Tuesday, December 22, 2020

আল কুরআনের আলোকে সচ্চরিত্রবান মুসলিমের পরিচয়

আল কুরআনের আলোকে সচ্চরিত্রবান মুসলিমের পরিচয়

MS Word file ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

PDF File ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। 

১। ভূমিকাঃ

উপস্থিত সম্মানিত মুসুল্লিয়ান !

মানব জীবনের রাজমুকুট ও দীপ্তি হচ্ছে চরিত্র। চরিত্র মানব জীবনের অমূল্য সম্পদ, শ্রেষ্ঠতম অলংকার। মানুষের আসল চিত্রই হচ্ছে তার চরিত্র। আর মানুষের মূল্যায়নের মাপকাঠিই হচ্ছে তার চরিত্র । যার চরিত্র যতবেশি সুন্দর ও আর্কষনীয় তার জীবন ততবেশী উন্নত এবং সকলের কাছে হয় গ্রহণীয়। ইসলামে চারিত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব অপরিসীম। নবী আগমনের অন্যতম একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে মানব চরিত্রের উন্নতি সাধন। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেন, “আমি উত্তম চরিত্রকে পূর্ণতা দান করতে প্রেরিত হয়েছি’’ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) সর্ম্পকে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই আপনি মহান চরিত্রের ও সৎ স্বভাবের অধিকারী’’ সুরা কালাম, আয়াত-০৪

 ২।     সচ্চরিত্রের চিহ্ন সর্ম্পকে আল্লাহ তায়াল বলেনঃ

لَّيْسَ الْبِرَّ أَن تُوَلُّوا وُجُوهَكُمْ قِبَلَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ وَلَٰكِنَّ الْبِرَّ مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالْكِتَابِ وَالنَّبِيِّينَ وَآتَى الْمَالَ عَلَىٰ حُبِّهِ ذَوِي الْقُرْبَىٰ وَالْيَتَامَىٰ وَالْمَسَاكِينَ وَابْنَ السَّبِيلِ وَالسَّائِلِينَ وَفِي الرِّقَابِ وَأَقَامَ الصَّلَاةَ وَآتَى الزَّكَاةَ وَالْمُوفُونَ بِعَهْدِهِمْ إِذَا عَاهَدُوا ۖ وَالصَّابِرِينَ فِي الْبَأْسَاءِ وَالضَّرَّاءِ وَحِينَ الْبَأْسِ ۗ أُولَٰئِكَ الَّذِينَ صَدَقُوا ۖ وَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُتَّقُونَ

পূর্ব ও পশ্চিমে মুখ ফিরানোর মধ্যে সৎকাজ সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রকৃত সৎকর্মশীল তারাই যারা ঈমান আনে আল্লাহ, আখিরাত, ফিরিশতা, কিতাবও নবীদের প্রতি। আর আল্লাহর প্রতি ভালবাসার দরুন সম্পদ খরচ করে নিকট আত্মীয়-স্বজন, ইয়াতীম, মিসকানী, অসহায় পথিক ও অভাবী লোকদের জন্যে এবং ক্রীতদাস মুক্তির জন্যে। তারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত আদায় করে এবং প্রতিশ্রুতি পূরণ করে। আর ধৈর্য ধারণ করে, ব্যক্তিগত বিপদ-আপদ এবং যুদ্ধের ময়দানে, তারাই সত্যিকারের ঈমানদার এবং তারাই প্রকৃত আদর্শ (সচ্চরিত্রবান) মানুষ’’। সুরা বাকারা, আয়াত-১৭৭

* এ আয়াতে সচ্চরিত্রবান মানুষের পাঁচটি গুনের কথা উল্লেখ করা হয়েছেঃ

(১)      আল্লাহ, আখিরাত, ফিরিশতা, কিতাব ও নবীদের প্রতি বিশ্বস স্থাপন।

(২)     অভাবী লোকদের আর্থিক সাহায্য করা।

(৩)     নামায কায়েম ও যাকাত আদায় করা।

(৪)     প্রতিশ্রতি পূর্ণ করা।

(৫)     ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে যুদ্ধের ময়দান পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করা।

 

৩।     সচ্চরিত্রবান মানুষদের জন্যে আল্লাহ তায়ালা আখিরাতে পুরস্কারের কথা উল্লেখ করে তাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সর্ম্পকে বলেনঃ

الَّذِينَ يُنفِقُونَ فِي السَّرَّاءِ وَالضَّرَّاءِ وَالْكَاظِمِينَ الْغَيْظَ وَالْعَافِينَ عَنِ النَّاسِ وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ ﴿آل‌عمران: ١٣٤﴾

যারা সুসময়ে-দুঃসময়ে (সচ্ছল-অসচ্ছল) সকল অবস্থায় আল্লাহর পথে অর্থ-সম্পদ খরচ করে, যারা রাগ নিয়ন্ত্রন করে, মানুষকে ক্ষমা করে, আল্লাহ তায়ালা এমন বান্দাদের পছন্দ করেন’’

তাদের আরো বৈশিষ্ট্য হলো,

وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَن يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا اللَّهُ وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَىٰ مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ ﴿آل‌عمران: ١٣٥﴾

যখন তারা কোন মন্দ কাজ করে ফেলে অথবা তাদের নিজের আত্মার (নফসের) প্রতি যুলম (অত্যাচার) করে ফেলে তখনি আল্লাহর কথা স্মরণ (আল্লাহর শাস্তির ভয়) করে তার নিকট ক্ষমা চায়। তারা জেনে শুনে খোন খারাপ কাজ-কারবার করেনা, আল্লাহ ছাড়া আর কে আছে অপরাধ মার্জনা করার?’’ সুরা আলে ইমরান, আয়াতঃ১৩৪-১৩৫।

* এ আয়াতে সচ্চরিত্রবান মুসলিমদের চারটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হয়েছেঃ

(১)      সুখ-দুঃখ (সচ্ছল-অসচ্ছল) সর্বাবস্থায় আল্লাহর পথে খরচ করা।

(২)     রাগ বা ক্রোধ নিয়ন্ত্রনের যোগ্যতা।

(৩)     মানুষের প্রতি ক্ষমা সুন্দর আচরণ করা।

(৪)     মানবীয় দূবলতাবশতঃ কোন অপরাধজনিত কাজ হয়ে গেলে সাথে সাথে আল্লাহর কথা স্মরণ করে ক্ষমা চাওয়া এবং জেনে-শুনে পাপ কাজে লিপ্ত না থাকা।

৪।     সচ্চরিত্রবান মানুষের কি করণীয় সে সর্ম্পকে আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا مَن يَرْتَدَّ مِنكُمْ عَن دِينِهِ فَسَوْفَ يَأْتِي اللَّهُ بِقَوْمٍ يُحِبُّهُمْ وَيُحِبُّونَهُ أَذِلَّةٍ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ أَعِزَّةٍ عَلَى الْكَافِرِينَ يُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَلَا يَخَافُونَ لَوْمَةَ لَائِمٍ ذَٰلِكَ فَضْلُ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَن يَشَاءُ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ ﴿المائدة: ٥٤﴾

হে ঈমানদার লোকেরা ! তোমাদের মধ্যে যদি কেহ এ দ্বীন থেকে পৃষ্ট প্রদর্শন করে (দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম থেকে সরে যায়, তারা যেন জেনে রাখে) আল্লাহ তাদের পরিবর্তে অন্যদের এ কাজে নিয়োজিত করবেন। আল্লাহ তাদের ভালবাসেন, যারা আল্লাহকে ভালবাসবে।  তারা মুমিনদের প্রতি হবে বিনয়ী, নম্র এবং এতে কোন নিন্দুকের নিন্দ আর সমালোচকের সমালোচনার পরোয়া করবেনা এটা আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। তিনি যাকে চান তাকে এই বিশেষ অনুগ্রহে ধন্য করেন,আর আল্লাহতো অতি বিশাল ও সীমাহীন জ্ঞানের অধিকারী’’। সুরা মায়িদা, আয়াত-৫৪

 * উল্লেখিত আয়তে আল্লাহ তায়ালা ঈমানদার সচ্চরিত্রবান মানুষদের কাছে (০৪) চারটি গুন দেখতে চানঃ

(১)      তারা আল্লাহকে বেশী ভয় করবে ।

(২)     মুমিনরা বিনয়ও নম্র আচরণ করে এবং কুফরীর প্রতি আপোষহীন কঠোর।

(৩)     তারা হবে আল্লাহর পথে নিরলস সংগ্রামী।

(৪)     তারা সঠিক ও সৎপথে চলতে গিয়ে কোন নিন্দুকের নিন্দা, সমালোচকের সমালোচনায় কর্ণপাত করে না।

 ৫।     সুরা তাওবাতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা সচ্চরিত্রবান লোকদের গুন সর্ম্পকে বলেনঃ

التَّائِبُونَ الْعَابِدُونَ الْحَامِدُونَ السَّائِحُونَ الرَّاكِعُونَ السَّاجِدُونَ الْآمِرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَالنَّاهُونَ عَنِ الْمُنكَرِ وَالْحَافِظُونَ لِحُدُودِ اللَّهِ وَبَشِّرِ الْمُؤْمِنِينَ ﴿التوبة: ١١٢﴾

তারা তাওবাকারী, ইবাদত কারী, আল্লাহর প্রশংসাকারী, আল্লাহর পথে ভ্রমনকারী, আল্লাহর দরবারে রুকু এবং সিজদাকারী। তারা সৎকাজরে আদেশ দানকারী এবং অসৎ ও অন্যায় কাজে বাধা দানকারী, তারা আল্লাহর আইনের সীমানা রক্ষাকারী, এই মুমিনদেরকে তুমি শুভ সংবাদ দাও’’। সুরা তাওবা, আয়াত-১১২

 ৬।     চরিত্রে কোন ধরণের গুনাবলী থাকলে সফলতা লাভ করা যায় সে সর্ম্পকে আল্লাহপাক বলেনঃ

قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ (১) الَّذِينَ هُمْ فِي صَلَاتِهِمْ خَاشِعُونَ (২) وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ (৩) وَالَّذِينَ هُمْ لِلزَّكَاةِ فَاعِلُونَ (৪) وَالَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُونَ (৫) إِلَّا عَلَى أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ (৬) فَمَنِ ابْتَغَى وَرَاءَ ذَلِكَ فَأُولَئِكَ هُمُ الْعَادُونَ (৭) وَالَّذِينَ هُمْ لِأَمَانَاتِهِمْ وَعَهْدِهِمْ رَاعُونَ (৮) وَالَّذِينَ هُمْ عَلَى صَلَوَاتِهِمْ يُحَافِظُونَ (৯) أُولَئِكَ هُمُ الْوَارِثُونَ (১০) الَّذِينَ يَرِثُونَ الْفِرْدَوْسَ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ (১১)

মুমিনগণ অবশ্যই সফল হবে, যারা নামাযে বিনয়, নম্রতা প্রদর্শনকারী, যারা বেহুদা বা অনর্থক জিনিস ও কাজ থেকে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে চলে। যারা আত্মশুদ্ধির সাধনা করে, যারা তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। অবশ্যই বিবাহিত স্ত্রীও দক্ষিণ হস্তের অধিকারীদের ব্যাপারে ব্যতিক্রম, এতে তারা নিন্দনীয় হবেনা। তবে যারা এর বাইরে এটাকে ব্যবহার করবে তারা সীমালংঘনকারী, যারা তাদের আমানত ও ওয়াদা সংরক্ষণ করে। আর যারা তাদের নামায সমূহের হেফাজতে নিয়োজিত থাকে । সুরা মুমিনুন, আয়াতঃ০১-০৯

 * অত্র আয়াতের পাঁচটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হয়েছেঃ

(১)      নামাজে বিনয় ও নম্রতা প্রকাশ করা।

(২)     অর্থহীন কার্যক্রম ও কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা এবং এগুলোর প্রতি ভ্রক্ষেপ না করা।

(৩)     আত্মার পরিশুদ্ধি বা তাযকিয়া অর্জনের সাধনা করা।

(৪)     যৌবিক চাহিদা পূরণে আল্লাহর দেয়া সীমালংঘন না করা ।

(৫)     আমানত ও ওয়াদা সমূহের সংরক্ষণ করা।

 

৭।     অন্য একটি আয়াতে ঈমানদারের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সর্ম্পকে আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ

مُّحَمَّدٌ رَّسُولُ اللَّهِ وَالَّذِينَ مَعَهُ أَشِدَّاءُ عَلَى الْكُفَّارِ رُحَمَاءُ بَيْنَهُمْ تَرَاهُمْ رُكَّعًا سُجَّدًا يَبْتَغُونَ فَضْلًا مِّنَ اللَّهِ وَرِضْوَانًا سِيمَاهُمْ فِي وُجُوهِهِم مِّنْ أَثَرِ السُّجُودِ ذَٰلِكَ مَثَلُهُمْ فِي التَّوْرَاةِ وَمَثَلُهُمْ فِي الْإِنجِيلِ كَزَرْعٍ أَخْرَجَ شَطْأَهُ فَآزَرَهُ فَاسْتَغْلَظَ فَاسْتَوَىٰ عَلَىٰ سُوقِهِ يُعْجِبُ الزُّرَّاعَ لِيَغِيظَ بِهِمُ الْكُفَّارَ وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ مِنْهُم مَّغْفِرَةً وَأَجْرًا عَظِيمًا ﴿الفتح: ٢٩﴾

মুহাম্মদ আল্লাহর রসূল এবং তাঁর সহচরগণ কাফেরদের প্রতি কঠোর, নিজেদের মধ্যে পরস্পর সহানুভূতিশীল। আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় আপনি তাদেরকে রুকু ও সেজদারত দেখবেন। তাদের মুখমন্ডলে রয়েছে সেজদার চিহ্ন । তওরাতে তাদের অবস্থা এরূপ এবং ইঞ্জিলে তাদের অবস্থা যেমন একটি চারা গাছ যা থেকে নির্গত হয় কিশলয়, অতঃপর তা শক্ত ও মজবুত হয় এবং কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে-চাষীকে আনন্দে অভিভুত করে-যাতে আল্লাহ তাদের দ্বারা কাফেরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের ওয়াদা দিয়েছেন। সুরা আল ফাতহ, আয়াত-২৯

 

* এ আয়াতেও রাসুল (সাঃ) এবং তার সাথী অর্থ্যাৎ ঈমানদারদের চারটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ফুটে উচেছেঃ

(১)      তারা কুফরী শক্তির প্রতি হবে বজ্র কঠোর এবং আপোষহীন।

(২)     তারা পরস্পরের প্রতি দয়াশীল।

(৩)     তারা রুকু ও সিজদার মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি সদা বিনয় অবনত থাকে।

(৪)     তারা সকল কর্মকান্ড ও আদর্শিকতা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম সাধনার মাধ্যমে পেতে চায় কেবল আল্লাহর করুনা ও সন্তুষ্টি।

 

৮। উপসংহারঃ

আজকের আলোচনা থেকে আমারা এতটুকু বুঝার চেষ্টা করবো যে মানব জীবনের সামগ্রিক আচরনই হচ্ছে চরিত্র। আর চরিত্রের মধ্যে সচ্চরিত্র দিয়ে মানুষের সার্বিক জীবন সুন্দর ও স্বার্থক হয়। পক্ষান্তরে অসৎ ও মিশ্র চরিত্রের দ্বারা মানুষের জীবন হয় কলুষিতও নিন্দিত। অতএব উত্তম সচ্চরিত্র গঠন করতে হলে আমাদেরকে অবশ্যই রাসুল (সাঃ) এর চরিত্রে চরিত্রবান হতে হবে। হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসুল (সাঃ) এর চরিত্রই হচ্ছে মহাগ্রন্থ আলকুরআন। আল্লাহ বলেন, তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে উত্তম চরিত্রের নমুন বিদ্যমান। (সুরা আহযাব, আয়াত-২১)। আল্লাহ আমাদেরকে কুরআন ও হাদিসের আলোকে সচ্চরিত্র অর্জনের তাওফিক দান করুন আমীন।

  

মো. উমর ফারুক

বি. এ (অনার্স), এম. এ, কামিল তাফসীর, দাওরায়ে হাদীস,

প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, এম ও এফ ইসলামিক সেন্টার,

গাবতলী, বগুড়া।

দূরালাপনিঃ ০১৭১৭৯৫৪৩৪৭

জুমার খুতবা/মোটিভেশন ক্লাস/প্রবন্ধ পেতে ভিজিট করুন

www.membarerdhoni.xyz

No comments:

Post a Comment