Monday, September 14, 2020

দৈনন্দিন পিটি, দরবার বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পঠিতব্য আয়াত বা দূ’আ সমূহ

দৈনন্দিন পিটি/দরবার/বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পঠিতব্য আয়াত বা দূ’আ সমূহ

দৈনন্দিন পিটি/দরবার/বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পঠিতব্য আয়াত বা দূ’আ সমূহ
দৈনন্দিন পিটি/দরবার/বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পঠিতব্য আয়াত বা দূ’আ সমূহ


اِنْـفِـرُوْا خِـفَـافًـا وَّثِـقَـالًا وَّجَـاهِـدُوْا بِـاَمْـوَالِـكُـمْ وَاَنـفُسِـكُـمْ فِـيْ سَـبِـيْـلِ الـلّٰـهِ ۚ  ذٰلِـكُـمْ خَـيْـرٌ لَّـكُـمْ اِنْ كُـنْـتُـمْ تَـعْـلَـمُـوْنَ ﴿التوبة: ٤١﴾ 
‘‘তোমরা বের হয়ে পড় (যুদ্ধের জন্য) হালকা কিংবা ভারী সরঞ্জাম নিয়ে এবং লড়াই (জিহাদ) কর আল্লাহর পথে নিজেদের জিবন ও সম্পদ দিয়ে, এটি তোমাদের জন্যে কল্যাণকর, যদি তোমরা তা বুঝতে।’’ -সূরা তাওবাহ্ ঃ ৪১

يَـآ اَيُّـهَـا الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا خُـذُوْا حِـذْرَكُـمْ فَـانْـفِـرُوْا ثُـبَـاتٍ اَوِ انْـفِـرُوْا جَـمِـيْـعًا ﴿النساء: ٧١﴾
‘‘হে ঈমানদারগণ! নিজেদের অস্ত্র তুলে নাও এবং পৃথক পৃথক সৈন্যদলে কিংবা সমবেতভাবে বেরিয়ে পড়।’’ -সূরা নিসা ঃ ৭১

يَـآ اَيُّـهَـا الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا اِنَّـمَـا الْـخَـمْـرُ وَالْـمَـيْـسِـرُ وَالْاَنْـصَـابُ وَالْاَزْلَامُ رِجْـسٌ مِّـنْ عَـمَـلِ الـشَّـيْـطَـانِ فَـاجْـتَـنِـبُـوْهُ لَـعَـلَّـكُـمْ تُـفْـلِـحُـوْنَ ﴿المائدة: ٩٠﴾
‘‘হে ঈমানদারগণ, বস্তুত মদ, জুয়া, প্রতিমা পূজা এবং ভাগ্য-নির্ধারক লটারী (শরসমূহ) এসবই শয়তানের অপবিত্র কাজ। অতএব, তোমরা এগুলো থেকে বেঁচে থাক, আসা করা যায় অবশ্যই তোমরা সাফল্য লাভ করতে পারবে।’’ -সূরা মায়িদা ঃ ৯০

وَمَـنْ يُّـطِـعِ الـلّٰـهَ وَالـرَّسُـوْلَ فَـاُولٰٓـئِـكَ مَـعَ الَّـذِيْـنَ اَنْـعَـمَ الـلّٰـهُ عَـلَـيْـهِـمْ مِّـنَ الـنَّـبِـيِّـيْـنَ وَالـصِّـدِّيْـقِـيْـنَ وَالـشُّـهَـدَآءِ وَالـصَّـالِـحِـيْـنَ ۚ وَحَـسُـنَ اُولٰٓـئِـكَ رَفِـيْـقًـا ﴿النساء: ٦٩﴾
‘‘আর যে কেউ আল্লাহর হুকুম এবং তার রসূলের হুকুম মান্য করবে, সে ঐ সব লোকদের সঙ্গী হবে, যাদের প্রতি আল্লাহ নিয়া‘মত দান করেছেন। আর তাঁরা হলেন নবী, ছিদ্দীক, শহীদ ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিবর্গ। আর তাদের সান্নিধ্যই হল উত্তম।’’ -সূরা নিসা ঃ ৬৯

يَـآ اَيُّـهَـا الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا اَنْـفِـقُـوْا مِـمَّـا رَزَقْـنَـاكُـمْ مِّـنْ قَـبْـلِ اَنْ يَّـأْتِـيَ يَـوْمٌ لَّا بَـيْـعٌ فِـيْـهِ وَلَا خُـلَّـةٌ وَّلَا شَـفَـاعَـةٌ ۗ  وَالْـكَـافِـرُوْنَ هُـمُ الـظَّـالِـمُـوْنَ ﴿البقرة: ٢٥٤﴾
‘‘হে ঈমানদারগণ! আমি তোমাদেরকে যে রুজি দিয়েছি, তা থেকে তোমরা ব্যয় কর সেদিন আসার পূর্বেই, যে দিন কোন বেচা-কেনা, কোন বন্ধুত্ব কিংবা কোন সুপারিশ কাজে আসবে না। আর কাফেররাই হলো প্রকৃত যালেম।’’ -সূরা বাক্বারা ঃ ২৫৪

وَلَا تَـلْـبِـسُـوْا الْـحَـقَّ بِـالْـبَـاطِـلِ وَتَـكْـتُـمُـوْا الْـحَـقَّ وَاَنْـتُـمْ تَـعْـلَـمُـوْنَ (৪২) وَاَقِـيْـمُـوْا الـصَّـلَاةَ وَاٰتُـوْا الـزَّكَـاةَ وَارْكَـعُـوْا مَـعَ الـرَّاكِـعِـيْـنَ ﴿البقرة: ٤٣-٤٢﴾ 
‘‘তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিয়ো না এবং জেনে-বুঝে সত্যকে গোপন করো না। আর নামায কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং নামাযে অবনত হও তাদের সাথে, যারা অবনত হয়।’’ -সূরা বাক্বারা ঃ ৪২-৪৩

يَـآ اَيُّـهَـا الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا اسْـتَـعِـيْـنُـوْا بِـالـصَّـبْـرِ وَالـصَّـلَاةِ ۚ اِنَّ الـلّٰـهَ مَـعَ الـصَّـابِـرِيْـنَ﴿البقرة: ١٥٣﴾
‘‘হে মুমিনগণ। তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চিয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।’’ -সূরা বাক্বারা ঃ ১৫৩

وَلَا تَـقُـوْلُـوْا لِـمَـنْ يُّـقْـتَـلُ فِـيْ سَـبِـيْـلِ الـلّٰـهِ اَمْـوَاتٌ ۚ بَـلْ اَحْـيَـآءٌ وَّلٰـكِـنْ لَّا تَـشْـعُـرُوْنَ﴿البقرة: ١٥٤﴾
‘‘আর যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদেরকে তোমরা মৃত বলো না; বরং তাঁরা জীবিত, কিন্তু তোমরা তা বুঝ না।’’ -সূরা বাক্বারা ঃ ১৫৪

وَلَـنَـبْـلُـوَنَّـكُـم بِـشَـيْـئٍ مِّـنَ الْـخَـوْفِ وَالْـجُـوعِ وَنَـقْـصٍ مِّـنَ الْاَمْـوَالِ وَالْاَنْـفُـسِ وَالـثَّـمَـرَاتِ ۗ  وَبَـشِّـرِ الـصَّـابِـرِيْـنَ ﴿البقرة: ١٥٥﴾
‘‘আর অবশ্যই আমি তোমাদেরকে মাঝে মধ্যে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়-ভীতি, ক্ষুধা-দারিদ্র, জান-মালের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। (এ সকল বিষয়ে যারা ধৈর্য ধারণ করবে হে রাসূল আপনি এসকল ধৈর্য ধারণকারীদের (জান্নাতের) সুসংবাদ জানিয়ে দিন।’’ -সূরা বাক্বারা ঃ ১৫৫

يَـآ اَيُّـهَـا الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا لَا تَـدْخُـلُـوْا بُـيُـوْتًـا غَـيْـرَ بُـيُـوْتِـكُـمْ حَـتّٰـى تَـسْـتَـأْنِـسُـوْا وَتُـسَـلِّـمُـوْا عَلٰـى اَهْـلِـهَـا ۚ ذٰلِـكُـمْ خَـيْـرٌ لَّـكُـمْ لَـعَـلَّـكُـمْ تَـذَكَّـرُوْنَ ﴿النور: ٢٧﴾
‘‘হে ঈমানদারগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্যের গৃহে ততক্ষণ পর্যন্ত প্রবেশ করো না, যতক্ষণ পর্যন্ত না তোমরা গৃহের অধিবাসীদেরকে সালাম দিয়েছ এবং তাদের  অনুমতি নিয়েছ। এটাই তোমাদের জন্যে কল্যাণকর, আসা করা যায় অবশ্যই তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে।’’ -সূরা নূর ঃ ২৭ 

اِنَّ الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا وَعَـمِـلُـوْا الـصَّـالِـحَـاتِ كَـانَـتْ لَـهُـمْ جَـنَّـاتُ الْـفِـرْدَوْسِ نُـزُلًا (١٠٧) خَـالِـدِيْـنَ فِـيْـهَـا لَا يَـبْـغُـوْنَ عَـنْـهَـا حِـوَلًا ﴿الكهف: ١٠٧-١٠٨﴾
‘‘যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের অভ্যর্থনার জন্যে রয়েছে জান্নাতুল ফেরদাউস। সেখানে তারা চিরকাল অবস্থান করবে, সেখান থেকে তারা কখনো স্থান পরিবর্তন করতে চাইবে না।’’ -সূরা কাহাফ ঃ ১০৭-১০৮
وَاَعِـدُّوْا لَـهُـمْ مَّـا اسْـتَـطَـعْـتُـمْ مِّـنْ قُـوَّةٍ وَّمِـنْ رِّبَـاطِ الْـخَـيْـلِ تُـرْهِـبُـوْنَ بِـهِ عَـدُوَّ الـلّٰـهِ وَعَـدُوَّكُـمْ وَاٰخَـرِيْـنَ مِـن دُوْنِـهِـمْ لَا تَـعْـلَـمُـوْنَـهُـمُ الـلّٰـهُ يَـعْـلَـمُـهُـمْ ۚ وَمَـا تُـنْـفِـقُـوْا مِـنْ شَـيْـئٍ فِـيْ سَـبِـيْـلِ الـلّٰـهِ يُـوَفَّ اِلَـيْـكُـمْ وَاَنْـتُـمْ لَا تُـظْـلَـمُـوْنَ ﴿الأنفال: ٦٠﴾
‘‘আর তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ি শক্তি অর্জন কর এবং তোমাদের অশ্ব বাহিনী প্রস্তুত রাখ। যাতে তোমরা তোমাদের শত্রু ও আল্লাহর শত্রুদের ভীত সন্ত্রস্ত করতে পার এবং তাদেরকেও পরাভ‚ত করতে পার যাদেরকে তোমরা চিন না অথচ আল্লাহ তাদেরকে চেনেন। বস্তুত যা কিছু আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় কর না কেন, তা তোমরা পরিপূর্ণভাবে ফিরে পাবে এবং তোমাদের কোন কিছুই অপূর্ণ থাকবে না।’’ -সূরা আনফাল ঃ ৬০ (জিওসি মহোদয়ের দরবার যশোর ক্যান্টঃ ১০১৬)

وَفَـضَّـلَ الـلّٰـهُ الْـمُـجَـاهِـدِيْـنَ عَـلٰـى الْـقَـاعِـدِيْـنَ اَجْـرًا عَـظِـيْـمًـا (৯৫) دَرَجَـاتٍ مِّـنْـهُ وَمَـغْـفِـرَةً وَّرَحْـمَـةً وَّكَـانَ الـلّٰـهُ غَـفُـوْرًا رَحِـيْـمًـا ﴿النساء: ٩٦-٩٥﴾
‘‘আর আল্লাহর নিকট মুজাহিদ তথা যোদ্ধাদের কল্যাণকর কাজের ফল বসে থাকা লোকদের চেয়ে অনেক বেশী। তাঁদের জন্য রয়েছে বড় সম্মান/মর্যাদা, ক্ষমা ও অনুগ্রহ; আর আল্লাহ ক্ষমাশীল ও মহা অনুগ্রহকারী।’’ -সূরা নিসা ঃ ৯৫-৯৬

يَـآ اَيُّـهَـا الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا هَـلْ اَدُلُّـكُـمْ عَـلٰـى تِـجَـارَةٍ تُـنْـجِـيْـكُمْ مِّـنْ عَـذَابٍ اَلِـيْـمٍ (১০) تُـؤْمِـنُـوْنَ بِـالـلّٰـهِ وَرَسُـوْلِـهِ وَتُـجَـاهِـدُوْنَ فِـيْ سَـبِـيْـلِ الـلّٰـهِ بِـاَمْـوَالِـكُـمْ وَاَنْـفُـسِـكُـمْ ۚ ذٰلِـكُـمْ خَـيْـرٌ لَّـكُمْ اِنْ كُـنْـتُـمْ تَـعْـلَـمُـوْنَ ﴿الصف: ١٠-١١﴾
‘‘হে ইমানদাগণ! আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি ব্যবসার (বাণিজ্যের) কথা বলে দিব? যা তোমাদেরকে (জাহান্নামের কঠিন) যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে মুক্তি দিবে? আর তা হলো, তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে এবং আল্লাহর পথে নিজেদের জীবন ও সম্পদ দিয়ে (জিহাদ) লড়াই করবে। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম; যদি তোমরা তা উপলব্ধি করতে।’’ -সূরা ছফ্ ঃ ১০-১১

يَـآ اَيُّـهَـا الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا اتَّـقُـوْا الـلّٰـهَ وَقُـوْلُـوْا قَـوْلًا سَـدِيْـدًا (৭০) يُـصْـلِـحْ لَـكُمْ اَعْـمَـالَـكُمْ وَيَـغْـفِـرْ لَـكُمْ ذُنُـوْبَـكُمْ ۗ وَمَـنْ يُّـطِـعِ الـلّٰـهَ وَرَسُـوْلَـهُ فَـقَـدْ فَـازَ فَـوْزًا عَـظِـيْـمًـا ﴿الأحزاب: ٧٠-٧١﴾
‘‘হে ইমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সদা সত্য কথা বল। তাহলে তিনি তোমাদের কৃতকর্মগুলোকে সংশোধন করবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। যে কেউ আল্লাহ ও তার রসূলের আনুগত্য করবে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করবে।’’ -সূরা আহযাব ঃ ৭০-৭১


الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا وَهَـاجَـرُوْا وَجَـاهَـدُوْا فِـيْ سَـبِـيْـلِ الـلّٰـهِ بِـاَمْـوَالِـهِـمْ وَاَنـفُـسِـهِـمْ اَعْـظَـمُ دَرَجَـةً عِـنْـدَ الـلّٰـهِ ۚ وَاُولٰٓـئِـكَ هُـمُ الْـفَـآئِـزُوْنَ ﴿التوبة: ٢٠﴾
‘‘যারা ঈমান এনেছে, এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গমন/আগমন করেছে এবং আল্লাহর রাস্তায় নিজেদের জীবন ও সম্পদ দিয়ে (জিহাদ) লড়াই করেছে। আল্লাহর কাছে তাদের জন্য রয়েছে বড় মর্যাদা। আর তারাই মহা সফলকাম।’’ -সূরা তাওবাহ্ ঃ ২০

اِنَّ الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا وَالَّـذِيْـنَ هَـاجَـرُوْا وَجَـاهَـدُوْا فِـيْ سَـبِـيْـلِ الـلّٰـهِ اُولٰٓـئِـكَ يَـرْجُـوْنَ رَحْـمَـتَ الـلّٰـهِ ۚ وَالـلّٰـهُ غَـفُـوْرٌ رَّحِـيْـمٌ ﴿البقرة: ٢١٨﴾ 
‘‘যারা ঈমান এনেছে, এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গমন/আগমন করেছে এবং আল্লাহর  রাস্তায় নিজেদের জীবন ও সম্পদ দিয়ে (জিহাদ) লড়াই করেছে। তারা আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশী। আর আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাকারী, করুণাময়।’’ -সূরা বাক্বারা ঃ ২১৮

يَـآ اَيُّـهَـا الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا لَا تُـلْـهِـكُمْ اَمْـوَالُـكُمْ وَلَا اَوْلَادُكُـمْ عَـنْ ذِكْـرِ الـلّٰـهِ ۚ  وَمَـنْ يَـفْـعَـلْ ذٰلِـكَ فَـاُولٰٓـئِـكَ هُـمُ الْـخَـاسِـرُونَ ﴿المنافقون: ٩﴾
‘‘হে ইমানদাগণ তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল (উদাসীন) করে না রাখে। যারা এ কারণে গাফেল হয়, তারাই তো বড় ক্ষতিগ্রস্ত।’’ -সূরা মুনাফিকুন ঃ ৯

فَـاِذَا قُـضِـيَـتِ الـصَّـلَاةُ فَـانْـتَـشِـرُوْا فِـيْ الْاَرْضِ وَابْـتَـغُـوْا مِـنْ فَـضْـلِ الـلّٰـهِ وَاذْكُـرُوْا الـلّٰـهَ كَـثِـيْـرًا لَّـعَـلَّـكُـمْ تُـفْـلِـحُـوْنَ ﴿الجمعة: ١٠﴾
‘‘অতঃপর নামায সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ কর ও আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।’’ -সূরা জুমু‘আ ঃ ১০

يَـآ اَيُّـهَـا الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا اجْـتَـنِـبُـوْا كَـثِـيْـرًا مِّـنَ الـظَّـنِّ اِنَّ بَـعْـضَ الـظَّـنِّ اِثْـمٌ ۖ وَلَا تَـجَـسَّـسُـوْا وَلَا يَـغْـتَـبْ بَّـعْـضُـكُـم بَـعْـضًـا ۚ اَيُـحِـبُّ اَحَـدُكُـمْ اَنْ يَـأْكُـلَ لَـحْـمَ اَخِـيْـهِ مَـيْـتًـا فَـكَـرِهْـتُـمُـوْهُ ۚ وَاتَّـقُـوْا الـلّٰـهَ ۚ اِنَّ الـلّٰـهَ تَـوَّابٌ رَّحِـيْـمٌ ﴿الحجرات: ١٢﴾
‘‘হে ইমানদাগণ, তোমরা বেশী বেশী ধারণা থেকে বেঁচে থাক। কেননা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ধারণাই পাপ। এবং একে অপরের (দোষ খোজার জন্য) পেছনে গোয়েন্দাগিরী কর না। একজন আরেকজনের গীবত কর না। তোমাদের মধে এমন কেউ কি আছে যে, তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করে। বস্তুত তোমরা তা ঘৃণাই করবে। অতঃএব আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।’’ -সূরা হুজুরাত ঃ ১২

وَلَا تَـقْـفُ مَـا لَـيْـسَ لَـكَ بِـهِ عِـلْـمٌ ۚ اِنَّ الـسَّـمْـعَ وَالْـبَـصَـرَ وَالْـفُـؤَادَ كُـلُّ اُولٰٓـئِـكَ كَـانَ عَـنْـهُ مَـسْـئُـوْلًا ﴿الإسراء: ٣٦﴾
‘‘যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তার পিছনে লেগে থেকো না। নিশ্চয় (কিয়ামতের) দিন তোমার কান, চক্ষু ও অন্তঃকরণ এদের প্রত্যেকটিই জিজ্ঞাসিত হবে’’ -সূরা বনী ইসরাঈল ঃ ৩৬

يَـآ اَيُّـهَـا الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا اِنْ جَـآءَكُمْ فَـاسِـقٌ بِـنَـبَـإٍ فَـتَـبَـيَّـنُـوْا اَنْ تُـصِـيْـبُـوْا قَـوْمًـا بِـجَـهَـالَـةٍ فَـتُـصْـبِـحُـوْا عَـلٰـى مَـا فَـعَـلْـتُـمْ نَـادِمِـيْـنَ ﴿الحجرات: ٦﴾
‘‘হে ইমানদারগণ! যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন সংবাদ আনয়ন করে, তবে তোমরা তা পরীক্ষা তথা যাচাই-বাছাই করে দেখবে, নতুবা/নচেৎ না জেন শুনেই তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতি সাধনে প্রবৃত্ত হয়ে পরবে; অতঃপর পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত বা লজ্জিত হবে।’’ -সূরা হুজুরাত ঃ ৬
শপথ/কসম/ পাসিক প্যারেডে
لَـقَـدْ رَضِـيَ الـلّٰـهُ عَـنِ الْـمُـؤْمِـنِـيْـنَ اِذْ يُـبَـايِـعُـوْنَـكَ تَـحْـتَ الـشَّـجَـرَةِ فَـعَـلِـمَ مَـا فِـيْ قُـلُـوْبِـهِـمْ فَـاَنْـزَلَ الـسَّـكِـيْـنَـةَ عَـلَـيْـهِـمْ وَاَ ثَـابَـهُـمْ فَـتْـحًـا قَـرِيْـبًـا ﴿الفتح: ١٨﴾
‘‘হে প্রিয় নবী (সাঃ) মহান আল্লাহর পাক বিশ্বাসী বীর মুজাহিদগনের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন, যখন তারা বৃক্ষের নীচে আপনার নিকট শপথ গ্রহণ করল। অতঃপর মহান আল্লাহ পাক তাদের মনের অবস্থা জেনে, তাদের প্রতি প্রশান্তি নাযিল করলেন এবং তাদেরকে আশু বিজয় দান করলেন।’’ -সূরা ফাত্হ ঃ ১৮

قُـلِ الـلّٰـهُـمَّ مَـالِـكَ الْـمُـلْـكِ تُـؤْتِـيْ الْـمُـلْـكَ مَـن تَـشَـآءُ وَتَـنْـزِعُ الْـمُـلْـكَ مِـمَّـنْ تَـشَـآءُ وَتُـعِـزُّ مَـنْ تَـشَـآءُ وَتُـذِلُّ مَـنْ تَـشَـآءُ ۖ بِـيَـدِكَ الْـخَـيْـرُ ۖ اِنَّـكَ عَلٰـى كُـلِّ شَـيْـئٍ قَـدِيْـرٌ ﴿آل‌عمران: ٢٦﴾
‘‘(হে নবী আপনি) বলুন, হে আল্লাহ! আপনিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী। আপনি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান করেন এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নেন এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান করেন আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত করেন। আপনার হাতেই যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই আপনি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।’’ -সূরা আলে ইমরান ঃ ২৬

قُـلْ اِنَّ الْـفَـضْـلَ بِـيَـدِ الـلّٰـهِ يُـؤْتِـيْـهِ مَـنْ يَّـشَـآءُ ۗ وَالـلّٰـهُ وَاسِـعٌ عَـلِـيْـمٌ (৭৩) يَـخْـتَـصُّ بِـرَحْـمَـتِـهِ مَـنْ يَّـشَـآءُ ۗ وَالـلّٰـهُ ذُوْ الْـفَـضْـلِ الْـعَـظِـيْـمِ ﴿آل‌عمران: ٧٤-٧٣﴾
‘‘(হে নবী আপনি) বলে দিন, মর্যাদা/সম্মান আল্লাহরিই হাতে; তিনি যাকে ইচ্ছা তা প্রদান করেন আর আল্লাহ্ প্রাচুর্যময় ও সর্বজ্ঞ। তিনি যাকে ইচ্ছা নিজের বিশেষ অনুগ্রহ দান করেন। আর আল্লাহ্ মহা-অনুগ্রহশীল।’’ -সূরা আলে ইমরান ৭৩-৭৪

يُـؤْتِـيْ الْـحِـكْـمَـةَ مَـنْ يَّـشَـآءُ وَمَـنْ يُّـؤْتَ الْـحِـكْـمَـةَ فَـقَـدْ اُوْتِـيَ خَـيْـرًا كَـثِـيْـرًا وَّمَـا يَـذَّكَّـرُ اِلَّآ اُولُـو الْاَلْـبَـابِ ﴿البقرة: ٢٦٩﴾
‘‘তিনি যাকে ইচ্ছা বিশেষ জ্ঞান দান করেন এবং যাকে বিশেষ জ্ঞান দান করা হয়, সে প্রভূত কল্যাণকর বস্তু প্রাপ্ত হয়। উপদেশ তারাই গ্রহণ করে, যারা জ্ঞানবান।’’ -সূরা বাক্বারা ঃ ২৬৯

يَـآ اَيُّـهَـا الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْآ اِذَا لَـقِـيْـتُـمْ فِـئَـةً فَـاثْـبُـتُـوْا وَاذْكُـرُوْا الـلّٰـهَ كَـثِـيْـرًا لَّـعَـلَّـكُمْ تُـفْـلِـحُـوْنَ ﴿الأنفال: ٤٥﴾
“হে ঈমানদারগণ, তোমরা যখন কোন (শত্রæ) বাহিনীর সাথে সংঘাতে লিপ্ত হও, তখন (যুদ্ধের ময়দানে অবিচল) সুদৃঢ় থাক এবং আল্লাহকে  অধিক পরিমাণে স্মরণ কর যাতে তোমরা উদ্দেশ্যে কৃতকার্য হতে পার।” -সূরা আনফাল ঃ ৪৫

وَاَطِـيْـعُـوْا الـلّٰـهَ وَرَسُـوْلَـهُ وَلَا تَـنَـازَعُـوْا فَـتَـفْـشَـلُـوْا وَتَـذْهَـبَ رِيـْحُـكُمْ ۖ وَاصْـبِـرُوْا ۚ اِنَّ الـلّٰـهَ مَـعَ الـصَّـابِـرِيْـنَ ﴿الأنفال: ٤٦﴾
‘‘আর তোমরা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশ মান্য কর এবং তোমরা পরষ্পরে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হইও না। যদি হও, তাহলে তোমরা তোমাদের সাহস হারিয়ে ফেলবে, তোমাদের প্রভাব-প্রতিপত্তি খর্ব হয়ে যাবে। অতঃএব প্রতিটি বিষয়ে ধৈর্য ধারণ কর। কেননা নিশ্চয় আল্লাহ্ ধৈর্যশীলদের  সাথেই থাকেন।’’ -সূরা আনফাল ঃ ৪৬

الَّـذِيْـنَ يُـنْـفِـقُـوْنَ فِـيْ الـسَّـرَّآءِ وَالـضَّـرَّآءِ وَالْـكَـاظِـمِـيْـنَ الْـغَـيْـظَ وَالْـعَـافِـيْـنَ عَـنِ الـنَّـاسِ ۗ  وَالـلّٰـهُ يُـحِـبُّ الْـمُـحْـسِـنِـيْـنَ ﴿آل‌عمران: ١٣٤﴾
‘‘যারা স্বচ্ছল ও অস্বচ্ছল অবস্থায় আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে, আর নিজেদের রাগকে সংবরণ করে এবং মানুষের প্রতি ক্ষমার দৃষ্টি প্রদর্শন করে, (তারাই সৎকর্মশীল) আর আল্লাহ্ এসকল সৎকর্মশীলদেরকেই অত্যান্ত ভালবাসেন।’’ -সূরা আলে ইমরান ঃ ১৩৪

يَـآ اَيُّـهَـا الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا اصْـبِـرُوْا وَصَـابِـرُوْا وَرَابِـطُـوْا وَاتَّـقُـوْا الـلّٰـهَ لَـعَـلَّـكُمْ تُـفْـلِـحُـوْنَ ﴿آل‌عمران: ٢٠٠﴾
‘‘হে ঈমানদারগণ! ধৈর্য ধারণ কর এবং পরস্পর ধৈর্যের প্রতিযোগীতা কর আর প্রতিরক্ষায় শত্র“র মোকালোয় দৃঢ়তা অবলম্বন কর। আর আল্লাহকে ভয় কর। আসা করা যায় তোমরা তোমাদের উদ্দেশ্য লাভে সফলতা অর্জন করতে পারবে।’’ -সূরা আলে ইমরান ঃ ২০০

اَمْ حَـسِـبْـتُـمْ اَنْ تَـدْخُـلُـوْا الْـجَـنَّـةَ وَلَـمَّـا يَـعْـلَـمِ الـلّٰـهُ الَّـذِيْـنَ جَـاهَـدُوْا مِـنْـكُمْ وَيَـعْـلَـمَ الـصَّـابِـرِيْـنَ ﴿آل‌عمران: ١٤٢﴾
‘‘তোমরা কি ধারণা করে নিয়েছ যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে, অথচ আল্লাহ্ তোমাদের পরীক্ষা করে দেখবেন না যে, তোমাদের মধ্যে কারা জিহাদ (সংগ্রাম) করেছে এবং কারা ছিলে ধৈর্যশীল? ’’ -সূরা আলে ইমরান ঃ ১৪২

كُـنْـتُـمْ خَـيْـرَ اُمَّـةٍ اُخْـرِجَـتْ لِـلـنَّـاسِ تَـأْمُـرُوْنَ بِـالْـمَـعْـرُوفِ وَتَـنْـهَـوْنَ عَـنِ الْـمُـنْـكَـرِ وَتُـؤْمِـنُـوْنَ بِـالـلّٰـهِ ۗ ﴿آل‌عمران: ١١٠﴾
‘‘তোমরাই হলে সর্বোত্তম জাতি, মানব জাতির কল্যাণের জন্যই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা মানুষদেরকে সৎকাজের আদেশ করবে, অন্যায় ও মন্দ কাজে বাধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্তা রাখবে।’’ -সূরা আলে ইমরান ঃ ১১০

وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ اجْعَلْ هَٰذَا بَلَدًا آمِنًا وَارْزُقْ أَهْلَهُ مِنَ الثَّمَرَاتِ مَنْ آمَنَ مِنْهُم بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ﴿البقرة: ١٢٦﴾

(স্মরন কর) যখন ইব্রাহীম বললেন, হে আমার রব! তুমি এ স্থানকে শান্তিরনীড় বানিয়ে দাও এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা অল্লাহ ও কিয়ামতে বিশ্বাস করে, তাদেরকে যাবতীয় ফল-মূল  দ্বারা রিযিক প্রদান কর। (সূরা বাকারা ঃ ১২৬)


وَعَـدَ الـلّٰـهُ الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا مِـنْـكُمْ وَعَـمِـلُـوْا الـصَّـالِـحَـاتِ لَـيَـسْـتَـخْـلِـفَـنَّـهُـمْ فِـيْ الْاَرْضِ كَـمَـا اسْـتَـخْـلَـفَ الَّـذِيْـنَ مِـنْ قَـبْـلِـهِـمْ وَلَـيُـمَـكِّـنَـنَّ لَـهُـمْ دِيْـنَـهُـمُ الَّـذِي ارْتَـضٰـى لَـهُـمْ وَلَـيُـبَـدِّلَـنَّـهُـمْ مِّـنْ بَـعْـدِ خَـوْفِـهِـمْ اَمْـنًـا ۚ  ﴿النور: ٥٥﴾
‘‘আল্লাহ্ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন, যারা তোমাদের মধ্যে বিশ্বাস (ঈমান) স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি শাসনকর্তৃত্ব দান করেছেন তাদের পূর্ববর্তীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্য পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়-ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি দান করবেন।’’ -সূরা নূর ঃ ৫৫

সিও/ওসি/কমান্ড কন্ফারেন্সের জন্য
وَشَـاوِرْهُـمْ فِـيْ الْاَمْـرِ ۖ فَـاِذَا عَـزَمْـتَ فَـتَـوَكَّـلْ عَـلَـى الـلّٰـهِ ۚ اِنَّ الـلّٰـهَ يُـحِـبُّ الْـمُـتَـوَكِّـلِـيْـنَ ﴿آل‌عمران: ١٥٩﴾
‘‘আর যে কোন কাজে-কর্মে পরামর্শ কর। অতঃপর কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে; আল্লাহর প্রতি নির্ভর কর। নিশ্চয় আল্লাহ্ নির্ভরশীলদের খুব ভালবাসেন।’’ -সূরা আলে ইমরান ঃ ১৫৯
وَلَـوْ اَنَّ اَهْـلَ الْـقُـرٰى اٰمَـنُـوْا وَاتَّـقَـوْا لَـفَـتَـحْـنَـا عَـلَـيْـهِـمْ بَـرَكَـاتٍ مِّـنَ الـسَّـمَـآءِ وَالْاَرْضِ وَلٰـكِنْ كَـذَّبُـوْا فَـاَخَـذْنَـاهُـمْ بِـمَـا كَـانُـوْا يَـكْـسِـبُـوْنَ ﴿الأعراف: ٩٦﴾ 
‘‘আর যদি সে জনপদের অধিবাসীরা ঈমান আনত এবং পরহেযগারী (তাক্বওয়া) অবলম্বন করত, তবে আমি তাদের প্রতি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের নেয়ামতসমূহ উম্মুক্ত করে দিতাম। কিন্তু তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। সুতরাং আমি তাদেরকে পাকড়াও করেছি তাদের কৃতকর্মের কারণে।’’ -সূরা আ‘রাফ ঃ ৯৬
২১ শে নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
وَاعْـتَـصِـمُـوْا بِـحَـبْـلِ الـلّٰـهِ جَـمِـيْـعًـا وَلَا تَـفَـرَّقُـوْا ۚ وَاذْكُـرُوْا نِـعْـمَـتَ الـلّٰـهِ عَـلَـيْـكُمْ اِذْ كُـنْـتُـمْ اَعْـدَآءً فَـاَلَّـفَ بَـيْـنَ قُـلُـوْبِـكُمْ فَـاَصْـبَـحْـتُـمْ بِـنِـعْـمَـتِـهِ اِخْـوَانًـا ﴿آل‌عمران: ١٠٣﴾
‘‘আর তোমরা সংঘবদ্ধভাবে আল্লাহর রজ্জুকে (দ্বীনকে) সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর সেই অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর, যখন তোমরা পরস্পর শত্র“ ছিলে। অতঃপর আল্লাহ্ তোমাদের অন্তরে ভালোবাসা সৃষ্টি করেছেন/স¤প্রীতি দান করেলেন। ফলে, তোমরা তাঁরই অনুগ্রহে পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।’’ -সূরা আলে ইমরান ঃ ১০৩
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী/কোন কিছু উদ্ভোধনী
وَإِذْ يَـرْفَـعُ اِبْـرَاهِـيْـمُ الْـقَـوَاعِـدَ مِـنَ الْـبَـيْـتِ وَاِسْـمَـاعِـيْـلُ رَبَّـنَـا تَـقَـبَّـلْ مِـنَّـا اِنَّـكَ اَنْـتَ الـسَّـمِـيْـعُ الْـعَـلِـيْـمُ ﴿البقرة: ١٢٧﴾
অর্থঃ ‘যখন ইবরাহীম ও ইসমাঈল কা’বাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল। তাঁরা দোয়া করেছিল: হে আল্লাহ্! আমাদের থেকে কবুল করুন। নিশ্চয়ই, তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ।’ (সূরা বাক্বারা ঃ ১২৭)
আনুগত্য
يَـآ اَيُّـهَـا الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا اَطِـيْـعُـوْا الـلّٰـهَ وَاَطِـيْـعُـوْا الـرَّسُـوْلَ وَاُولِـي الْاَمْـرِ مِـنْـكُمْ ۖ فَـاِنْ تَـنَـازَعْـتُـمْ فِـيْ شَـيْـئٍ فَـرُدُّوْهُ اِلَـى الـلّٰـهِ وَالـرَّسُـوْلِ اِنْ كُـنْـتُـمْ تُـؤْمِـنُـوْنَ بِـالـلّٰـهِ وَالْـيَـوْمِ الْآخِـرِ ۚ ذٰلِـكَ خَـيْـرٌ وَاَحْـسَـنُ تَـأْوِيْـلًا ﴿النساء: ٥٩﴾
‘‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর আর তোমাদের মধ্যে যারা উপরস্থ তাদের আনুগত্য কর। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর- যদি তোমরা আল্লাহ্ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম।’’ -সূরা নিসা ঃ ৫৯

مَـنْ يَـشْـفَـعْ شَـفَـاعَـةً حَـسَـنَـةً يَـكُنْ لَّـهُ نَـصِـيْـبٌ مِّـنْـهَـا ۖ وَمَـنْ يَـشْـفَـعْ شَـفَـاعَـةً سَـيِّـئَـةً يَـكُنْ لَّـهُ كِـفْـلٌ مِّـنْـهَـا ۗ وَكَـانَ الـلّٰـهِ عَـلٰـى كُـلِّ شَـيْـئٍ مُّـقِـيْـتًـا ﴿النساء: ٨٥﴾
‘‘কেউ কোন ভাল কাজের সুপারিশ করলে, তাতে তার অংশ থাকবে। আর কেউ কোন মন্দ কাজের সুপারিশ করলে তাতেও তার অংশ থাকবে। বস্তুত আল্লাহ্ সর্ব বিষয়ে সুতী² দৃষ্টি রাখেন। ’’ -সূরা নিসা ঃ ৮৫

وَتَـعَـاوَنُـوْا عَـلَـى الْـبِـرِّ وَالـتَّـقْـوٰى ۖ وَلَا تَـعَـاوَنُـوْا عَـلَـى الْاِثْـمِ وَالْـعُـدْوَانِ ۚ وَاتَّـقُـوْا الـلّٰـهَ ۖ اِنَّ الـلّٰـهَ شَـدِيْـدُ الْـعِـقَـابِ ﴿المائدة: ٢﴾
‘‘সৎকর্ম ও আত্মসংযমে তোমরা একে অন্যের সাহায্য করবে। পাপ ও সীমালঙ্ঘনে পরস্পর সাহায্য করবে না। আর আল্লাহ্ ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ্ শাস্তি দানে অতান্ত কঠোর।’’ -সূরা মায়িদা ঃ ২

وَمَـنْ يُّـطِـعِ الـلّٰـهَ وَرَسُـوْلَـهُ وَيَـخْـشَ الـلّٰـهَ وَيَـتَّـقْـهِ فَـاُولٰٓـئِـكَ هُـمُ الْـفَـآئِـزُوْنَ ﴿النور: ٥٢﴾
“যারা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, আল্লাহকে ভয় করে ও তাঁর অবাধ্যতা থেকে সাবধান থাকে তারাই মহা সফলকাম।” -সূরা নূর ঃ ৫২

اَمَّـنْ هُـوَ قَـانِـتٌ اٰنَـآءَ الـلَّـيْـلِ سَـاجِـدًا وَقَـآئِـمًـا يَـحْـذَرُ الْآخِـرَةَ وَيَـرْجُـوْ رَحْـمَـةَ رَبِّـهِ ۗ قُـلْ هَـلْ يَـسْـتَـوِي الَّـذِيْـنَ يَـعْـلَـمُـوْنَ وَالَّـذِيْـنَ لَا يَـعْـلَـمُـوْنَ ۗ اِنَّـمَـا يَـتَـذَكَّـرُ اُولُـو الْاَلْـبَـابِ﴿الزمر: ٩﴾
“যে ব্যক্তি রাত্রিকালে সেজদার মাধ্যমে অথবা দাঁড়িয়ে এবাদত করে, আখিরাতকে ভয় করে এবং তার রবের অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে, সে কি তার সমান, যে এরুপ করে না ; (হে নবী আপনি) বলুন, যারা জানে এবং যারা জানে না; তারা কি সমান? বোধশক্তি সম্পন্ন লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে।” -সূরা যুমার ঃ ৯

وَقَـضٰـى رَبُّـكَ اَلَّا تَـعْـبُـدُوْا اِلَّآ اِيَّـاهُ وَبِـالْـوَالِـدَيْـنِ اِحْـسَـانًـا اِمَّـا يَـبْـلُـغَـنَّ عِـنْـدَكَ الْـكِـبَـرَ اَحَـدُهُـمَـا اَوْ كِـلَاهُـمَـا فَـلَا تَـقُـلْ لَّـهُـمَـا اُفٍّ وَّلَا تَـنْـهَـرْهُـمَـا وَقُـلْ لَّـهُـمَـا قَـوْلًا كَـرِيْـمًـا ﴿الإسراء: ٢٣﴾ 
“আর আপনার প্রতিপালক এই মর্মে নির্দেশ প্রদান করেছেন যে, তোমরা তাঁকে ছাড়া আর কারও ইবাদাত কর না এবং তোমাদের পিতামাতার সাথে সদাচরণ কর। বিশেষতঃ যখন তাদের একজন অথবা উভয়ে বার্ধক্য বয়সে উপনিত হবে তখন তাদেরকে ‘উফ’ শব্দটিও বল না, তাদেরকে ধমক দিও না বরং তাদেরকে সম্মানজনক কথা বল।’’ -বনী ইসরাঈল ঃ ২৪ 

اِنَّ الـلّٰـهَ اشْـتَـرٰى مِـنَ الْـمُـؤْمِـنِـيْـنَ اَنْـفُـسَـهُـمْ وَاَمْـوَالَـهُـمْ بِـاَنَّ لَـهُـمُ الْـجَـنَّـةَ ۚ  يُـقَـاتِـلُـوْنَ فِـىْ سَـبِـيْـلِ الـلّٰـهِ فَـيَـقْـتُـلُـوْنَ وَيُـقْـتَـلُـوْنَ ﴿التوبة: ١١١﴾
‘‘নিশ্চয় আল্লাহ্ মমিনদের নিকট থেকে ক্রয় করে নিয়েছেন তাদের জীবন ও সম্পদ জান্নাতের বিনিময়। অতঃপর তারা আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করে; এ লড়াইয়ে তারা কখনো তাদের শত্র“দের হত্যা করে; আবার কখনো নিজেরাই শাহাদত বরণ করে।’’ -সূরা তাওবা ঃ ১১১

يَـآ اَيُّـهَـا الـنَّـبِـيُّ حَـرِّضِ الْـمُـؤْمِـنِـيْـنَ عَـلَـى الْـقِـتَـالِ ۚ اِنْ يَـكُنْ مِّـنْـكُمْ عِـشْـرُوْنَ صَـابِـرُوْنَ يَـغْـلِـبُـوْا مِـئَـتَـيْـنِ ۚ وَاِنْ يَـكُنْ مِّـنْـكُمْ مِّـائَـةٌ يَّـغْـلِـبُـوْا اَلْـفًـا مِّـنَ الَّـذِيْـنَ كَـفَـرُوْا بِـاَنَّـهُـمْ قَـوْمٌ لَّا يَـفْـقَـهُـوْنَ * ﴿الأنفال: ٦٥﴾
‘‘হে নবী, আপনি মুসলমানদেরকে যুদ্ধের জন্য উৎসাহিত করুন। তোমাদের মধ্যে যদি বিশ জন দৃঢ়পদ ব্যক্তি থাকে, তবে জয়ী হবে দু’শর জনের মোকাবেলায়। আর  যদি তোমাদের মধ্যে থাকে একশ লোক, তবে বিজয়ী হবে হাজার কাফেরের উপর, কারণ ওরা জ্ঞানহীন।’’ -সূরা আনফাল ঃ ৬৫

اِنَّ الـلّٰـهَ يُـحِـبُّ الَّـذِيْـنَ يُـقَـاتِـلُـوْنَ فِـيْ سَـبِـيْـلِـهِ صَـفًّـا كَـاَنَّـهُـمْ بُـنْـيَـانٌ مَّـرْصُـوْصٌ ﴿الصف: ٤﴾
“আল্লাহ্ ঐ সমস্ত (মুজাহিদ) যোদ্ধাদেরকে ভালবাসেন, যারা তাঁর পথে সীসাঢালা প্রাচীরের ন্যায় সারিবদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করে।”' -সূরা ছফ্ ঃ ৪ (মহামান্য রাষ্ট্রপতির দরবার যশোর সেনানিবাস ২০১৫)

فَـاتَّـقُـوْا الـلّٰـهَ مَـا اسْـتَـطَـعْـتُـمْ وَاسْـمَـعُـوْا وَاَطِـيْـعُـوْا وَاَنْـفِـقُـوْا خَـيْـرًا لِّاَنْـفُـسِـكُمْ ۗ وَمَـنْ يُـوْقَ شُـحَّ نَـفْـسِـهِ فَـاُولٰٓـئِـكَ هُـمُ الْـمُـفْـلِـحُـوْنَ ﴿التغابن: ١٦﴾ 
“অতএব তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় কর, শোন, আনুগত্য কর এবং ব্যয় কর। এটা তোমাদের জন্যে কল্যাণকর। যারা মনের কার্পণ্য থেকে মুক্ত, তারাই মহা সফলকাম।” সূরা তাগাবুন ঃ ১৬

وَالَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا وَهَـاجَـرُوْا وَجَـاهَـدُوْا فِـيْ سَـبِـيْـلِ الـلّٰـهِ وَالَّـذِيْـنَ اٰوَوْا وَّنَـصَـرُوْا اُولٰٓـئِـكَ هُـمُ الْـمُـؤْمِـنُـوْنَ حَـقًّـا ۚ لَّـهُـمْ مَّـغْـفِـرَةٌ وَرِزْقٌ كَـرِيْـمٌ ﴿الأنفال: ٧٤﴾
“আর যারা ঈমান এনেছে, নিজেদের ঘর-বাড়ী ছেড়েছে এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ (লড়াই) করেছে এবং যারা তাদের কে আশ্রয় দিয়েছে, সাহায্য-সহায়তা করেছে, তারাই হলো সত্যিকার মু’মিন। তাদের জন্যে রয়েছে, ক্ষমা ও সম্মানজনক রুযী।’’ -সূরা আনফাল ঃ ৭৪

يَـآ اَيُّـهَـا الـنَّـبِـيُّ جَـاهِـدِ الْـكُـفَّـارَ وَالْـمُـنَـافِـقِـيْـنَ وَاغْـلُـظْ عَـلَـيْـهِـمْ ۚ وَمَـأْوَاهُـمْ جَـهَـنَّـمُ ۖ وَبِـئْـسَ الْـمَـصِـيْـرُ ﴿التوبة: ٧٣﴾ 
‘‘হে নবী! কাফের ও মুনাফেকদের সাথে যুদ্ধ করুন। আর তাদের সাথে কঠোরতা অবলম্বন করুন। তাদের ঠিকানা হল জাহান্নাম এবং তা কতই না নিকৃষ্ট ঠিকানা।’’ সূরা তাওবা ঃ ৭৩

وَلَا تَـحْـسَـبَـنَّ الَّـذِيْـنَ قُـتِـلُـوْا فِـيْ سَـبِـيْـلِ الـلّٰـهِ اَمْـوَاتًـا ۚ بَـلْ اَحْـيَـآءٌ عِـنْـدَ رَبِّـهِـمْ يُـرْزَقُـوْنَ ﴿آل‌عمران: ١٦٩﴾ 
‘‘আর যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদেরকে তোমরা কখনো মৃত মনে করো না। বরং তারা নিজেদের পালনকর্তার নিকট জীবিত ও জীবিকাপ্রাপ্ত।’’ -সূরা আলে ইমরান ঃ ১৬৯

وَقُـلْ رَّبِّ اَدْخِـلْـنِـيْ مُـدْخَـلَ صِـدْقٍ وَّاَخْـرِجْـنِـيْ مُـخْـرَجَ صِـدْقٍ وَّاجْـعَـلْ لِّـيْ مِـنْ لَّـدُنْـكَ سُـلْـطَـانًـا نَّـصِـيْـرًا ﴿الإسراء: ٨٠﴾ 
‘‘(হে নবী আপনি) বলুন! হে আমার পালনকর্তা। আমাকে প্রবেশ করান সত্যরূপে এবং আমাকে বের করুন সত্যরূপে এবং আপনার পক্ষ থেকে দান করুন আমাকে রাষ্ট্রীয় সাহায্য।’’ -সূরা বনী ইসরাইল ঃ ৮০

اِنَّ الَّـذِيْـنَ اٰمَـنُـوْا وَعَـمِـلُـوْا الـصَّـالِـحَـاتِ وَاَقَـامُـوْا الـصَّـلَاةَ وَاٰتَـوُا الـزَّكَـاةَ لَـهُـمْ اَجْـرُهُـمْ عِـنْـدَ رَبِّـهِـمْ وَلَا خَـوْفٌ عَـلَـيْـهِـمْ وَلَا هُـمْ يَـحْـزَنُـوْنَ ﴿البقرة: ٢٧٧﴾ 
‘‘নিশ্চয় যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, সৎ কাজ সম্পাদন করেছে, নামায প্রতিষ্ঠা করেছে এবং যাকাত আদায় করেছে; তাদের জন্যে তাদের পুরস্কার তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে। তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না।’’ -সূরা বাকারা ঃ ২৭৭

وَاَقِـيْـمُـوْا الـصَّـلَاةَ وَاٰتُـوْا الـزَّكَـاةَ ۚ وَمَـا تُـقَـدِّمُـوْا لِاَنْـفُـسِـكُمْ مِّـنْ خَـيْـرٍ تَـجِـدُوْهُ عِـنْـدَ الـلّٰـهِ ۗ اِنَّ الـلّٰـهَ بِـمَـا تَـعْـمَـلُـوْنَ بَـصِـيْـرٌ ﴿البقرة: ١١٠﴾ 
‘‘তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা কর এবং যাকাত আদায় কর। আর তোমরা নিজের জন্যে পূর্বে যে সৎকর্ম প্রেরন করবে, তা আল্লাহর কাছে পাবে। তোমরা যা কিছু কর, নিশ্চয় আল­াহ তা প্রত্যক্ষ করেন।’’ -সূরা বাকারা ঃ ১১০

اُتْـلُ مَـآ اُوْحِـيَ اِلَـيْـكَ مِـنَ الْـكِـتَـابِ وَاَقِـمِ الـصَّـلَاةَ ۖ اِنَّ الـصَّـلَاةَ تَـنْـهٰـى عَـنِ الْـفَـحْـشَـآءِ وَالْـمُـنْـكَـرِ ۗ وَلَـذِكْـرُ الـلّٰـهِ اَكْـبَـرُ ۗ وَالـلّٰـهُ يَـعْـلَـمُ مَـا تَـصْـنَـعُـوْنَ ﴿العنكبوت: ٤٥﴾ 
‘‘(হে নবী!) আপনি আপনার প্রতি অবতির্ণ কিতাব পাঠ করুন এবং নামায কায়েম করুন। নিশ্চয় নামায অশ্লীল ও গর্হিত কাজ থেকে বিরত রাখে। আর আল্লাহর স্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ্ জানেন তোমরা যা কর।’’ -সূরা আনকাবুত ঃ ৪৫

وَلْـتَـكُنْ مِّـنْـكُمْ اُمَّـةٌ يَّـدْعُـوْنَ اِلَـى الْـخَـيْـرِ وَيَـأْمُـرُوْنَ بِـالْـمَـعْـرُوْفِ وَيَـنْـهَـوْنَ عَـنِ الْـمُـنْـكَـرِ ۚ وَاُولٰٓـئِـكَ هُـمُ الْـمُـفْـلِـحُـوْنَ ﴿آل‌عمران: ١٠٤﴾ 
‘‘আর তোমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক থাকা দরকার যারা (মানুষদেরকে) সৎকর্মের প্রতি আহবান জানাবে। ভাল কাজের আদেশ দিবে আর অন্যায়/মন্দ কাজে বাঁধা দিবে। (একাজগুলো যারা করবে) আর তারাই হলো সফলকাম।’’ -সূরা আলে ইমরান ঃ ১০৪

يُـؤْمِـنُـوْنَ بِـالـلّٰـهِ وَالْـيَـوْمِ الْآخِـرِ وَيَـأْمُـرُوْنَ بِـالْـمَـعْـرُوْفِ وَيَـنْـهَـوْنَ عَـنِ الْـمُـنْـكَـرِ وَيُـسَـارِعُـوْنَ فِـيْ الْـخَـيْـرَاتِ وَاُولٰـئِـكَ مِـنَ الـصَّـالِـحِـيْـنَ ﴿آل‌عمران: ١١٤﴾ 
‘‘তারা  আল্লাহর প্রতি ও পরকাল দিবসের প্রতি ঈমান রাখে এবং সৎ/কল্যাণকর বিষয়ের নির্দেশ দেয়; মন্দ/অকল্যাণ থেকে বারণ করে এবং সৎকাজের জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করে । বস্তুত এরাই হল সৎকর্মশীল।’’ -সূরা আলে ইমরান ঃ ১১৪

يَـآ اَيُّـهَـا الـنَّـاسُ اذْكُـرُوْا نِـعْـمَـتَ الـلّٰـهِ عَـلَـيْـكُمْ ۚ هَـلْ مِـنْ خَـالِـقٍ غَـيْـرُ الـلّٰـهِ يَـرْزُقُـكُمْ مِّـنَ الـسَّـمَـآءِ وَالْاَرْضِ ۚ لَا اِلٰـهَ اِلَّا هُـوَ ۖ فَـاَنّٰـى تُـؤْفَـكُـوْنَ ﴿فاطر: ٣﴾ 
‘‘হে মানুষ সম্প্রদায়! তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহকে স্মরণ কর। আল্লাহ ব্যতীত এমন কোন স্রষ্টা আছে কি? যে তোমাদেরকে আসমান ও যমীন থেকে রিযিক দান করেন? মূলতঃ আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব তোমরা কোথায় ফিরে যাচ্ছ?’’ -সূরা ফাতির ঃ ৩

اَيْـنَـمَـا تَـكُـوْنُـوْا يُـدْرِكْـكُّمُ الْـمَـوْتُ وَلَـوْ كُـنْـتُـمْ فِـيْ بُـرُوْجٍ مُّـشَـيَّـدَةٍ ۗ وَاِنْ تُـصِـبْـهُـمْ حَـسَـنَـةٌ يَـقُـوْلُـوْا هٰـذِهِ مِـنْ عِـنْـدِ الـلّٰـهِ ۖ وَاِنْ تُـصِـبْـهُـمْ سَـيِّـئَـةٌ يَـقُـوْلُـوْا هٰـذِهِ مِـنْ عِـنْـدِكَ ۚ قُـلْ كُـلٌّ مِّـنْ عِـنْـدِ الـلّٰـهِ ۖ فَـمَـالِ هٰـؤُلَآءِ الْـقَـوْمِ لَا يَـكَـادُوْنَ يَـفْـقَـهُـوْنَ حَـدِيْـثًـا ﴿النساء: ٧٨﴾ 
’’তোমরা যেখানেই থাক না কেন; মৃত্যু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই। এমনকি যদি তোমরা সুদৃঢ় দুর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও। বস্তুতঃ তাদের কোন কল্যাণ সাধিত হলে তারা বলে যে, এটা সাধিত হয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে। আর যদি তাদের কোন অকল্যাণ হয়, তবে বলে, এটা হয়েছে তোমার পক্ষ থেকে। (হে নবী আপনি) বলে দিন, এসবই আল্লাহর পক্ষ থেকে। পক্ষান্তরে তাদের পরিণতি কি হবে, যারা কখনও কোন কথা বুঝতে চেষ্টা করে না।’’ -সূরা নিসা ঃ ৭৮

يَـآ اَيُّـهَـا الـنَّـاسُ اِنَّـا خَـلَـقْـنَـاكُمْ مِّـنْ ذَكَـرٍ وَّاُنْـثٰـى وَجَـعَـلْـنَـاكُمْ شُـعُـوْبًـا وَّقَـبَـآئِـلَ لِـتَـعَـارَفُـوْا ۚ اِنَّ اَكْـرَمَـكُمْ عِـنْـدَ الـلّٰـهِ اَتْـقَـاكُمْ ۚ اِنَّ الـلّٰـهَ عَـلِـيْـمٌ خَـبِـيْـرٌ ﴿الحجرات: ١٣﴾ 
‘‘হে মানব মন্ডলী! আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও  গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিত হও। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে-ই সর্বাধিক সম্মানিত যে সর্বাধিক পরহেযগার। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, (ও) সবকিছুর খবর রাখেন।’’ -সূরা হুজুরাত ঃ ১৩

نَـحْـنُ قَـسَـمْـنَـا بَـيْـنَـهُـمْ مَّـعِـيْـشَـتَـهُـمْ فِـي الْـحَـيَـاةِ الـدُّنْـيَـا ۚ وَرَفَـعْـنَـا بَـعْـضَـهُـمْ فَـوْقَ بَـعْـضٍ دَرَجَـاتٍ لِّـيَـتَّـخِـذَ بَـعْـضُـهُـمْ بَـعْـضًـا سُـخْـرِيًّـا ۗ وَرَحْـمَـتُ رَبِّـكَ خَـيْـرٌ مِّـمَّـا يَـجْـمَـعُـوْنَ ﴿الزخرف: ٣٢﴾
‘‘পার্থিব জীবনে আমি তাদের মধ্যে তাদের জীবিকা বন্টন করেছি এবং এক জনের মর্যাদাকে অপর জনের ওপর উন্নীত করেছি, যাতে একে অপরকে সেবক রূপে গ্রহণ করতে পারে। তারা যা সঞ্চয় করে, (বস্তুত) আপনার পালনকর্তার রহমত তদপেক্ষা উত্তম।’’ -সূরা যুখরুফ ঃ ৩২

وَلَا تَـهِـنُـوْا وَلَا تَـحْـزَنُـوْا وَاَنْـتُـمُ الْاَعْـلَـوْنَ اِنْ كُـنْـتُـمْ مُّـؤْمِـنِـيْـنَ ﴿آل‌عمران: ١٣٩﴾
‘‘আর তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। যদি তোমরা মুমিন হও তবে, তোমরাই বিজয়ী হবে।’’ -সূরা আলে ইমরান ঃ ১৩৯

فَـاَمَّـا مَـنْ طَـغٰـى (٣٧) وَاٰثَـرَ الْـحَـيَـاةَ الـدُّنْـيَـا (٣٨) فَـاِنَّ الْـجَـحِـيْـمَ هِـيَ الْـمَـأْوٰى (٣٩) وَاَمَّـا مَـنْ خَـافَ مَـقَـامَ رَبِّـهِ وَنَـهَـى الـنَّـفْـسَ عَـنِ الْـهَـوٰى (৪০) فَـاِنَّ الْـجَـنَّـةَ هِـيَ الْـمَـأْوٰى (٤١)  ﴿النازعات: ٤١-٣٧﴾
‘‘যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং নিজের খেয়াল-খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে, তার ঠিকানা হবে জান্নাত।’’ -সূরা নাযিয়াত ঃ ৩৭-৪১

اِنَّـمَـا الْـمُـؤْمِـنُـوْنَ اِخْـوَةٌ فَـاَصْـلِـحُـوْا بَـيْـنَ اَخَـوَيْـكُمْ ۚ وَاتَّـقُـوْا الـلّٰـهَ لَـعَـلَّـكُمْ تُـرْحَـمُـوْنَ ﴿الحجرات: ١٠﴾ 
‘‘বস্তুত মুমিনরা পরস্পর ভাই-ভাই। অতএব, তোমরা তোমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে মীমাংসা করবে এবং আল্লাহকে ভয় করবে। আশা করা যায় অবশ্যই তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হবে।’’ -সূরা হুজুরাত ঃ ১০

اَلْـيَـوْمَ اَكْـمَـلْـتُ لَـكُمْ دِيْـنَـكُمْ وَاَتْـمَـمْـتُ عَـلَـيْـكُمْ نِـعْـمَـتِـيْ وَرَضِـيْـتُ لَـكُمُ الْاِسْـلَامَ دِيْـنًـا ﴿المائدة: ٣﴾
“আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম।’’ -সূরা মায়েদা ঃ ৩

وَقَـاتِـلُـوْا فِـيْ سَـبِـيْـلِ الـلّٰـهِ الَّـذِيْـنَ يُـقَـاتِـلُـوْنَـكُمْ وَلَا تَـعْـتَـدُوْا ۚ اِنَّ الـلّٰـهَ لَا يُـحِـبُّ الْـمُـعْـتَـدِيْـنَ ﴿البقرة: ١٩٠﴾
“আর লড়াই কর আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। অবশ্য কারো প্রতি বাড়াবাড়ি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না।” -সূরা বাক্বারা ঃ ১৯০ (মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দরবার যশোর ক্যান্টঃ ২০১৪)

إِنَّ الـلّٰـهَ يَـأْمُـرُ بِـالْـعَـدْلِ وَالْإِحْـسَـانِ وَإِيْـتَـآءِ ذِي الْـقُـرْبٰـى وَيَـنْـهٰـى عَـنِ الْـفَـحْـشَـآءِ وَالْـمُـنْـكَـرِ وَالْـبَـغْـيِ يَـعِـظُـكُمْ لَـعَـلَّـكُمْ تَـذَكَّـرُوْنَ ﴿النحل: ٩٠﴾
আল্লাহ ন্যায়পরায়ণতা, সদাচরণ এবং আত্মীয়-স্বজনকে দান করার আদেশ দেন এবং তিনি অশ্লীলতা, অসঙ্গত কাজ এবং অবাধ্যতা করতে বারণ করেন। তিনি তোমাদেরকে উপদেশ দেন - যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।’ -সূরা নাহল ঃ ৯০

وَمَنْ أَحْسَنُ قَوْلًا مِّمَّن دَعَا إِلَى اللَّهِ وَعَمِلَ صَالِحًا وَقَالَ إِنَّنِي مِنَ الْمُسْلِمِينَ ﴿فصلت: ٣٣﴾
সেই ব্যক্তির কথা অপেক্ষা আর কার কথা উত্তম? যে আল্লাহর দিকে আহব্বান করে, সৎকর্ম করে এবং বলে, 
নিশ্চয় আমি একজন মুসলিম (আজ্ঞাবহ)।’ সূরা হা-মীম-সিজাদাহ ঃ ৩৩

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسْلِمُونَ ﴿آل‌عمران: ١٠٢﴾
হে ঈমানদারগণ, আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিত ঠিক তেমনিভাবে ভয় করতে থাক। এবং অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।’ -সূরা আল ইমরান ঃ ১০২

يَا أَيُّهَا النَّاسُ اعْبُدُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ وَالَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ ﴿البقرة: ٢١﴾
হে মানব সমাজ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তার এবাদত কর, যিনি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তী দেরকে সৃষ্টি করেছেন। তাতে আশা করা যায়, তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পারবে। ’ -সূরা বাক্বারা ঃ ২১

الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ فِرَاشًا وَالسَّمَاءَ بِنَاءً وَأَنزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجَ بِهِ مِنَ الثَّمَرَاتِ رِزْقًا لَّكُمْ ۖ فَلَا تَجْعَلُوا لِلَّهِ أَندَادًا وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ ﴿البقرة: ٢٢﴾
(তিনি সেই সত্ত¡া) যিনি তোমাদের জন্য ভূমিকে বিছানা এবং আকাশকে ছাদ স্বরূপ স্থাপন করেছেন, আর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে তোমাদের জন্য খাদ্য হিসাবে ফল-ফসল উৎপাদন করেছেন তোমাদের । অতএব, তোমরা জেনে বুঝে আল্লাহর সাথে অন্য কাকেও সমকক্ষ করো না।’ -সূরা বাক্বারা ঃ ২২

قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ ۗ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ ﴿آل‌عمران: ٣١﴾
বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস তাহলে আমাকে (মুহাম্মদ) অনুসরণ কর। এর ফলে আল্লাহও তোমাদেরকে ভালবাসবেন এবং তোমাদের পাপ মার্জনা করে দিবেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’ সূরা আল ইমরান ঃ৩১

ظَهَرَ الْفَسَادُ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِي النَّاسِ لِيُذِيقَهُم بَعْضَ الَّذِي عَمِلُوا لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ ﴿الروم: ٤١﴾
স্থলে ও জলে মানুষের কৃতকর্মের দরুন বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। আল্লাহ তাদেরকে তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করাতে চান, যাতে তারা ফিরে আসে।’ সূরা রূম ঃ ৪১

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قُوا أَنفُسَكُمْ وَأَهْلِيكُمْ نَارًا وَقُودُهَا النَّاسُ وَالْحِجَارَةُ عَلَيْهَا مَلَائِكَةٌ غِلَاظٌ شِدَادٌ لَّا يَعْصُونَ اللَّهَ مَا أَمَرَهُمْ وَيَفْعَلُونَ مَا يُؤْمَرُونَ ﴿التحريم: ٦﴾
মুমিনগণ, তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে সেই অগ্নি থেকে রক্ষা কর, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও  প্রস্তর, যাতে নিয়োজিত আছে পাষাণ হৃদয়, কঠোরস্বভাব ফেরেশতাগণ। তাঁরা আল্লাহ যা আদেশ করেন, তা অমান্য করে না এবং যা করতে আদেশ করা হয়, তাই করে।

قُلْ إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿الأنعام: ١٦٢﴾لَا شَرِيكَ لَهُ وَبِذَٰلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ ﴿الأنعام: ١٦٣﴾
আপনি বলুন: আমার নামায, আমার কোরবানী এবং আমার জীবন ও মরণ বিশ্ব-প্রতিপালক আল্লাহরই জন্যে।তার কোন অংশীদার নেই। আমি তাই আদিষ্ট হয়েছি এবং আমি প্রথম আনুগত্যশীল।’ -সূরা আন‘আম ঃ ১৬২-১৬৩

وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَنُكَفِّرَنَّ عَنْهُمْ سَيِّئَاتِهِمْ وَلَنَجْزِيَنَّهُمْ أَحْسَنَ الَّذِي كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿العنكبوت: ٧﴾
আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎর্কম করে আমি অবশ্যই তাদের মন্দ কাজ গুলাে মিটিয়ে দেব এবং তাদেরকে কর্মের উৎকৃষ্টতর প্রতিদান দেব।

فَلْيُقَاتِلْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ الَّذِينَ يَشْرُونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا بِالْآخِرَةِ ۚ وَمَن يُقَاتِلْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيُقْتَلْ أَوْ يَغْلِبْ فَسَوْفَ نُؤْتِيهِ أَجْرًا عَظِيمًا [٤:٧٤] 
কাজইে আল্লাহর কাছে যারা পার্থীব জীবনকে আখেরাতের পরর্বিতে বিক্রি করে দেয় তাদের জিহাদ করাই র্কতব্য। বস্তুতঃ যারা আল্লাহর রাহে লড়াই করে এবং অতঃপর মৃত্যুবরণ করে কিংবা বিজয় র্অজন করে আমি তাদরেকে মহাপুণ্য দান করব। 

বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী
أَفَرَأَيْتُمُ النَّارَ الَّتِي تُورُونَ (٧١) أَأَنْتُمْ أَنْشَأْتُمْ شَجَرَتَهَا أَمْ نَحْنُ الْمُنْشِئُونَ (٧٢) نَحْنُ جَعَلْنَاهَا تَذْكِرَةً وَمَتَاعًا لِلْمُقْوِينَ (٧٣) فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ﴿الواقعة: ٧٤-٧١﴾
তোমরা যে অগ্নি প্রজ্জ্বলিত কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি? তোমরা কি এর বৃক্ষ সৃষ্টি করেছ, না আমি সৃষ্টি করেছি? আমি সেই বৃক্ষকে করেছি স্মরণিকা এবং মরুবাসীদের জন্য সামগ্রী। অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন। (সূরা ওয়াকিয়াহ ঃ ৭১-৭৪)

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِصَاصُ فِي الْقَتْلَى ۖ       الْحُرُّ بِالْحُرِّ وَالْعَبْدُ بِالْعَبْدِ وَالْأُنثَىٰ بِالْأُنثَىٰ ۚ       فَمَنْ عُفِيَ لَهُ مِنْ أَخِيهِ شَيْءٌ فَاتِّبَاعٌ بِالْمَعْرُوفِ وَأَدَاءٌ إِلَيْهِ بِإِحْسَانٍ ۗ    ذَٰلِكَ تَخْفِيفٌ مِّن رَّبِّكُمْ وَرَحْمَةٌ ۗ      فَمَنِ اعْتَدَىٰ بَعْدَ ذَٰلِكَ فَلَهُ عَذَابٌ أَلِيمٌ ﴿البقرة: ١٧٨﴾
হে ঈমানদারগন! তােমাদরে প্রতি নিহতদের ব্যাপারে কেসাস গ্রহণ করা বিধিবদ্ধ করা হয়েছে। স্বাধীন ব্যক্তি স্বাধীন ব্যক্তির বদলায়, দাস দাসের বদলায় এবং নারী নারীর বদলায়। অতঃপর তার ভাইয়ের তরফ থেকে যদি কাউকে কিছুটা মাফ করে দেয়া হয়, তবে প্রচলতি নিয়মের অনুসরণ করবে এবং ভালভাবে তাকে তা প্রদান করতে হবে। এটা তােমাদের পালনর্কতার তরফ থেকে সহজ এবং বিশেষ অনুগ্রহ। এরপরও যে ব্যাক্তি বাড়াবাড়ি করে তার জন্য রয়ছেে বেদনাদায়ক আযাব।

رَبِّ أَوْزِعْنِي أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِي أَنْعَمْتَ عَلَيَّ وَعَلَىٰ وَالِدَيَّ وَأَنْ أَعْمَلَ صَالِحًا تَرْضَاهُ وَأَدْخِلْنِي بِرَحْمَتِكَ فِي عِبَادِكَ الصَّالِحِينَ ﴿النمل: ١٩﴾
হে আমার পালনর্কতা, তুমি আমাকে সামর্থ দাও যাতে আমি তােমার সেই নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি, যা তুমি আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে দান করছে এবং যাতে আমি তােমার পছন্দনীয় সৎর্কম করতে পারি এবং আমাকে নিজ অনুগ্রহে তােমার সৎর্কমপরায়ন বান্দাদরে অর্ন্তভুক্ত কর।

مَن قَتَلَ نَفْسًا بِغَيْرِ نَفْسٍ أَوْ فَسَادٍ فِي الْأَرْضِ فَكَأَنَّمَا قَتَلَ النَّاسَ جَمِيعًا وَمَنْ أَحْيَاهَا فَكَأَنَّمَا أَحْيَا النَّاسَ جَمِيعًا ﴿المائدة: ٣٢﴾
যে কেউ প্রাণরে বিনিময়ে প্রাণ অথবা পৃথিবতে অর্নথ সৃষ্টি করা ছাড়া কাউকে হত্যা করে সে নে সব মানুষকইে হত্যা কর। এবং যে কারও জীবন রক্ষা করে, সে যেন সবার জীবন রক্ষা কর। 


আরটি-১২৪৫৩
ধর্মীয় শিক্ষক
মোঃ উমর ফারুক  
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
মোবাঃ ০১৭১৭-৯৫৪৩৪৭

1 comment: