحَمْنِي أَكُن مِّنَ الْخَاسِرِينَ (هود-৪৭)
(২৭) وَقُل رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا ا-(سورة بنى اسرائيل-২৪)
(২৮) وَقُل رَّبِّ أَدْخِلْنِي مُدْخَلَ صِدْقٍ وَأَخْرِجْنِي مُخْرَجَ صِدْقٍ وَاجْعَل لِّي مِن لَّدُنكَ سُلْطَانًا نَّصِيرًا-(بنى اسرائيل-৮০)
(২৯) قَالَ رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي-وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي-وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِّن لِّسَانِي-يَفْقَهُوا قَوْلِي--(سورة طه-২৫-২৮)
(৩০) رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ-(سورة انبياء-৮৯)
(৩১) رَبِّ فَلَا تَجْعَلْنِي فِي الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ
(৩২) وَقُل رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ-وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ -(سورة مؤمنون-৯৪‘৯৭-৯৮)
(৩৩) رَبَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ -(سورة مؤمنون-১০৯)
(৩৪) وَقُل رَّبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ--(سورة مؤمنون-১১৮)
(৩৫) رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ إِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًا (سورة فرقان-৬৫)
(৩৬) رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا -(سورة فرقان-৬৫‘ ৭৪)
(৩৭) رَبِّ هَبْ لِي حُكْمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ-وَاجْعَل لِّي لِسَانَ صِدْقٍ فِي الْآخِرِينَ-وَاجْعَلْنِي مِن وَرَثَةِ جَنَّةِ النَّعِيمِ - وَلَا تُخْزِنِي يَوْمَ يُبْعَثُونَ--(سورة شعراء-৮৩-৮৫‘ ৮৭)
(৩৮) رَبِّ أَوْزِعْنِي أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِي أَنْعَمْتَ عَلَيَّ وَعَلَى وَالِدَيَّ وَأَنْ أَعْمَلَ صَالِحًا تَرْضَاهُ وَأَدْخِلْنِي بِرَحْمَتِكَ فِي عِبَادِكَ الصَّالِحِينَ -(سورة النمل-১৯)
(৩৯) رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالْإِيمَانِ وَلَا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلًّا لِّلَّذِينَ آمَنُوا رَبَّنَا إِنَّكَ رَؤُوفٌ رَّحِيمٌ-(سورة حشر-১০)
(৪০) ربنا عليك توكلنا و اليك انبنا و اليك المصير-ربنا لا تجعلنا فتنة للذين كفروا واغفرلنا ربنا انك انت العزيز الحكيم-(سورة ممتحنة-৪-৫)
(৪১) رَبَّنَا أَتْمِمْ لَنَا نُورَنَا وَاغْفِرْ لَنَا إِنَّكَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ -(سورة تحريم-৮)
(৪২) رَبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيْتِيَ مُؤْمِنًا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَلَا تَزِدِ الظَّالِمِينَ إِلَّا تَبَارًاا-(سورة نوح-২৮)
(৪৩) انى مغلوب فانتصر-(سورة قمر-১০)
عن أنس رضي اللّه عنه، قال: كان أكثرُ دعاءِ النبيّ صلى اللّه عليه وسلم: "اللَّهُمَّ آتنا في الدُّنْيا حَسَنَةً وفي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ".
عن ابن مسعود رضي اللّه عنه؛أن النبيّ صلى اللّه عليه وسلم كان يقول: "اللَّهُمَّ إني أسألُكَ الهُدَى والتُّقَى وَالعَفَافَ وَالغِنَى"
عن طارق بن أشيم الأشجعي الصحابي رضي اللّه عنه قال: كان الرجل إذا أسلم علَّمه النبيُّ صلى اللّه عليه وسلم الصلاة، ثم أمرَه أن يدعوَ بهذه الكلمات "اللَّهُمَّ اغْفِرْ لي وَارْحَمْنِي وَاهْدِني وَعافِني وَارْزُقْني" وفي رواية أُخرى لمسلم عن طارق: أنه سمع النبيّ صلى اللّه عليه وسلم وأتاه رجل فقال: يا رسول اللّه! كيف أقول حين أسألُ ربِّي؟ قال: "قُلِ اللَّهُمَّ اغْفرْ لي وَارْحَمْني وَعافني وَارْزُقْني؛ فإنَّ هَؤُلاءِ تَجْمَعُ لَكَ دُنْياكَ وآخِرَتَكَ"
عن عبد اللّه بن عمرو بن العاص رضي اللّه عنهما، قال:قال رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم: "اللَّهُمَّ يا مُصَرِّفَ القُلُوبِ صَرِّفْ قُلُوبَنا على طاعَتِكَ"
عن أبي هريرة رضي اللّه عنه،عن النبيّ صلى اللّه عليه وسلم قال: "تَعَوَّذُوا باللَّهِ مِنْ جَهْدِ البَلاءِ، وَدَرَكِ الشَّقاءِ، وَسُوءِ القَضَاءِ، وَشَمَاتَةِ الأعْدَاءِ" وفي رواية عن سفيان أنه قال: في الحديث ثلاث، وزدتُ أنا واحدة، لا أدري أيّتهنّ.. وفي رواية قال سفيان: أشكّ أني زدتُ واحدة منها
عن أنس رضي اللّه عنه،قال: كان رسولُ اللّه صلى اللّه عليه وسلم يقول: "اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِك مِنَ العَجْزِ وَالكَسَلِ وَالجُبْنِ وَالهَرَمِ وَالبُخْلِ، وأعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ، وأعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ المَحيَا وَالمَماتِ" وفي رواية "وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرّجالِ".
عن عبد اللّه بن عمرو بن العاص،عن أبي بكر الصديق رضي اللّه عنهم؛ أنه قال لرسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم؛ علّمني دُعاءً أدعُو به في صَلاتي، قال: "قُلِ اللَّهُمَّ إنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْماً كَثِيراً وَلا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أنْتَ فاغْفِرْ لي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ، وَارْحَمْني إنَّكَ أنْتَ الغَفُورُ الرَّحِيمُ
عن أبي موسى الأشعري رضي اللّه عنه،عن النبيّ صلى اللّه عليه وسلم أنه كان يدعو بهذا الدعاء: "اللَّهُمَّ اغْفِرْ لي خَطِيئَتي وَجَهْلي وَإسْرَافِي في أمْرِي، ومَا أنْتَ أعْلَمُ بِهِ مِنِّي؛ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لي جَدّي وَهَزْلي وَخَطَئي وَعَمْدي وَكُلُّ ذلكَ عِنْدِي؛ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لي ما قَدَّمْتُ ومَا أخَّرْتُ وَمَا أسْرَرْتُ وَما أعْلَنْتُ وَما أنْتَ أعْلَمُ بِهِ مِنّي، أنْتَ المُقَدِّمُ وأنْتَ المُؤَخِّرُ وأنْتَ على كلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
عن عائشة رضي اللّه عنها؛أن النبيّ صلى اللّه عليه وسلم كان يقول في دعائه: "اللَّهُمَّ إنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرّ ما عَمِلْتُ وَمِنْ شَرّ مَا لَمْ أعْمَلْ
عن ابن عمر رضي اللّه عنهما قال:كان دعاء رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم: "اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ وَتَحَوُّلِ عافيتك وَفَجْأةِ نِقْمَتِكَ وَجَمِيعِ سُخْطِكَ
عن زيد بن أرقم رضي اللّه عنه قال:لا أقول لكم إلا كما كان رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم يقول، كان يقول: "اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنَ العَجْزِ وَالكَسَلِ وَالجُبْنِ وَالبُخْلِ وَالهَمِّ وَعَذَابِ القَبْرِ، اللَّهُمَّ آتِ نَفْسِي تَقْوَاها، وَزَكِّها أنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاها، أنْتَ وَلِيُّها وَمَوْلاها، اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لا يَنْفَعُ، وَمِنْ قَلْبٍ لا يَخْشَعُ، وَمنْ نَفْسٍ لا تَشْبَعُ، وَمِنْ دَعْوَةٍ لا يُسْتَجَابُ لَهَا
عن عليّ رضي اللّه عنه قال:قال رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم: "قُلِ اللَّهُمَّ اهْدِني وَسَدّدْنِي" وفي رواية: "اللَّهُمَّ إني أسألُكَ الهُدَى وَالسَّدادَ"
عن سعد بن أبي وقاص رضي اللّه عنه قال:جاء أعرابيٌّ إلى النبيّ صلى اللّه عليه وسلم فقال: يا رسولَ اللّه! علِّمني كلاماً أقوله، قال: "قُلْ لا إِلهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ، اللَّهُ أكْبَرُ كَبِيراً، وَالحَمْدُ لِلَّه كَثِيراً، سُبْحانَ اللَّهِ رَبِّ العالَمِينَ، لا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلاَّ باللَّهِ العَزِيزِ الحَكيمِ، قال: فهؤلاء لربي فما لي؟ قال: قُلِ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لي وَارْحَمْني وَاهْدني وَارْزُقْنِي وَعافني" شكَّ الراوي في "وعافني".(১৭)
عن أبي هريرة رضي اللّه عنه، قال:كان رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم يقول: "اللَّهُمَّ أصْلِحْ لي دِيني الَّذي هُوَ عِصْمَةُ أمْرِي، وَأصْلِحْ لي دُنْيايَ الَّتِي فيها مَعاشِي، وأصْلِحْ لي آخِرَتِي الَّتي فيها مَعادي، وَاجْعَلِ الحَياةَ زيادَةً لي في كُلّ خَيْرٍ، وَاجْعَلِ المَوْتَ راحَةً لي مِنْ كُلّ شَرٍّ".(১৮)
عن ابن عباس رضي اللّه عنهما؛أن رسولَ اللّه صلى اللّه عليه وسلم كان يقول: "اللَّهُمَّ لَكَ أسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَإِلَيْكَ أنَبْتُ، وَبِكَ خاصَمْتُ؛ اللَّهُمَّ إنِّي أَعُوْذُ بِعِزَّتِكَ لا إِلهَ إِلاَّ أنْتَ أنْ تُضِلَّني، أنْتَ الحَيُّ الَّذي لاَ يَموتُ وَالجِنُّ والإِنْسُ يَمُوتُونَ".(১৯)
عن بُريدةَ رضي اللّه عنه؛ أن رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم سمع رجلاً يقول: اللَّهمّ إني أسألك بأني أشهدُ أنك أنتَ اللّه لا إِلهَ إِلاّ أنتَ الأحدُ الصمدُ الذي لم يلد ولم يولد ولم يكن له كفواً أحد. فقال: "لَقَدْ سألْتَ اللَّهَ تَعالى بالاسْمِ الَّذي إذَا سُئِلَ بِهِ أعْطَى، وَإِذَا دُعِيَ أجابَ" وفي رواية "لَقَدْ سألْتَ اللَّهَ باسْمهِ الأعْظَمِ" قال الترمذي: حديث حسن. (২০)
عن أنس رضي اللّه عنه؛أنه كان مع رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم جالساً ورجل يُصلّي ثم دعا: اللَّهمّ إني أسألك بأنَّ لكَ الحمدُ لا إِله إِلاَّ أنتَ المنّانُ بديعُ السَّماواتِ والأرض، يا ذا الجلال والإِكرام يا حيُّ يا قيّوم. فقال النبيّ صلى اللّه عليه وسلم: "لَقَدْ دَعا اللَّهَ تَعالى باسْمهِ العَظيمِ الَّذي إذَا دُعيَ بهِ أجابَ، وَإِذَا سُئِلَ بِهِ أعْطَى".(২১)
عن عائشة رضي اللّه عنها؛ أن النبيّ صلى اللّه عليه وسلم كانَ يدعو بهؤلاء الكلماتِ: "اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ النَّارِ وَعَذَابِ النَّارِ، وَمنْ شَرّ الغِنَى وَالفَقْرِ" هذا لفظ أبي داود، قال الترمذي: حديث حسن صحيح. (২২)
عن زياد بن عِلاَقَة، عن عَمِّه، وهو قُطْبَةُ بن مالك رضي اللّه عنه قال:كان النبيّ صلى اللّه عليه وسلم يقول: "اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الأخْلاقِ وَالأعْمالِ، وَالأهْوَاءِ" قال الترمذي: حديث حسن. (২৩)
عن شَكَل بن حُميد رضي اللّه عنه ـ وهو بفتح الشين المعجمة والكاف ـ قال: قلتُ: يا رسولَ اللّه! علَّمني دعاء، قال: "قُلِ اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنْ شَرّ سَمْعِي وَمنْ شَرّ بَصَرِي، وَمِنْ شَرّ لِساني، وَمِنْ شَرّ قَلْبي وَمنْ شَرّ مَنِيِّي" قال الترمذي: حديث حسن. (২৪)
عن أنس رضي اللّه عنه؛ أن النبيّ صلى اللّه عليه وسلم كان يقول: "اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنَ البَرَصِ وَالجُنُونِ وَالجُذَامِ، وَسَيِّءِ الأسْقامِ".(২৫)
عن أبي اليَسَر الصحابي رضي اللّه عنه ـ وهو بفتح الياء المثناة تحت والسين المهملة أن رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم كان يدعو "اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بِكَ مِنَ الهَدْمِ، وأعُوذُ بِكَ مِنَ التَّرَدِّي، وأعُوذُ بِكَ مِنَ الغَرَقِ وَالحَرَقِ وَالهَرَمِ، وَأعُوذُ بِكَ أن يَتَخَبَّطَنِي الشَّيْطانُ عِنْدَ المَوْتِ؛ وأعُوذُ بِكَ أنْ أمُوتَ فِي سَبِيلِكَ مُدْبِراً، وأعُوذُ بِكَ أن أمُوتَ لَديغاً" هذا لفظ أبي داود، وفي رواية له "وَالغَمّ".(২৬)
عن أبي هريرة رضي اللّه عنه قال:كان رسولُ اللّه صلى اللّه عليه وسلم يقول: "اللَّهُمَّ إني أعوذُ بِكَ منَ الجوع فَإنَّهُ بئْسَ الضَّجِيعُ، وَأعُوذُ بِكَ مِنَ الخِيانَةِ فإنَّها بِئْسَتِ البطانَةُ".(২৭)
عن عليّ رضي اللّه عنه؛أن مُكاتباً جاءه فقال: إني عجزتُ عن كتابتي فأعنِّي، قال: ألا أُعلّمُك كلماتٍ عَلمنيهنّ رسولُ اللّه صلى اللّه عليه وسلم لو كانَ عَليكَ مثلُ جبل صِيْرٍ دَيْناً أدَّاهُ عنك؟ قُلِ: "اللَّهُمَّ اكْفني بِحَلالِكَ عَنْ حَرامِكَ، وَأغْنِني بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ" قال الترمذي: حديث حسن. (২৮)
عن عمران بن الحصين رضي اللّه عنهما؛أن النبيّ صلى اللّه عليه وسلم علَّمَ أباه حصيناً كلمتين يدعو بهما: "اللَّهُمَّ ألْهِمْنِي رُشْدِي، وَأعِذْنِي مِنْ شَرّ نَفْسِي" قال الترمذي: حديث حسن. (২৯)
عن أبي هريرة رضي اللّه عنه؛أن رسولَ اللّه صلى اللّه عليه وسلم كان يقولُ: "اللَّهُمَّ إني أعُوذُ بكَ منَ الشِّقاقِ وَالنِّفاقِ وَسُوءِ الأخْلاقِ".(৩০)
عن شهر بن حوشب، قال:قلتُ لأُمّ سلمة رضي اللّه عنها: يا أُمّ المؤمنين! ما أكثرَ دعاء رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم إذا كان عندكِ؟ قالت: كان أكثرُ دعائه: "يا مُقَلِّبَ القُلُوبِ ثَبِّت قَلْبي على دِينكَ" قال الترمذي: حديث حسن. (৩১)
عن عائشة رضي اللّه عنها قالت:كان رسولُ اللّه صلى اللّه عليه وسلم يقول: "اللَّهُمَّ عافني في جَسَدِي، وَعافني في بَصَرِي، وَاجْعَلْهُ الوَارِثَ مِنِّي، لا إِلهَ إِلاَّ أنْتَ الحَلِيمُ الكَرِيمُ، سُبْحانَ اللَّه رَبّ العَرْشِ العَظِيمِ، وَالحَمْدُ لِلَّهِ رَبّ العالَمِينَ".(৩২)
عن أبي الدرداء رضي اللّه عنه قال:قال رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم: "كانَ مِنْ دُعاءِ دَاوُدَ صلى اللّه عليه وسلم: اللَّهُمَّ إني أسألُكَ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يُحِبُّكَ، وَالعَمَلَ الَّذي يُبَلِّغُنِي حُبَّكَ؛ اللَّهُمَّ اجْعَلْ حُبَّكَ أحَبَّ إِليَّ مِنْ نَفْسِي وَأهْلِي وَمنَ المَاءِ البارِدِ" قال الترمذي: حديث حسن. (৩৩)
عن سعد بن أبي وقاص رضي اللّه عنه قال:قال رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم: "دَعْوَةُ ذِي النُّونِ إذْ دَعا رَبَّهُ وَهُوَ في بَطْنِ الحُوتِ: لا إِلهَ إِلاَّ أنْتَ سُبْحانَكَ إنِّي كُنْتُ مِنَ الظالِمِينَ، فإنَّهُ لَمْ يَدْعُ بِها رَجُلٌ مُسْلِمٌ في شَيْءٍ قَطُّ إِلاَّ اسْتَجابَ لَهُ" قال (৩৪) أبو عبد اللّه: هذا صحيح الإِسناد.
عن أنس رضي اللّه عنه؛أن رجلاً جاء إلى النبيّ صلى اللّه عليه وسلم فقال: يا رسولَ اللّه! أيّ الدعاء أفضل؟ قال: "سَلْ رَبَّكَ العافِيَةَ وَالمُعافاةَ في الدُّنْيا والآخِرَةِ. ثم أتاه في اليوم الثاني فقال: يا رسولَ اللّه! أيّ الدعاء أفضل؟ فقال له مثل ذلك. ثم أتاه في اليوم الثالث فقال له مثل ذلك، قال: فإذَا أُعْطِيتَ العافِيَةَ في الدُّنْيا وأُعْطِيتَها في الآخرة فَقَدْ أفْلَحْت" قال الترمذي: حديث حسن. (৩৫)
عن العباس بن عبد المطلب رضي اللّه عنه قال:قلت: يا رسول اللّه! علّمني شيئاً أسأله اللّه تعالى، قال: "سَلُوا اللّهَ العافِيَةَ" فمكثت أياماً ثم جئت فقلت: يا رسول اللّه! علَّمني شيئاً أسأله اللّه تعالى، فقال: "يا عَبَّاسُ، يا عَمَّ رَسُول اللَّهِ، سَلُوا اللَّهَ العافِيَةَ في الدُّنْيا والآخِرَة" قال الترمذي: هذا حديث صحيح. (৩৬)
عن أبي أمامة رضي اللّه عنه، قال:دعا رسولُ اللّه صلى اللّه عليه وسلم بدعاء كثير لم نحفظ منه شيئاً، قلت: يا رسول اللّه! دعوتَ بدعاءٍ كثيرٍ لم نحفظ منه شيئاً، فقال: "أَلاَ أدُلُّكُمْ ما يَجْمَعُ ذلكَ كُلَّهُ؟ تَقُولُ: اللَّهُمَّ إني أسألُكَ مِنْ خَيْرٍ ما سألَكَ منْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صلى اللّه عليه وسلم، وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ ما اسْتَعاذَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صلى اللّه عليه وسلم، وأنْتَ المُسْتَعانُ وَعَلَيْكَ البَلاغُ، وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلاَّ باللَّهِ" قال الترمذي: حديث حسن. (৩৭)
عن أنس رضي اللّه عنه قال:قال رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم: "ألِظُّوا بِياذَا الجَلالِ وَالإِكْرامِ".
عن ابن عباس رضي اللّه عنهما قال:كان النبيّ صلى اللّه عليه وسلم يدعو ويقول: "رَبّ أعِنِّي وَلا تُعِنْ عَليَّ، وَانْصُرْنِي وَلا تَنْصُرْ عَلَيَّ، وَامْكُرْ لي وَلا تَمْكُرْ عَليَّ، وَيَسِّرْ هُدَايَ وَانْصُرْنِي على مَنْ بَغَى عَليَّ. رَبّ اجْعَلْنِي لَكَ شاكِراً، لَكَ ذَاكِراً، لَكَ رَاهِباً، لَكَ مِطْوَاعاً، إِلَيْكَ مُجِيباً أوْ مُنيباً، تَقَبَّلْ تَوْبَتِي، وَاغْسِلْ حَوْبَتي، وَأجِبْ دَعْوَتي، وَثَبِّتْ حُجَّتِي، وَاهْدِ قَلْبِي، وَسَدّدْ لِساني، وَاسْلُلْ سَخِيمَةَ قَلْبِي" وفي رواية الترمذي "أوَّاهاً مُنِيباً" قال الترمذي: حديث حسن صحيح.
عن عائشة رضي اللّه عنها؛ أن النبيّ صلى اللّه عليه وسلم قال لها: "قُولي اللَّهُمَّ إني أسألُكَ مِنَ الخَيْرِ كُلِّهِ عاجِلِهِ وآجِلِهِ، ما عَلِمْتُ مِنْهُ وَما لَمْ أعْلَمُ، وأعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّرّ كُلِّهِ عاجله وآجِلهِ، ما عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أعْلَمْ، وأسألُكَ الجَنَّةَ وَمَا قَرّبَ إِلَيْها مِنْ قَوْلٍ أوْ عَمَلٍ، وأعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْها مِنْ قَوْلٍ أوْ عَمَلٍ، وأسألُكَ خَيْرَ ما سألَكَ بِهِ عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ مُحَمَّدٌ صلى اللّه عليه وسلم، وَ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرّ ما اسْتَعاذَكَ مِنْهُ عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ مُحَمَّدٌ صلى اللّه عليه وسلم، وأسألُكَ ما قَضَيْتَ لي مِنْ أمْرٍ أنْ تَجْعَلَ عاقِبَتَهُ رَشَداً" (৪০)
عن جابر بن عبد اللّه رضي اللّه عنهما قال:جاء رجلٌ إلى رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم فقال: "وَاذُنُوباهُ وَاذُنُوباهُ! مرّتين أو ثلااثاً، فقال له رسولُ اللّه صلى اللّه عليه وسلم: "قُلِ اللَّهُمَّ مَغْفِرَتُكَ أوْسَعُ مِنْ ذُنُوبي، وَرَحْمَتُكَ أرْجَى عِنْدِي مِنْ عَمَلي، فقالها، ثم قال: عُدْ، فعاد، ثم قال: عُدْ، فعاد، فقال: قُمْ فَقَدْ غُفِرَ لَكَ".(৪১).
عن ابن عمر رضي اللّه عنهما قال: سمعتُ رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم يقول: "انْطَلَقَ ثَلاثَةُ نَفَرٍ مِمَّنْ كان قَبْلَكُمْ حتَّى آوَاهُمُ المَبيتُ إلى غارٍ فَدَخَلُوهُ، فانْحَدَرَتْ صَخْرَةٌ مِنَ الجَبَلِ فَسَدَّتْ عَلَيْهِمُ الغارَ، فَقالُوا: إنَّهُ لا يُنْجِيكُمْ مِنْ هَذِهِ الصَّخْرَةِ إلاَّ أنْ تَدْعُوا اللَّهَ تَعالى بصَالحِ أعْمالِكُمْ. قالَ رَجُلٌ مِنْهُمْ: اللَّهُمَّ إنَّهُ كانَ لي أَبوانِ شَيْخانِ كَبِيرَانِ، وكُنْتُ لا أُغْبِقُ قَبْلَهُما أهْلاً وَلا مالاً". وذكر تمام الحديث الطويل فيهم، وأن كلَّ واحد منهم قال في صالح عمله: "اللَّهُمَّ إنْ كُنْتُ قَدْ فَعَلْتُ ذلكَ ابْتِغاءَ وَجْهِكَ فَفَرِّجْ عَنَّا ما نَحْنُ فِيهِ" فانفرج في دعوة كلِّ واحدٍ شيءٌ منها وانفرجتْ كلُّها عقب دعوة الثالث "فخرجوا يمشون"
عن عمر بن الخطاب رضي اللّه تعالى عنه قال:كان رسولُ اللّه صلى اللّه عليه وسلم إذا رفع يديه في الدعاء لم يحطَّهما حتى يمسحَ بهما وجهَه.
عن ابن مسعود رضي اللّه عنه:أنَّ رسولَ اللّه صلى اللّه عليه وسلم كان يُعجبُه أن يدعوَ ثلاثاً، ويستغفرَ ثلاثاً. (৪৬)
عن أبي هريرة رضي اللّه تعالى عنه، قال:قال رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم: "ادْعُوا اللَّهَ وَأنْتُمْ مُوقِنُونَ بالإِجابَةِ، وَاعْلَمُوا أنَّ اللَّه تَعالى لا يَسْتَجِيبُ دُعاءً مِنْ قَلْبٍ غافِلٍ لاهٍ" إسنادُه فيه ضعف. (৪৭)
عن أبي الدرداء رضي اللّه تعالى عنه؛أنه سمعَ رسولَ اللّه صلى اللّه عليه وسلم يقول: "مَا مِنْ عَبْدٍ مُسْلمٍ يَدْعُو لأخِيهِ بِظَهْرِ الغَيْبِ إِلاَّ قَالَ المَلَكُ: وَلَكَ بِمِثْلٍ" وفي رواية أخرى في صحيح مسلم عن أبي الدرداء أنَّ رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم كان يقول: "دَعْوَةُ المَرْءِ المُسْلِمِ لأخِيهِ بِظَهْرِ بالغَيْبِ مُسْتَجابَةٌ، عِنْدَ رأسهِ مَلَكٌ مُوَكَّلٌ كُلَّما دَعا لأخِيهِ بِخَيْرٍ، قالَ المَلَكُ المُوَكَّلُ بِهِ: آمِينَ وَلَكَ بِمِثْلِهِ" (৪৮)
عن ابن عمر رضي اللّه تعالى عنهما؛أن رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم قال: "أسْرَعُ الدُّعاءِ إجابَةً دَعْوَةُ غائِبٍ لِغائبٍ" ضعّفه الترمذي.(৪৯)
عن أُسامة بن زيد رضي اللّه تعالى عنهما، قال:قال رسولُ اللّه صلى اللّه عليه وسلم: "مَن صُنِعَ إِلَيْهِ مَعْرُوفٌ فَقالَ لِفاعِلِهِ: جَزَاكَ اللَّهُ خَيْراً، فَقَدْ أبْلَغَ في الثَّناءِ" قال الترمذي: حديث حسن صحيح.
عن عمر بن الخطاب رضي اللّه تعالى عنه قال:استأذنتُ النبيّ صلى اللّه عليه وسلم في العمرة، فأذنَ وقال: "لا تَنْسَنا يا أُخَيَّ مِنْ دُعائِكَ" فقال كلمة ما يسرُّني أن لي بها الدنيا. وفي رواية قال: "أشْرِكَنا يا أُخَيُّ في دُعائِكَ" قال الترمذي: حديث حسن صحيح، وقد ذكرناه في أذكار المسافر(৫১)
عن جابر رضي اللّه تعالى عنه قال:قال رسولُ اللّه صلى اللّه عليه وسلم: "لا تَدْعُوا على أنْفُسِكُمْ، وَلا تَدْعُوا على أوْلادِكُمْ، وَلا تَدْعُوا على خَدَمِكمْ، ولا تَدْعُوا على أمْوَالِكُمْ، لا تُوافِقُوا مِنَ اللَّهِ ساعَةً نِيْلَ فيها عَطاءٌ فَيُسْتَجابَ مِنْكُمْ".
قلتُ: نيل بكسر النون وإسكان الياء، ومعناه: ساعة إجابة يَنالُ الطالبُ فيها ويُعطى مطلوبَه.
وروى مسلم هذا الحديث في آخر صحيحه وقال فيه: "لا تَدْعُوا على أنْفُسِكُمْ وَلا تَدْعُوا على أوْلادِكُمْ، وَلا تَدْعُوا على أمْوَالِكُمْ، لا تُوافِقُوا مِنَ اللَّهِ تَعَالى ساعَةً يُسألُ فيها عَطاءٌ فَيَسْتَجِيبَ لَكُمْ".
(৫২)
عن عُبادة بن الصامت رضي اللّه تعالى عنه:أن رسولَ اللّه صلى اللّه عليه وسلم قال: "ما على وَجْهِ الأرْضِ مُسْلِمٌ يَدْعُو اللَّهَ تَعالى بِدَعْوَةٍ إلاَّ آتاهُ اللَّهُ إيَّاها، أوْ صَرَفَ عَنْهُ مِنَ السُّوءِ مِثْلَها ما لَمْ يَدْعُ بإثْمٍ أوْ قَطِيعَةِ رَحِمٍ" فقال رجل من القوم: إذا نكثر، قال: "اللّه أكْثَرُ" قال الترمذي: حديث حسن صحيح. ورواه الحاكم أبو عبد اللّه في المستدرك على الصحيحين من رواية أبي سعيد الخدري، وزاد فيه "أوْ يَدَّخِرَ لَهُ مِنَ الأجْرِ مِثْلَها".(৫৩)
عن أبي هريرة رضي اللّه تعالى عنه،عن النبيّ صلى اللّه عليه وسلم قال: "يُسْتَجَابُ لأحَدِكُمْ ما لَمْ يَعْجَلْ فَيَقُولَ: قَدْ دَعَوْتُ فَلَمْ يُسْتَجَبْ لي".(৫৪)
عن أبي هريرة قال:قال رسولُ اللّه صلى اللّه عليه وسلم: "مَنْ سَرَّهُ أنْ يَسْتَجِيبَ اللَّهُ تَعالى لَهُ عنْدَ الشَّدَائِدِ وَالكُرَبِ فَلْيُكْثِرِ الدُّعاءَ في الرَّخاءِ".
عن عائشة رضي اللّه عنها قالت: كان رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم يَستحبّ الجوامعَ من الدعاء ويدعُ ما سوى ذلك. (২)
عن أبي هريرة رضي اللّه عنه عن النبيّ صلى اللّه عليه وسلم قال: "لَيْسَ شَيْءٌ أكْرَمَ على اللَّهِ تَعالى مِنَ الدُّعاءِ".(৩)
عن النعمان بن بشير رضي اللّه عنهما، عن النبيّ صلى اللّه عليه وسلم قال: "الدُّعاءُ هُوَ العبادَة" قال الترمذي: حديث حسن صحيح. (১)
كتاب داعى الفلاح
عن ثوبان رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "من قالَ حين يُصبحُ وحين يُمسي ثلاث مراتٍ: رضيتُ باللهِ ربًّا وبالإسلامِ دينًا وبمحمدٍ نبيًّا، لكان حقًّا على اللهِ أن يُرضِيَهُ".(فى رواية يوم القيامة) (فى رواية فأنا الزعيمُ لآخذُهُ بيدِه حتى أدخِلَهُ الجنةَ")---( فى رواية فقد أصابَ حقيقةَ الإيمانِ").
عن أبي الدرداء رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: "من قالَ في كلّ يومٍ حينَ يصبحُ وحينَ يمسي: حسبيَ الله لا إلهَ إلا هوَ عليهِ توكلتُ وهو ربُّ العرشِ العظيم سبعَ مراتٍ كفاهُ الله عزّ وجلّ همَّهُ من أمرِ الدّنيا".
৮০ - عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "من قرأَ ءايةَ الكُرسيّ وأولَ حم المؤمن عُصِمَ ذلكَ اليومِ مِن كُلّ سوءٍ".
৮৩- عن ابن مسعود قال: "من قرأ عشر ءايات من سورة البقرة في بيت في ليلة لم يدخل في ذلك البيت شيطان تلك الليلة حتى يصبح، أربع ءايات من أولها وءاية الكرسي وءايتين بعدها وثلاث خواتيمها أولها: ্রلله ما في السمواتগ্ধ [سورة البقرة].
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
الم (১) ذَلِكَ الْكِتَابُ لَا رَيْبَ فِيهِ هُدًى لِلْمُتَّقِينَ (২) الَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِالْغَيْبِ وَيُقِيمُونَ الصَّلَاةَ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُونَ (৩) وَالَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْكَ وَمَا أُنْزِلَ مِنْ قَبْلِكَ وَبِالْآخِرَةِ هُمْ يُوقِنُونَ (৪)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ لَهُ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ (২৫৫) لَا إِكْرَاهَ فِي الدِّينِ قَدْ تَبَيَّنَ الرُّشْدُ مِنَ الْغَيِّ فَمَنْ يَكْفُرْ بِالطَّاغُوتِ وَيُؤْمِنْ بِاللَّهِ فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَى لَا انْفِصَامَ لَهَا وَاللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ (২৫৬) اللَّهُ وَلِيُّ الَّذِينَ ءَامَنُوا يُخْرِجُهُمْ مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ وَالَّذِينَ كَفَرُوا أَوْلِيَاؤُهُمُ الطَّاغُوتُ يُخْرِجُونَهُمْ مِنَ النُّورِ إِلَى الظُّلُمَاتِ أُولَئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ (২৫৭)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
لِلَّهِ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَإِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُسِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُمْ بِهِ اللَّهُ فَيَغْفِرُ لِمَنْ يَشَاءُ وَيُعَذِّبُ مَنْ يَشَاءُ وَاللَّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ (২৮৪) ءَامَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْهِ مِنْ رَبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ كُلٌّ ءَامَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِنْ رُسُلِهِ وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ (২৮৫) لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِنَا رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا أَنْتَ مَوْلَانَا فَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ (২৮৬)
৮৪ - عن ابن مسعود قال: من قرأ أربعَ ءاياتٍ من أولِ سورةِ البقرةِ وءايةِ الكرسي وءايتين بعد ءاية الكرسي وثلاثًا من ءاخرِ سورةِ البقرةِ لم يقربهُ ولا أهلُه يومئذٍ شيطانٌ ولا شىء يكرهُهُ".
৮৪- عن عبد الله بن خبيب قال: خرجنا في ليلة مطر مظلمة شديدة نطلب رسول الله صلى الله عليه وسلم فأدركناه فقال: "قل"، فقلت: ما أقول، قال: "قل هوَ الله أحد والمعوذتينِ حينَ تُمسي وحين تصبحُ ثلاثَ مراتٍ تكفيكَ من كل شىءٍ".
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ (১) اللَّهُ الصَّمَدُ (২) لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ (৩) وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ (৪)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ (১) مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (২) وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ (৩) وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ (৪) وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ (৫)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ (১) مَلِكِ النَّاسِ (২) إِلَهِ النَّاسِ (৩) مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ (৪) الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ (৫) مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ (৬)
১১২- عن أسماء بنت واثلة بن الأسقع قالت: كان أبي إذا صلى الصبح جلس مستقبل القبلة حتى تطلع الشمس فربما كلمته في الحاجة فلا يكلمني فقلت: ما هذا؟ فقال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: "مَن صلّى الصبحَ ثم قَرأ قل هوَ الله أحدٌ مائةَ مرةٍ قبلَ أن يتكلّمَ،فكلما قَرأ قل هوَ الله أحدٌ غُفِرَ لهُ ذنبُ سنةٍ".
১১৩ - عن أنس رضي الله عنه، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: "مَن قَرأ قل هوَ الله أحدٌ خمسينَ مرةً غُفِرَ لهُ ذنوبُهُ خمسينَ سنة".
১১৪ - عن جابر بن عبد الله قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "من قرأ قل هوَ الله أحدٌ في كلّ يومٍ خمسينَ مرةً نُوديَ يومَ القيامةِ من قبرِهِ قُم يا مادِحَ الله فادخل الجنةَ".
১১৫ - عن البراء بن عازب رضي الله عنه مرفوعًا: "من قرأ قل هوَ الله أحدٌ مائةَ مرةٍ بعدَ صلاةِ الغَدَاةِ قبلَ أن يكلّمَ أحدًا رُفِعَ لهُ ذلكَ اليومِ عملُ خمسينَ صدّيقًا".
১১৬ - عن أنس رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "من قرأ كل يومٍ مائةَ مرةٍ قل هوَ الله أحدٌ كُتبَ لهُ ألفٌ وخمسمائةِ حسنةٍ ومُحيَ عنهُ ذنوبُ خمسينَ سنة إلا أن يكونَ عليهِ دَينٌ".
১১৭ - عن أنس رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: "من قرأ قل هوَ الله أحدٌ مائةَ مرةٍ غُفِرَ لهُ خطيئةُ خمسينَ سنة إذا اجتنبَ أربعَ خصالٍ: الدّماءُ والأموالُ والفروجُ والأشربةُ".
৯০ - عن أبي الدرداء قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "من صلى عليّ حين يصبحُ عشرًا وحين يمسي عشرًا أدركَتْهُ شفاعتي يومَ القيامةِ".
র্যাংক পরিধানের দু’আ
হে আলাহ! আমাদের এক সহকর্মী আজকে র্যাংক পরিধান করেছেন, এই র্যাংককে তুমি কবূল করে নাও। র্যাংক এর উপর রহমত ও বরকত নাযিল কর। র্যাংক কে যাবতীয় কল্যান ও মঙ্গল দান কর এবং যাবতীয় অকল্যাণ ও অমঙ্গল দূর করে দাও।
এই র্যাংক এর সম্মান তাঁকে রক্ষা করার তৌফিক দান কর। এই র্যাংক এর গুরুদায়িত্বভার বহণের তৌফিক দান কর। এই জন্য যতটুকু যোগ্যতা ও দক্ষতা দরকার তা তুমি তাকে দান কর। শারীরিক ও মানষিকভাবে সুস্থ্য রাখ।
সুষ্ঠু ভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য অধিনস্তদের পক্ষ থেকে যতটুকু সহযোগীতার প্রয়োজন, অধিনস্তদের অন্তরে সে সহযোগীতার মনোভাব সৃষ্টি করে দাও।
(চট্রগ্রাম) ডেইরি ফার্ম উদ্বোধনী মুনাজাত
তারিখঃ- ০৫ নভেম্বর ২০১৩
১।
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ ﴿الأعراف: ٢٣﴾
رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ الْأَبْرَارِ ﴿آلعمران: ١٩٣﴾
২। হে আলাহ! আজ চট্টগ্রাম সেনানিবাস ডেইরি ফার্ম ইউনিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে এতক্ষণ পর্যন্ত যতটুকু তেলাওয়াতে কোরান, ও অন্যান্য দোওয়া, দরূদ, এস্তেগফার পাঠ করা হয়েছে তা তুমি কবুল কর।
৩। যে উদ্দেশ্য নিয়ে এই ইউনিট প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, সেই মহতী উদ্দোগকে সফল ও সার্থক করার তৌফিক দান কর।
৪। এই ইউনিট প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে যারা উদ্দোগ, পৃষ্ঠপোষকতা, আর্থিক যোগান, সাহায্য-সহযোগিতা এবং অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তাদেরকে উত্তম পুরস্কার দান কর।
৫। অত্র ইউনিটের প্রতি রহমত, বরকত ও করুণা নাযিল কর। যাবতীয় বিপদ-আপদ, বালা-মসীবত থেকে অত্র ইউনিট ও সকল গবাদী পশুকে হেফাযত কর। সকল প্রকারের অকল্যাণ ও অমঙ্গল দূর কর। চলার পথের সকল বাধা বিপত্তি দুর কর। দীর্ঘদিন পর্যন্ত এই ইউনিটের স্থায়ীত্ব দান কর।
৬। বর্তমানে যারা ইউনিটে কর্মরত রয়েছেন তাদেরকে এবং তাদের পরিবার বর্গকে হেফাযত কর। শারীরিক ও মানষিক ভাবে সুস্থ রাখ। সবাইকে সৎ ও পবিত্র জীবন যাপনের তৌফিক দান কর। নিজ নিজ পেশার প্রতি ও দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সবাইকে আরো আন্তরিক ও দায়িত্বসচেতন হওয়ার তৌফিক দাও।
৭। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের উপর রহমত নাযিল কর। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত হেফাযত কর।
৮। বাংলাদেশ শসস্ত্র বাহিনী বিশেষ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপর রহমত নাযিল কর। সেনাবাহিনীর যে সকল সদস্য দেশে বিদেশে এবং পার্বত্য এলাকায় যে যেখানে কর্মরত রয়েছেন, সকলের জান-মাল, পরিবার-পরিজনকে হেফাযত কর।
৯। ২৪ পদাতিক ডিভিশনসহ অধিনস্ত সকল ইউনিটের সামরিক বেসামরিক সদস্যদের উপর রহমত নাযিল কর।
১০। যারা


No comments:
Post a Comment